SMDN Tutorial

All in One Destination for Smart Education. One Platform Endless Learning. Empowering your Learning Journey.

Breaking

Showing posts with label DElEd. Show all posts
Showing posts with label DElEd. Show all posts

Thursday, April 11, 2024

April 11, 2024

DElEd Previous Year's Part-2 Question Download 2019 All Subjects [PDF]

 DElEd Previous Year's Part-2 Question Download 2019 All Subjects [PDF]

DElEd Course Structure : Part-2 (Second Year) 

Total Marks: 1000 (External : 70% ; Internal : 30%) 


1. CHS-2 Cognition, Learning & the Socio Cultural Context : Marks 100 

2. EDS-3 School Culture, Leadership & Change : Marks  100

 3. CNS-2 Diversity, Gender & Inclusive Education : Marks  50

 4. EDS-4 Development of self : Marks  50 

5. CU & PDS-3 Computer Application in Education : Marks  50 

6. PDC-3 Language -2 (English) : Marks  100 

7. PDC-4 Environment Studies : Marks  50  

April 11, 2024

DElEd Previous Year's Part-1 Question Download 2019 All Subjects [PDF]

DElEd Previous Year's Part-1 Question Download All Subjects in PDF Format

DElEd Course Structure : Part-1 (First Year) 

Total Marks: 1000 (External : 70% ; Internal : 30%)

1. CHS-1 Childhood and the Development of Children Marks 100 

2. CNS-1 Contemporary Indian Society Marks 100 

3. EDS-1 Education, Society, Curriculum and Learners Marks 100 

4. CU & PDS-1 Pedagogy Across the Curriculum Marks 100 

5. EDS-2 Early Childhood Education Marks 50

 6. CU & PDS-2 Proficiency in English Marks 50 

7. PDC-1_ Language -1st Bengali Marks 100 

8. PDC-2 Mathematics Marks 100

This page offers a downloadable PDF that contains a collection of previous year question papers. These papers serve as valuable study material, providing you with a preview of the exam format, question types, and content coverage. By utilising these model question papers, you can enhance your exam preparation, practice your skills, and familiarise yourself with the examination pattern.


Download PDF : Click Here



Also Download the Solution and Suggestion  based Notes  of All Solved Previous Year's Part-1 Question of 2018, 2019, 2020, 2021, 2022 and so on: Click Here


টেট পরীক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় এবং আবশ্যিক গুরুত্বপূর্ণ MCQ কালেকশন গুলো রয়েছে এই ফাইলের মধ্যে । এটি পরীক্ষার আগে আপনার প্রিপারেশন কে আরো একধাপ এগিয়ে নিয়ে যাবে ।

*****************************

Notes Online স্টোর থেকে ডাউনলোড করতে সমস্যা হলে WhatsApp এর মাধ্যমে নোটস নিতে পারেন, এক্ষেত্রে আপনারা 9615141075 এই WhatsApp নম্বর এ যোগাযোগ করবেন ।


English Pedagogy With MCQ

************************

http://smdntutorial.blogspot.com/2021/09/english-pedagogy-with-important-mcq.html


টেট পরীক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় সমস্ত ভিডিও

https://youtube.com/playlist?list=PLGjxlYhTRA_SnR04UaSLU7YGduug6F65F


Bengali কবি সাহিত্যিক টেট 2

https://www.instamojo.com/SMDN_Tutorial/tet-2-full-details-note-smdn-tutorial/


Bengali কবি সাহিত্যিক TET 1

https://www.instamojo.com/SMDN_Tutorial/tet-1-full-details-note-smdn-tutorial/


Child Development and Pedagogy

https://www.instamojo.com/SMDN_Tutorial/child-development-and-pedagogy-for-tet-1-and/


EVS for TET 1

https://www.instamojo.com/SMDN_Tutorial/evs-full-study-materials-for-tet-1-examinati/


Pure Science for TET 2

https://www.instamojo.com/SMDN_Tutorial/tet-2-pure-science-details-notes/


Bio Science for TET 2

https://www.instamojo.com/SMDN_Tutorial/tet-2-bio-science-all-detail-notes-with-qa/


টেট পরীক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় সমস্ত ক্লাস

https://youtube.com/playlist?list=PLGjxlYhTRA_SnR04UaSLU7YGduug6F65F


ফ্রী স্টাডি মেটেরিয়াল Download করতে পারেন আমাদের ওয়েবসাইট থেকে

https://smdntutorial.blogspot.com


ফেসবুক এ আমাদের সঙ্গে জুড়ে থাকুন

https://www.Facebook.com/SMDNTutorial


টেলিগ্রাম Channel join করুন ফ্রী নোটস পাবার জন্য

https://t.me/smdn_tutorial


নিত্য নতুন আপডেট পেতে আমাদের ইউটিউব চ্যানেল Subscribe করুন

https://YouTube.com/c/smdntutorial






Monday, January 16, 2023

January 16, 2023

DElEd 1st Year School Internship Program _ SCERT DElEd School Internship

SCERT DElEd Part 1 School Internship

DElEd কোর্সের প্রথম বর্ষে স্কুল ইন্টার্নশীপে কি কি করতে হয় সেটা পুরো ডিটেলস এখানে পেয়ে যাবেন, প্রতিটি কাজের ফরমেট সহ আলোচনা করা হয়েছে ।
1.
Course Details

https://youtu.be/YwV4VAdGQGw

2. School Profile কিভাবে লিখবেন?
https://youtu.be/K5oDr664oYM


3. Student's Profile
https://youtu.be/PPpLkLszvI0


4. Interaction and Observing Student's
https://youtu.be/g6Z_cVojtfA


5. Critical Analysis of Textbook 
https://youtu.be/S2ryS4bIsl4


6. Making of TLM
https://youtu.be/V_M_xTmmd_8


7. Supervision Sheet
https://youtu.be/LI7g5M1trz8


8. Observing School Events 

https://youtu.be/7KGYPR05Jl8


9. Visiting a Learning Centre
https://youtu.be/0dLRvfYbp8s

Thursday, June 30, 2022

June 30, 2022

পাঠ্যক্রম ও পাঠ্যসূচী ।। Curriculum and Syllabus

পাঠ্যক্রম ও পাঠ্যসূচী ।। Curriculum and Syllabus 

১) পাঠ্যক্রম  কি
২) পাঠ্যসূচী কি
৩) পাঠ্যক্রম ও পাঠ্যসূচী এর মধ্যে পার্থক্য কি ?
৪) পাঠক্রম কি ?
৫) পাঠ্যক্রম ও পাঠক্রম এর মধ্যে পার্থক্য কি ?

1) What is Curriculum ?
2) What is Syllabus ?
3) What are the difference between Curriculum and Syllabus ?
4) What is Scheme of Lesson ?
5) What are the difference between Curriculum and Scheme of Lesson ?

Curriculum (পাঠ্যক্রম):
পাঠ্যক্রম হলো শিক্ষার লক্ষ্যে পৌঁছানোর পন্থা। 

Syllabus (পাঠ্যসূচী):
সাধারণ অর্থে পাঠ্যসূচী বলতে বোঝায় পাঠ্য বিষয়ের অন্তর্ভুক্ত উপাদানগুলোকে বোঝায় ।

পাঠক্রম (Scheme of Lesson): 
পাঠ্যক্রমের ক্ষুদ্রতম একক যাকে শিক্ষার্থীরা সল্পকালীন প্রচেষ্টায় আয়ত্ব করতে পারে, তাকে বলা হয় পাঠক্রম ।

পাঠ্যক্রমের উদ্দেশ্য

  • বিস্তৃত কাঠামো: পাঠ্যক্রমটি একটি সর্ব-সমেত, বহু-বিষয়ক, গ্রেড-স্তরের শিক্ষা কাঠামো।
  • দীর্ঘমেয়াদী লক্ষ্য: শিক্ষাবর্ষ জুড়ে শিক্ষার্থীদের শেখার গতিপথ পরিচালনার জন্য অনুসরণ করা গুরুত্বপূর্ণ, মৌলিক শিক্ষা লক্ষ্য এবং মান নির্ধারণ করে।
  • সর্বাত্মক উন্নয়ন : শিক্ষার বাইরেও বাস্তব জীবনের কার্যকলাপের জন্য শিক্ষার্থীর জ্ঞানীয়, মানসিক, সামাজিক এবং শারীরিক ক্ষমতা বিকাশের উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করে।
  • বিষয় জুড়ে সুসংগতি : বিভিন্ন বিষয়কে সাধারণ বিষয় বা দক্ষতার পরিপ্রেক্ষিতে একীভূত করলে শেখার সুসংগতি এবং ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করা যেতে পারে।

সিলেবাসের উদ্দেশ্য
  • স্পষ্ট বোঝাপড়া : শিক্ষার্থী এবং শিক্ষকদের মধ্যে কোর্সের বিষয়বস্তু এবং প্রত্যাশা সম্পর্কে একটি স্পষ্ট ধারণা প্রদান করে।
  • লক্ষ্য নির্ধারণ : শিক্ষার্থীদের জন্য নির্দিষ্ট শিক্ষার উদ্দেশ্যগুলি স্পষ্টভাবে সংজ্ঞায়িত করে, যা তাদের ধারণাগুলি বুঝতে এবং আয়ত্ত করতে সক্ষম করে।
  • শেখার সুবিধা প্রদান করে : শেখার সুবিধা প্রদানের জন্য কোর্স উপাদান, সম্পদ এবং কার্যকলাপের একটি কাঠামোগত রূপরেখা প্রদান করে।
  • বয়স-উপযুক্ত প্রশিক্ষণ: পাঠ্যক্রমটি শিক্ষার্থীদের বিকাশের স্তর অনুসারে বিষয়বস্তু এবং শিক্ষাদান পদ্ধতিগুলিকে অন্তর্ভুক্ত করে, যার ফলে এটি প্রাসঙ্গিক এবং আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে।

উপসংহার
"পাঠ্যক্রম" এবং "পাঠ্যক্রম" শব্দ দুটি প্রায়শই পরস্পর পরস্পর পরিবর্তিতভাবে ব্যবহৃত হয়। এগুলি একটি শিক্ষামূলক কর্মসূচির স্বতন্ত্র দিকগুলিকে বোঝায়। পাঠ্যক্রম হল একটি বিষয় শেখানোর সামগ্রিক পরিকল্পনা এবং কাঠামো, যার মধ্যে শেখার উদ্দেশ্য, নির্দেশনামূলক পদ্ধতি এবং মূল্যায়ন ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত থাকে।

অন্যদিকে, সিলেবাস হল একটি নির্দিষ্ট নথি যা একটি নির্দিষ্ট কোর্সে অন্তর্ভুক্ত বিষয়বস্তু এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য, যেমন গ্রেডিং নীতি এবং ক্লাসের সময়সূচীর রূপরেখা দেয়। এই দুটি ধারণার পার্থক্য বোঝা শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীদের উভয়ের জন্যই অপরিহার্য। এটি নিশ্চিত করতে সাহায্য করে যে নির্দেশনামূলক লক্ষ্যগুলি অর্জন করা হয়েছে এবং শেখার ফলাফলগুলি স্পষ্টভাবে সংজ্ঞায়িত এবং অর্জন করা হয়েছে।

Tuesday, April 19, 2022

April 19, 2022

A Short note on Right to Education Act 2009 in Bengali । শিক্ষার অধিকার আইন 2009

RTE - Right to Education Act
শিক্ষার অধিকার আইন
শিক্ষার অধিকার আইন আসলে হল Right of Children to Free and Compulsory Education Act, 2009 বা শিশুদের বিনামূল্যে ও বাধ্যতামূলক শিক্ষার অধিকার আইন । এই বিলটি 4 আগস্ট 2009 ভারতীয় সংসদে প্রণয়ন করা হয় এবং সফলভাবে শিক্ষার অধিকার আইন ভারতের সংবিধানের অনুচ্ছেদ 21A এর অধীনে আনা হয় 26 আগস্ট 2009 । 1 এপ্রিল 2010 এ আইনটি কার্যকর করা হয়, এতে শিক্ষাকে প্রতিটি শিশুর মৌলিক অধিকারে পরিণত করা হয় ।

শিক্ষার অধিকার আইনটি কি নিয়ে ?

* 6 থেকে 14 বছর বয়সী প্রতিটি শিশুর বিনামূল্যে বাধ্যতামূলক শিক্ষা পাওয়ার অধিকার আছে । 86 তম সংবিধান সংশোধনী আইন অনুযায়ী সংবিধানের 21A অনুচ্ছেদে  এ কথা বলা হয়েছে । এই সংশোধনীর মাধ্যমেই শিক্ষার অধিকার আইন প্রয়োগ করা হবে ।

* সরকারি স্কুল গুলি প্রতিটি শিশুকে বিনামূল্যে শিক্ষা দেবে এবং বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির দ্বারা বিদ্যালয়গুলো পরিচালিত হবে । বেসরকারি স্কুলগুলো মোট পড়ুয়ার অন্তত 25% শিশুকে বিনামূল্যে ভর্তি করবে ।

* গুনমানসহ বুনিয়াদি শিক্ষার সমস্ত দিতে নজরদারি চালাতে বুনিয়াদি শিক্ষার ভারতীয় কমিশন (National Commission for Elementary Education) তৈরি করা হবে ।

শিক্ষার অধিকার আইন (RTE) 2009 এর প্রধান বৈশিষ্ট্য : 

* ভারতের 6 থেকে 14 বছর বয়সী সকল শিশুর জন্য বিনামূল্যে বাধ্যতামূলক শিক্ষা । বুনিয়াদি শিক্ষা সম্পূর্ন করার আগে কোনো শিশুকে ফেল করানো বা বহিষ্কার করা যাবে না ।

* যদি 6 বছর বয়সের বেশি বয়সী কোনো শিশু স্কুলে ভর্তি না হয়ে থাকে বা তার বুনিয়াদি শিক্ষা সম্পূর্ণ না হয়ে থাকে, তাহলে তাকে তার বয়সের উপযোগী শ্রেণীতে ভর্তি করতে হবে । যদি কোনো শিশুকে তার বয়স অনুযায়ী কোন শ্রেণীতে ভর্তি করে দেওয়া হয়, তাহলে সে যাতে অন্যদের সঙ্গে একই মানে পৌঁছতে পারে, সে জন্য নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত তাকে বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে । বুনিয়াদি শিক্ষা পাওয়ার লক্ষ্যে ভর্তি হওয়া প্রতিটি শিশু বুনিয়াদি শিক্ষা সম্পূর্ন হওয়া পর্যন্ত বিনামূল্যে শিক্ষা পাবে, এমনকি তার বয়স যদি 14 বছর পেরিয়ে যায় তা হলেও ।

* বুনিয়াদি শিক্ষায় ভর্তি হওয়ার ক্ষেত্রে শিশুর বয়স তার জন্মের শংসাপত্র অনুযায়ী নির্নিত হবে । এই শংসাপত্র জন্ম, মৃত্যু, বিবাহ নিবন্ধন আইন 1856 বা নির্দেশিত অন্য কোন নথি দ্বারা প্রমাণিত হলেই হবে । শুধুমাত্র বয়সের প্রশংসাপত্রের অভাবে কোন শিশুর ভর্তি আটকানো যাবেনা ।

* যে শিশু বুনিয়াদি শিক্ষা শেষ করবে তাকে শংসাপত্র দিতে হবে ।

* ছাত্র-শিক্ষক অনুপাত নির্দিষ্ট করার বিষয়ে উদ্যোগী হতে হবে প্রাথমিক স্তরে 30:1,  উচ্চ প্রাথমিক স্তরে 35:1 ।

* শিক্ষার গুনমানের উন্নতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ।

* অর্থনৈতিক দায়িত্ব কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার ভাগাভাগি করে বহন করবে ।

* শিক্ষকদের পেশাদারি ডিগ্রি অর্জন করতে হবে ।

শিক্ষার অধিকার আইন চালু করার জন্য সরকারের কর্তব্য 

* অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিশু শিক্ষার অধিকার আইন চালু করার আগে স্কুলের ব্যবস্থা করা সরকারের কর্তব্য ।

* প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত শিশুদের জন্য এক কিলোমিটারের মধ্যে বিদ্যালয় স্থাপন করতে হবে ।

* ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত শিশুদের জন্য তিন কিলোমিটারের মধ্যে বিদ্যালয় স্থাপন করতে হবে ।

* বিদ্যালয় গরিব বঞ্চিত শ্রেণীর বাচ্চাদের প্রতি কোনো রকমের ভেদাভেদ করা যাবে না ।

স্থানীয় সরকারের কর্তব্য 

* 6 থেকে 14 বছরের সকল শিশুদের অবৈতনিক প্রাথমিক শিক্ষা দান ।

* নিকটবর্তী অঞ্চলে বিদ্যালয় স্থাপন করা । দরকার হলে বিকলাঙ্গ বাচ্চাদের জন্য যানবাহনের ব্যবস্থা করা ।

* দুর্বল শ্রেণীর বাচ্চাদের সাথে পক্ষপাত যাতে না হয়, সে দিকে নজর রাখা ।

* এলাকায় 6 থেকে 14 বছর বয়সী শিশুদের তালিকা প্রকাশ ও তাদের স্কুলে ভর্তির ব্যবস্থা করা ।

* শিশুদের স্কুলে ভর্তি করানোর পাশাপাশি তাদের প্রতিদিনের উপস্থিতি এবং অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষা শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাদের উপর নজর রাখা হবে ।

* বিদ্যালয়, শিক্ষক, শ্রেণিকক্ষ এবং শিক্ষণ সামগ্রীর যথাযথ ব্যবস্থা করা ।

* শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা ।

* বাইরে থেকে আসা পরিবারের শিশুদের স্কুলে ভর্তি করানো ।

* শিশুদের স্বাস্থ্য, সুরক্ষা ও অভিযোগের প্রতিকার করা ।

পিতা-মাতা ও স্থানীয়দের কর্তব্য 

প্রত্যেক পিতা-মাতা অবস্থান ঈদের কর্তব্য হবে তারা তাদের শিশুদের নিকটবর্তী বিদ্যালয় অবশ্যই ভর্তি করাবেন ।

বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি (SMC)

বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনার জন্য একটি কমিটি বানানো হয়েছে যা বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি বা স্কুল ম্যানেজমেন্ট কমিটি নামে পরিচিত । এই কমিটিতে কমপক্ষে তিন চতুর্থাংশ সদস্য মাতা পিতা বা স্থানীয় অভিভাবক থাকবেন । এই কমিটিতে কমপক্ষে 50% মহিলা সদস্য থাকবেন ।

বিদ্যালয় পরিচালন কমিটির দায়িত্ব

* বিদ্যালয়ের কাজকর্ম ঠিকমত চলছে কিনা তা দেখাশুনা করা ।

* বিদ্যালয় উন্নয়নে পরিকল্পনা তৈরি করা ।

* বিদ্যালয়ের ফান্ড / তহবিলের টাকা সঠিক কাজে সঠিক ভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে কিনা তা দেখা ।

* বিদ্যালয়ের উন্নয়নে সহযোগিতা করা ।

শিক্ষক-শিক্ষিকার দায়িত্ব ও কর্তব্য

* পাঠক্রিয়া পরিচালনা, শিক্ষার্থীকে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলা, বিদ্যালয় পরিচালনা এবং সামগ্রিকভাবে সমাজ গঠনে ভূমিকা পালন করা ।

* পাঠ্যক্রম পরিচালনা ও নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তা সমাপ্ত করা ।

* শিক্ষার্থীর মূল্যায়ন করা ও তাকে সাহায্য করা ।

* শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি, শিক্ষার অগ্রগতি ইত্যাদি বিষয়ে নিয়মিত অভিভাবকদের অবহিত করা ।

পর্যালোচনা

শিক্ষা ক্ষেত্রে যে খরচ হবে তা কেন্দ্র-রাজ্য উভয়ই সরকারই বহন করবে । কেন্দ্র:রাজ্য = 55:45 , উত্তর পূর্বাঞ্চলের রাজ্য গুলির জন্য সেই অনুপাত 90:10

প্রশ্নাবলী

Q: RTE আইনত নাম কি ?
Ans:- Right of Children to Free and Compulsory Education Act.

Q: RTE 2009 সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে বর্ণিত আছে ?
Ans:- 21-A

Q: RTE  কখন কার্যকর হয় ?
Ans:- 1 এপ্রিল 2010.

Q: RTE অনুযায়ী কত বছর বয়সী শিশুদের বিনামূল্যে বাধ্যতামূলক শিক্ষার ব্যবস্থা করা হবে ?
Ans:- 6-14 বছর বয়সী শিশুদের ।

Q: RTE অনুযায়ী প্রাথমিক স্তরে ছাত্র শিক্ষক অনুপাত কত ?
Ans:- 30:1

Q: RTE অনুযায়ী উচ্চ প্রাথমিক স্তরের ছাত্র-শিক্ষক অনুপাত কত ?
Ans:- 35:1

Q: শিক্ষার্থীদের বয়সের প্রমাণপত্র না থাকলে কি বিদ্যালয় ভর্তি করা যাবে ?
Ans:- ভর্তি করা যাবে ।

Q: প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণীর জন্য বাড়ি থেকে কত দূরত্বের মধ্যে বিদ্যালয় হতে হবে ?
Ans:- বাড়ির এক কিলোমিটারের মধ্যে প্রাথমিক বিদ্যালয় থাকতে হবে ।

Q: SMC এর পুরো নাম কি ?
Ans:- School Management Committee.

Q: উত্তর পূর্বাঞ্চলের রাজ্য এর ক্ষেত্রে শিক্ষাক্ষেত্রে কেন্দ্র : রাজ্য খরচ এর অনুপাত কত ?
Ans:- 90:10

Sunday, April 17, 2022

April 17, 2022

Education, Society, Curriculum and Learners Important Questions and Answers, Assignments, Notes for DElEd Exam

Q: শিশুকেন্দ্রিক শিক্ষার বৈশিষ্ট্য গুলি লেখ

Ans:- শিশু কেন্দ্রিক শিক্ষা ব্যবস্থার উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো

i) শিক্ষার্থীর স্বাধীনতা :  শিশুকেন্দ্রিক শিক্ষা ও শিক্ষার্থীর গতানুগতিক শিক্ষার শৃংখল থেকে মুক্ত হয়ে তার নিজের ইচ্ছা ও আগ্রহ অনুসারে শিক্ষা গ্রহণ করার স্বাধীনতা পায় শিক্ষার্থীর বৈচিত্র্যপূর্ণ পরিবেশে নিজের ইচ্ছা অনুসারে শিক্ষা গ্রহণ করে ।

ii) সক্রিয়তাভিত্তিক শিক্ষা : আধুনিক শিক্ষা পদ্ধতিতে প্রত্যক্ষ কর্মের মধ্যে দিয়ে শিক্ষার্থীকে হাতে-কলমে শেখানো হয় সেই জন্য আধুনিক শিক্ষার মূল নীতি হলো কাজের মাধ্যমে শিক্ষা ।

iii) মানবিক সম্পর্কের উন্নয়ন : শিশুকেন্দ্রিক শিক্ষার শিক্ষক-শিক্ষার্থীর মানবিক সম্পর্কের যথেষ্ট উন্নতি ঘটে শিক্ষক-শিক্ষার্থীর পিতাসম বন্ধু দার্শনিক এবং পথপ্রদর্শক শিক্ষার্থী এখানে নিজের চেষ্টায় শিক্ষার্থী যেমন সাহায্য প্রত্যাশা করে শিক্ষক তাকে তেমন সাহায্য করেন শিক্ষক এখানে শক্ষার্থীর একজন সহানুভূতিশীল শুভাকাঙ্ক্ষী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করেন ।

iv) মনোবিদ্যার আদর্শ প্রয়োগ : শিশুকেন্দ্রিক শিক্ষার বিভিন্ন ক্ষেত্রে মনোবিদ্যার পরীক্ষণমূলক তথ্য এবং নীতিগুলি প্রয়োগ করা হয় শিশুকেন্দ্রিক শিক্ষার পদ্ধতিতে যুক্তির থেকে মনস্তত্ত্বের উপর বেশি গুরুত্ব দেয়া হয় ।

v) স্বতঃস্ফূর্ত শৃঙ্খলা : শিশুকেন্দ্রিক শিক্ষার মূল শৃঙ্খলা বাহ্যিকভাবে নিয়ন্ত্রিত হয় না বৈচিত্র্যপূর্ণ সৃজনশীল সমবায়ভিত্তিক কাযকরী অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থী শৃংখলার মূল্য অবহিত হবে ।

vi) জীবন কেন্দ্রিক শিখন পদ্ধতি : শিশুকেন্দ্রিক শিক্ষার মূল ধারণা গ্রহণ করে বর্তমানে সারাবিশ্বে শিক্ষার্থীর সার্বিক বিকাশে গড়ে উঠেছে নানারূপ শিক্ষা পদ্ধতি অনুশিক্ষণ পদ্ধতি উৎপাদন পদ্ধতি মিথস্ক্রিয়া মূলক পদ্ধতি বিশ্লেষণ পদ্ধতি ইত্যাদি ।

vii) শিক্ষার্থীকে সুনাগরিক তৈরি করা : এই শিক্ষা ব্যবস্থায় শিক্ষার্থী নিজের ইচ্ছা অনুযায়ী আগ্রহ অনুযায়ী নিজেকে গড়ে তোলে ফলে সে সুবিধা-অসুবিধার নেয়ায় অন্যায় আচরণ গুলি এবং এর পরিপ্রেক্ষিতে নিজেকে আদর্শ নাগরিক রূপে তৈরি করতে পারে ।


Q: ভারতবর্ষের পরিপ্রেক্ষিতে প্রারম্ভিক শৈশবের শিক্ষায় পরিবারের ভূমিকা সম্পর্কে আলোচনা করুন

Ans :- প্রারম্ভিক শৈশবের শিক্ষায় পরিবারের ভূমিকা গুলি হল :-

i) মধ্য দিয়ে শিশুর মধ্যে মূল্যবোধ গড়ে ওঠে ।

ii) সামাজিক আচরণের শিক্ষা : পরিবার শিশুটি বিভিন্ন ধরনের সামাজিক আচার আচরণর শিক্ষা দেয় পরিবারের মিথস্ক্রিয়া করতে করতে শিশু বিভিন্ন আচার আচরণ শিখে ফেলে ।

iii) সংস্কৃতির শিক্ষা : পরিবার স্কৃতিক চেতনার বিকাশে সহায়তা করে পরিবারে শিশুর মধ্যে সামাজিক ও সাংস্কৃতিক গুণাবলীর বিকাশ ঘটায় ফলে শিশু সংস্কৃতি বোধ জেগে ওঠে ।

iv) প্রাক্ষোভিক বিকাশের শিক্ষা : পরিবার শিশুর ভাবাবেগ গুলিকে যথাযথ বিকশিত হতে সাহায্য করে সংযত প্রাক্ষোভিক আচরণ শিক্ষায় শিশুর সার্বিক বিকাশের ক্ষেত্রে সহায়ক হয়ে ওঠে ।

v) জ্ঞানার্জনের শিক্ষা : বিভিন্ন ধরনের গানের সঙ্গে পরিচিত করে জ্ঞানার্জনের শিক্ষার প্রকৃতপক্ষে পরিবারেই শুরু হয় ।

vii) সু-অভ্যাস গঠনের শিক্ষা : পরিবার শিশুকে বিভিন্ন ধরনের অভ্যাস গড়ে তুলতে শেখায় ঐ সুঅভ্যাসগুলোর পরবর্তীকালে শিশুকে সুনাগরিক হয়ে উঠতে সাহায্য করে ।

viii) আধ্যাত্মিক ও নৈতিক শিক্ষা : শিশু আধ্যাত্মিক চেতনা অথবা ভালো-মন্দ নিয়ে জন্মায় না পরিবারে শিশুর মধ্যে আধ্যাত্মিক ও নৈতিক চেতনার বিকাশ ঘটায় ।


Q : শিক্ষাক্ষেত্রে ডিউই এর অবদান আলোচনা করো

Ans :- ডিউই তার শিক্ষা চিন্তা ও পরিকল্পনায় স্বাধীন ব্যক্তিত্ব বিকাশের উপযোগী একটি আদর্শ গণতান্ত্রিক শিক্ষা ধারণাকে তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন তিনি ব্যক্তি জীবন ও সমাজ জীবন গৃহ বিদ্যালয় জীবন দৈহিক ও মানসিক বিকাশ এবং তথ্যমূলক গুলির মধ্যে সমন্বয় রচনা করে একটি গতিশীল সামগ্রিক শিক্ষার রূপ গড়ে তুলতে চেয়েছেন শিক্ষায় ব্যক্তির স্বাধীন সৃষ্টিশীল বৃদ্ধির দিকে তিনি সমাজ বাস্তবতার সঙ্গে সমন্বিত করেছেন এবং তার মধ্য দিয়ে গণতান্ত্রিক সমাজতান্ত্রিক শিক্ষার রূপ তুলে ধরেছেন ডিভিশন প্রয়োগবাদী দার্শনিক রূপে শিক্ষার কোন চূড়ান্ত লক্ষ্য অস্থায়ী মূল্যবোধের প্রতি বিশ্বাস রাখেন নি তিনি সমস্ত কিছুতেই ক্রিয়াশীল অভিজ্ঞতা ও বাস্তব ফল ধানের মাপকাঠিতে বিচার করার পক্ষপাতি সমালোচকগণ মনে করেন যে এই তাৎক্ষণিক মূল্যবোধের ধারণাকে সম্পূর্ণভাবে গ্রহণ করলে অনেক দীর্ঘস্থায়ী মানসিক ক্রিয়ার তাৎপর্যকে অস্বীকার করা যায় যার শিক্ষামূলক গুরুত্ব অপরিসীম এর মতে শিক্ষার কোন নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য থাকে না অর্থাৎ শিক্ষার সমন্বয় হল লক্ষ আর প্রতিক্রিয়ায় হলো লক্ষ্য পূরণের উপায় বা পদ্ধতি সামগ্রিক বিচারে শিক্ষকদের মূল্যায়ন করতে গিয়ে আমরা প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ Ruak এর সঙ্গে একমত হয় বলতে পারি 'In him or her concentrate in a special degree the progressive tenderness of his age.' Ruak এর মতে 'Dewey was a great educationist because he was a great philosopher.'

ডিউই এর পাঠক্রমিক ধারণার সঙ্গে সমন্বিত হয় তার শিক্ষা পদ্ধতির ধারণাটিও গড়ে উঠেছে ডিবি শিক্ষণে শিশু self-learning বা আত্ম শিখনের উপর জোর দিয়েছেন এই অর্থে শিশু তার আত্ম প্রচেষ্টার মধ্যে দিয়ে শিক্ষা লাভ করে শিশু নিজেই তার শিখনের উদ্দেশ্য ও বিষয়কে নির্বাচন করবে যার মধ্যে তার কোন বৃদ্ধিমূলক চাহিদা পূরণের প্রশ্ন বা সমস্যা যুক্ত থাকে এই সমস্যাটিকে আত্ম সক্রিয়তার মূলক কর্মপ্রয়াস এর মাধ্যমে সমাধান করাই তার আত্মজীবনী মূলক বৃদ্ধি সাধন এর ভিত্তি গড়ে তুলে এই সমস্যা সমাধানের প্রক্রিয়াটি এর মতে শিক্ষার আদর্শ পদ্ধতিতে বুঝিয়ে থাকে প্রবলেম সলভিং মেথদ নামে পরিচিত এর মধ্যে থেকেই উদ্ভব হয়েছে এর এই শিক্ষণ পদ্ধতির মধ্য দিয়ে কার্যকর হয়ে থাকে এগুলো হল
* সমস্যার পরিচয় বা নির্ধারণ
* সমস্যার বিশ্লেষণ 
* সমস্যা সমাধানের সম্ভাব্য পরিকল্পনা 
* পরিকল্পনাকে বাস্তবায়িত করা 
* অর্জিত অভিজ্ঞতা ও সাফল্য ব্যর্থতা সম্পর্কে মূল্যায়ন

ডিবি তার পদ্ধতিকে লার্নিং ড্রয়িং বা হাতে কলমে কাজ অভিজ্ঞতা অর্জনের প্রক্রিয়া কে আদর্শ শিক্ষা পদ্ধতি বলেছেন শিক্ষকের ভূমিকা নির্ধারণ করতে দিবি শিশুর বৃদ্ধি ও বিকাশ সাধনের উপযোগী পরিবেশ সংগঠন ও পদ্ধতি যাতে বাস্তব রূপ লাভ করতে পারে সে সম্পর্কে একজন পর্যবেক্ষক ও সাহায্যকারী বিশেষজ্ঞ রূপে বিচার করেছেন শিক্ষা সম্পর্কে শিশুর স্বাধীন আত্মসম্মান ধারণাটি উপস্থিত উপস্থিত করেছেন এদিকে আমরা মুক্ত শৃংখলার ধারনা বলতে পারি এই উদ্দেশ্যে বিদ্যালয় গৃহ জীবনের অনুরূপ একটি স্বাভাবিক সংগঠন হিসেবে বিদ্যালয় জীবন সংগঠনের কথা বলেছেন ।

Q: আধুনিক শিক্ষায় রবীন্দ্রনাথের অবদান আলোচনা করুন 

Ans:- শিক্ষাক্ষেত্রে রবীন্দ্রনাথের অবদান এই অল্প পরিসরে আলোচনা করা সম্ভব নয় নতুন শিক্ষা ক্ষেত্রে নতুন কোন দৃষ্টিভঙ্গির উদ্ভাবন না হলেও রবীন্দ্রনাথের সৃজনশীল প্রতিভা শিক্ষার বিভিন্ন ক্ষেত্রের উপর বিচ্ছুরিত হয় নতুন আলোর সন্ধান দিয়েছে বিশ্বভারতী শিক্ষাব্যবস্থা পর্যালোচনা করলেই উপলব্ধি করা যায় এ ধরনের কিছু কিছু বিষয়ের উপর আলোকপাত করলাম :

i) আধ্যাত্মিকতার প্রতি গভীর উপলব্ধি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শিক্ষা ভাবনা মূল উৎস শিক্ষার প্রধান লক্ষ্য পাঠক্রম শিক্ষণ পদ্ধতি শৃঙ্খলা শিক্ষক শিক্ষার্থী সম্পর্ক সর্বক্ষেত্রেই আধ্যাত্মিকতার স্পর্শ ছিল এর অর্থ এই নয় যে তার চিন্তার মধ্যে বিজ্ঞান অবহেলিত ছিল প্রকৃতপক্ষে বিজ্ঞান ভিত্তিক শিক্ষার ভিত্তি করেই তিনি পাঠক্রম শিক্ষাপদ্ধতি প্রকৃতি সম্পর্কে আলোচনা করেছেন এবং বিশ্বভারতীতে তার প্রয়োগ করেছেন তবে সেখানেও আধ্যাত্মিকতা থেকে উৎস চিন্তার স্পর্শ ছিল আধ্যাত্মিকতা ও বিজ্ঞান এ দুটি পরস্পরবিরোধী বলে মনে করেন উভয়ের সমন্বয় সাধন করা তাঁর শিক্ষা চন্তার মূল লক্ষ্য ছিল পাঠক্রমে তাই মানবিক বিষয় গুলির সঙ্গে বিজ্ঞানের বিষয় গুলি কে গুরুত্ব দিয়েছিলেন ।

প্রকৃতিক দেওয়া গাছপালা বৃদ্ধ উন্মুক্ত আকাশের নিচে পাঠদান এর বিজ্ঞান ভিত্তিক মনস্তাত্ত্বিক নীতিগুলি অনুসরণ করে তিনি শিক্ষার ব্যবস্থা করেছেন ক্ষেত্রেও চাপিয়ে দেওয়ার পরিবর্তে ঈশ্বরের সৃষ্ট বিশ্বপ্রকৃতির শৃঙ্খলা বজায় আছে তার উপলব্ধির মধ্য দিয়ে শিক্ষার্থী শৃংখলার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করবে এবং তার আচরণ হবে ভালো-মন্দের নিরিখে শিক্ষক-শিক্ষার্থীর সম্পর্কের ক্ষেত্রে তিনি প্রাচীন ভারতবর্ষের গুরুকুল ব্যবস্থা উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেছেন যেখানে ঈশ্বর ওনার মধ্য দিয়ে দিন শুরু হয় এবং মন্ত্রোচ্চারণের শেষে শিক্ষার্থীরা যায় ।

ii) রবীন্দ্রনাথ ব্যক্তির বিকাশ এর মধ্যেই শিক্ষাকে সীমাবদ্ধ রাখেননি সামাজিক বিকাশে সমাজ চেতনার বিকাশ এর প্রতি তিনি সবিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেছেন শিক্ষার্থীদের পল্লীমঙ্গল এর জন্য নির্দিষ্ট কাজের কথা তিনি উল্লেখ করেছেন এই উদ্দেশ্য বিশ্বভারতীতে শ্রীনিকেতন বিভাগ তিনি চালু করেন ।

iii) ইউনেস্কো আন্তর্জাতিক শিক্ষা আন্দোলনের ভূমিকা গ্রহণ করেছে কবিগুরু সে কথা বহু পূর্বেই বলেছেন এবং বিশ্বভারতীতে তার প্রয়োগ ঘটিয়েছেন তিনি বিভিন্ন ভবন প্রতিষ্ঠা করেছেন বিভিন্ন দেশ থেকে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের দিনে বিশ্বভারতীতে আহ্বান করেছেন প্রত্যাশা ছিল এই শিক্ষার মধ্য দিয়ে তার স্বপ্নের বিশ্ব মানব সৃষ্টি হবে ।

iv) শিক্ষার মাধ্যম হিসেবে মাতৃভাষার ব্যবহারের কথা বলে শিক্ষা মনুষ্যত্বের প্রতি তার গভীর জ্ঞানের পরিচয় দিয়েছেন ।

v) শিক্ষার সঙ্গে যে বৃত্তির নিগূঢ় সম্পর্ক আছে ব্যক্তি মানুষ ও সমাজের প্রত্যাশা যে ব্যক্তিকে স্বনির্ভর করে তুলে সমাজের উন্নয়ন করে কবিগুরু তা সম্ভব হবে উপলব্ধি করে বাংলার কুটির শিল্পের কোন উদ্ধারের জন্য বিশ্বভারতীতে শিল্পসদন প্রতিষ্ঠা করেন ।

এইভাবে ব্যক্তি ও সমাজ বিকাশের বিভিন্ন দিকে শিক্ষার ভূমিকার কথা উল্লেখ করে এবং তার প্রয়োগের ব্যবস্থা করে রবীন্দ্রনাথ শিক্ষা কেমন উন্নত স্তরে নিয়ে গেছেন যে এই একবিংশ শতাব্দীতেও তার প্রাসঙ্গিকতা সম্পর্কে কোন প্রশ্ন ওঠেনা সমস্ত দিক থেকেই রবীন্দ্রনাথ ছিলেন মহান তিনি তার জীবনের শ্রেষ্ঠ শিক্ষার জন্য ব্যয় করেছিলেন রবীন্দ্রনাথ মনে করতেন কোন একটি জাতির পরিচয় পাওয়া যায় তা সংস্কৃতির মধ্য দিয়ে তিনি সমস্ত রকম কুসংস্কার থেকে নিজেকে দূরে সরিয়ে রেখেছিলেন তিনি ভারতীয় জনগণকে শিক্ষাব্যবস্থাকে সর্বোপরি ভারতবর্ষকে বিশ্বের দরবারে পৌঁছে দিয়েছিলেন এবং ভাতৃত্ববোধ ও বিশ্বশান্তির ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ ।

Tuesday, March 29, 2022

March 29, 2022

Mathematics Teaching at Elementary Level Important Question and Answers for DELEd Examination


Q: প্রাথমিক স্তরে গণিত শিক্ষার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য সমূহ ব্যাখ্যা করো ।

Ans: গণিত শিক্ষার লক্ষ্য দু'ধরনের ।
a) সংকীর্ণ লক্ষ্য (Narrow Aim):
শিক্ষার্থীর মধ্যে সমাজ উপযোগী দৈনন্দিন জীবনের উপযোগী এবং অর্থনৈতিক বিকাশের লক্ষ্যে গণিতের কয়েকটি ন্যূনতম শিক্ষাদান এর মধ্যে আছে সংখ্যার ব্যবহার গণিতের কয়েকটি মৌলিক প্রক্রিয়ার জ্ঞানলাভ করা ইত্যাদি ।
b) বৃহত্তর লক্ষ্য (Higher Aim):
 শিক্ষার্থীর আভ্যন্তরীণ সম্ভাবনার বিকাশ অর্থাৎ সৃষ্টিধর্মী চিন্তার বিকাশ ঘটানো । এর জন্য শিখন হবে পরিবর্তনশীল, নমনীয় এবং স্বাধীন পরিবেশে । প্রথাগত শিক্ষা পদ্ধতির মাধ্যমে গণিত শিক্ষার বৃহত্তর লক্ষ্যে উপনীত হওয়া একরকম প্রায় অসম্ভব । সংকীর্ণ থেকে বৃহত্তর লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে যাওয়ার প্রচেষ্টা শিক্ষক এবং শিক্ষার্থী উভয়ের মধ্যেই থাকবে ।

প্রাথমিক স্তরে গণিত শিক্ষার উদ্দেশ্য
প্রাথমিক শিক্ষার শিক্ষাক্রম এর প্রতিবেদনে প্রাথমিক শিক্ষার উদ্দেশ্য ও কার্যকারিতা সম্পর্কে বলা হয়েছে,  "শোষণমুক্ত গণতান্ত্রিক সমাজের উপযুক্ত সামাজিক ও মানসিক মূল্যবোধের বিকাশ সাধন, সামাজিক ও প্রাকৃতিক পরিবেশের সর্ম্পকে অন্ধবিশ্বাস ও কুসংস্কারমুক্ত বিজ্ঞানিক মনোভাবের গঠন এবং তদনুযায়ী জীবনচর্যার অভ্যস্ত হওয়ার উপযুক্ত ভিত্তিস্থাপন ।" সার্বজনীন প্রাথমিক শিক্ষাকে ফলপ্রসূ  করতে এবং সচেতন নাগরিক তৈরি করতে এই উদ্দেশ্যগুলো সাহায্য করবে ।

a) গাণিতিক মূল ধারণার জ্ঞান ও বাস্তব জীবনে প্রয়োগ করার দক্ষতা : দৈনন্দিন জীবনে গণিত ওতোপ্রতোভাবে যুক্ত । নিয়মিত যেসব প্রক্রিয়াগুলি দরকার সেগুলি পর্যায়ক্রমে প্রথম শ্রেণী থেকে পঞ্চম শ্রেণী পর্যন্ত পাঠ্যসূচিতে দেওয়া হয়েছে । সংখ্যার ধারণা, যোগ, বিয়োগ, গুন, ভাগ, স্বাভাবিক সংখ্যা, ভগ্নাংশ, দশমিক, শতকরা, ক্ষেত্রফল, সাধারণ জ্যামিতির ধারণা সম্পর্কে ধারণা লাভ গণিত শিক্ষার প্রধান উদ্দেশ্য ।

b) নির্ভুল ও দ্রুত হিসাব করার দক্ষতা অর্জন : আমাদের জীবন গতিশীল এই গতির সঙ্গে জীবনকে যুক্ত করা হলো শিক্ষার উদ্দেশ্য । প্রতিটি ধারণার প্রয়োগ করতে হবে । শুধু দ্রুততা করলে হবে না তার সঙ্গে নির্ভুল হতে হবে ।

c) যুক্তি, বিচারশক্তি ও সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা : গণিত শিখনে স্মৃতিশক্তি স্থান খুব কম । মুখস্ত করে গণিত শেখা যায় না । প্রতিটি ক্ষেত্রে বিচার শক্তির প্রয়োগ দরকার । গণিত শিক্ষার যুক্তি ও বিচার শক্তির বিকাশ হয় । কারণ মানসিক শক্তির বৈশিষ্ট্যগুলি - সরলতা, মৌলিকতা, নির্ভুলতা, নিশ্চয়তা প্রভৃতি বৈশিষ্ট্যগুলি বিকশিত হয় ।
     সমস্যা সমাধানের জন্য সমস্যা বোঝা ও ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অংশে প্রতিটি তথ্য বিশ্লেষণ করার প্রয়োজন পড়ে । এক্ষেত্রে যুক্তি ও বিচার শক্তির উন্মেষ সাধিত হয় ।

d) গাণিতিক ধারণার যথোপযুক্ত প্রয়োগ এবং অনুশীলনের মাধ্যমে দক্ষতা অর্জন : গণিত শিক্ষার মধ্যে নিম্নলিখিত উদ্দেশ্যগুলি বিদ্যমান । যেমন - উচ্চতর গণিত শিক্ষার ভিত তৈরি হবে, সামান্যীকরণ অভ্যাস করতে হবে, মানসিক শক্তির বিকাশ সাধন এর সাহায্য করবে, প্রতীক মূলক ভাষা ব্যবহারের ক্ষমতা তৈরি হবে ।

e) ব্যবহারিক উদ্দেশ্য : গণিত ব্যবহারিক বিষয় । বিদ্যালয় ও পরিবার জীবনে অনেক সমস্যাই গণিতের । সেগুলি সমাধানে গণিতের বিভিন্ন প্রক্রিয়া সাহায্য করে । জ্ঞান অর্জন অপেক্ষা অর্জিত জ্ঞানকে ব্যবহারিক কাজে লাগানোই গণিত শিক্ষার অন্যতম উদ্দেশ্য । শিক্ষার্থীর সমস্যা সমাধানে জ্ঞানকে কাজে লাগানোই গণিতের ব্যবহারিক মূল্য ।
    সুতরাং বিজ্ঞান ও যন্ত্র যে বিপ্লব সাধন করেছে তাকে ব্যক্তির, জাতির ও দেশের কল্যাণে লাগানোর জন্য গণিত শিক্ষা অপরিহার্য ।

Q: গণিতে সমস্যা সমাধান পদ্ধতির বিভিন্ন ধাপ গুলি বর্ণনা করো ।

Ans: সমস্যা সমাধান পদ্ধতির বিভিন্ন স্তর :
 a)শিক্ষার্থীর সমস্যা গ্রহণ : শিশুদের পরিনমন অনুযায়ী এবং বাস্তব ও জীবন কেন্দ্রিক সমস্যাটি শিক্ষকের প্রেরণায় শিশুরা গ্রহণ করবে ।
b)সমস্যার বিশ্লেষণ : গৃহীত সমস্যাটি কতগুলি অংশে বিশ্লেষণ করে তা সমাধানে অগ্রসর হবে । কি কি দেওয়া আছে ও কি কি চাওয়া হচ্ছে তা বুঝবে ।
 c) তথ্য সংগ্রহ ও তার প্রয়োগ : শিশুর নিজস্ব অভিজ্ঞতা ও অন্যান্য অভিজ্ঞতার কেন্দ্র থেকে সম্ভাব্য সমাধানের পথ গুলি নির্ণয় করবে ।
 d) সিদ্ধান্ত গ্রহণ : সঠিক উপায়গুলি প্রয়োগ করে সঠিক সমাধান তৈরি করবে । 
  e) সিদ্ধান্তের যথার্থতা : গৃহীত সিদ্ধান্তটি আরো একাধিকবার অন্যান্য সমস্যার ক্ষেত্রে প্রয়োগ করে সঠিক সিদ্ধান্ত যাচাই করবে ।

উদাহরণ :
সমস্যা :  3 দ্বারা বিভাজ্য সংখ্যা মানে কি 6 দ্বারা বিভাজ্য ?

সমস্যার বিশ্লেষণ
(i) 3 দ্বারা বিভাজ্য সংখ্যা কোনগুলি ?
(ii) 6 দ্বারা বিভাজ্য সংখ্যা কোনগুলি ?
(iii) 6 দ্বারা বিভাজ্য সংখ্যাগুলি কি 3 দ্বারা বিভাজ্য ?
(iv) 3 দ্বারা বিভাজ্য সংখ্যা গুলি কি 6 দ্বারা বিভাজ্য ?

তথ্য সংগ্রহ
(i) 3 দ্বারা বিভাজ্যতার নিয়ম স্মরণ করবে ? 
(ii) 6 দ্বারা বিভাজ্যতার নিয়ম স্মরণ করবে ?
     তথ্য বিশ্লেষণ ও প্রয়োগে গৃহীত তথ্য বিশ্লেষণের মাধ্যমে প্রথমে 3 দ্বারা বিভাজ্য সংখ্যার সারি তৈরি করবে । যথা- 3,6,9,12,15,18,21,......
    এরপর 6 দ্বারা বিভাজ্যতার নিয়ম প্রয়োগ করবে ও দেখবে 3 দ্বারা বিভাজ্য সংখ্যা সবগুলি 2 দ্বারা বিভাজ্য নয়, তাই সেগুলো 6 দ্বারা বিভাজ্য নয় । কারণ 6 দ্বারা বিভাজ্য সংখ্যা 2 ও 3 দ্বারা বিভাজ্য হয় । এখানে 6, 12, 18 সংখ্যাগুলি 3 ও 6 উভয় দ্বারাই বিভাজ্য কিন্তু 9,15, 21 ইত্যাদি সংখ্যাগুলি 3 দ্বারা বিভাজ্য হলেও 6 দ্বারা বিভাজ্য নয় । 2 ও 3 দ্বারা কোন সংখ্যা বিভাজ্য হলে তবেই সংখ্যাটি 6 দ্বারা বিভাজ্য হয় ।

সিদ্ধান্ত গ্রহণ : 3 দ্বারা বিভাজ্য সমস্ত সংখ্যা 6 দ্বারা বিভাজ্য হবে না ।


March 29, 2022

Childhood and the Development of Children Important Question and Answers for DELEd Examination

Q : What do you mean by Socialization ? Discuss the Role of Parent and Teacher regarding Socialization of Children.

Ans : Socialization: Socialization অর্থাৎ সামাজিকীকরণ এমন একটি প্রক্রিয়া যার ধারা সমধর্মী প্রাণী বা ব্যক্তি একত্রে থেকে নিজেদের মধ্যে ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া করে এবং সকল রকম সমস্যার সমাধান করতে পারে, পরিবার প্রতিবেশী ও সামাজিক দলের মধ্যে ভালো অভিযোজন ঘটাতে পারে। সত্যিকারের একটি সম্পর্ক গড়ে তুলে যার দ্বারা সুখে-দুঃখে, আনন্দে-উৎসবে একসঙ্গে মিলেমিশে বাঁচার আশায় মেতে ওঠে । অপরের দুঃখে দুঃখ অনুভব করে অপরের বিপদে সহযোগিতা করে ।
     J.S. Ross এর ভাষায় "Socialization is the development of we feeling in associates and growth in their capacity and will to act together."

 Role of parents regarding socialization of children :

   শিশুর সামাজিকীকরণ প্রক্রিয়ার উদ্বোধন ঘটে পিতা-মাতার সঙ্গে পারিবারিক পরিবেশে দিনযাপনের মাধ্যমে । পিতা-মাতা শিশুর আশ্রয়স্থল এবং ব্যাপক অর্থে প্রথম শিক্ষাদাতা । পিতা-মাতার সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক, তাদের মানবিক গুণাবলী, আচার-আচরণ, সন্তান প্রতিপালনের যত্ন, শিশুর ব্যক্তিত্ব গঠন ও জীবন বিকাশের ধারা নিরূপণ করে । পিতা-মাতা যদি নিম্নলিখিত  সামাজিক গুন / বৈশিষ্ট্য সমূহ সঠিকভাবে ব্যবহার করেন তাহলে তার শিশুদের মধ্যে সেই বৈশিষ্ট্যগুলি সুমার্জিত ভাবে প্রবাহিত হবে ।

 (i) সমবেদনা : শিশুকে সামাজিকীকরণ করতে তার মধ্যে সমবেদনা জাগিয়ে তোলা প্রয়োজন এর জন্য পিতামাতাকে প্রতিবেশী বা অন্য কারোর দুঃখে সমব্যথী হওয়া প্রয়োজন । অন্যথায় শিশুর মধ্যে সমবেদনার পরিবর্তে তাচ্ছিল্যতা ভাব দেখা যায়।

 (ii) সহযোগীতা : পিতা-মাতা যদি সমাজের অন্য সদস্যদের সহযোগিতা করে থাকে তাহলে তার শিশুর মধ্যে সেই ভুল পরিলক্ষিত হয় ।

 (iii) অনুকরণ : পিতা-মাতার সুন্দর ভাষা, সুন্দর আচরণ, সুন্দর বসবাস ইত্যাদি শিশু অনুকরণ করার চেষ্টা করে । এই অনুকরণ শিশুকে সামাজিকীকরণ করতে সহজ পথ খুলে দেয় ।

 (iv) চিহ্নিতকরণ : শিশুদের ভুল ত্রুটি গুলি সংশোধন করে ভাল গুনগুলি চিহ্নিত করা এবং তাদের সামনে তুলে ধরা বাবা মায়ের কর্তব্য ।

 (v) সামাজিক শিক্ষা : শিশুর সঙ্গে বাবা-মায়েরও সামাজিক শিক্ষার প্রয়োজন ।

 (vi) পুরস্কার ও শাস্তি : সমাজের বিভিন্ন ঘটনা শিশুর সামনে তুলে ধরতে হবে যেখানে কোনো ব্যক্তিকে কোন কাজের জন্য সমাজ পুরস্কার দিয়েছে, আবার কোন কাজের জন্য শাস্তি দিয়েছে । কোন ঘটনা ও সামাজিক এবং সমাজ স্বীকৃত নয় তার শিশুকে বিশ্লেষণ করে বুঝিয়ে দিতে হবে ।

Role of Teacher regarding Socialization of Children

  শিশুর পরিবেশে মানিয়ে চলার ক্ষমতা কে বাড়িয়ে তুলে শিক্ষা । শিক্ষা গ্রহণে সহায়তা করেন শিক্ষক । সুতরাং বলা যায় শিশুর সামাজিকীকরনে শিক্ষক হলেন প্রকৃত সহায়ক । শিশুর সামাজিকীকরণে শিক্ষকের ভূমিকা নিম্নরূপ : 

 (i) শিক্ষক অভিভাবক সম্পর্ক : শিশুর আগ্রহ প্রবণতার মনোভাব সৃষ্টি করতে শিশুর অভিভাবকের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলা প্রয়োজন । শিশুর বিকাশের জন্য উভয় মিলে তার উপযুক্ত ব্যবস্থা করে দিতে হবে ।

 (ii) সংস্কৃতি সঞ্চালন : শিক্ষকের কাজ হবে শিশুদের মধ্যে সভ্যতার সংস্কৃতি রীতিনীতি নিয়ম-শৃঙ্খলা সঞ্চালিত করা । তাদের মধ্যে মূল্যবোধ জাগ্রত করা ।

 (iii) প্রতিযোগিতার অনুভূতি : শিক্ষক বিভিন্ন প্রতিযোগিতার ব্যবস্থা করবেন । যার দ্বারা শিশুর মধ্যে প্রতিযোগিতামূলক মনোভাব গড়ে উঠবে ।

 (iv) সামাজিক আদর্শ : শিক্ষক সামাজিক আদর্শকে শিশুদের কাছে তুলে ধরার চেষ্টা করবেন ।

 (v) বিদ্যালয়ের ঐতিহ্য : শিক্ষক শিশুদের মধ্যে বিদ্যালয়ের ঐতিহ্যগুলি বিশ্বাসযোগ্য এবং গ্রহণযোগ্য করে তুলবেন । শিক্ষকের কাজ শিশুরা অনুসরণ করবে ।

 (vi) দলগত কাজে উৎসাহিত করা : দলগত কাজের ধারা একসঙ্গে মিলেমিশে চলা, সহযোগিতা, সমবেদনা, অনুকরণ করার গুণগুলি জন্মায় । এই শিক্ষক বিভিন্ন দলগত কাজের ব্যবস্থা করবেন ।

 (vii) সুস্বাস্থ্য গঠন : শিক্ষকের কাজ হবে শিশুর সুস্বাস্থ্য গঠন করা । যাতে আজকের শিশু আগামী দিনের একজন সুস্থ নাগরিক হয়ে ওঠে ।
 
Q: Define Emotions. 
As a Teacher How to Develop your Student's Emotions.

Ans : Emotions : প্রক্ষোভ অর্থাৎ ইমোশন মানুষের মনের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক । মানুষের আচরণ অনেকাংশে তার প্রক্ষোভ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয় । প্রক্ষোভ সব সময়ই কোনো না কোনো দৈহিক আচরণের সাথে যুক্ত থাকে । এই আচরণকে বলা হয় প্রক্ষোভমূলক আচরণ ।

   R.S. Woodworth এর মতে "emotion is made up or stirred up state of an organism"

   প্রক্ষোভ বা আবেগ বা ইমোশন শব্দটি এসেছে ল্যাটিন শব্দ Emovere থেকে । Morgan ও King এর মতে আবেগের পাঁচটি উপাদান থাকা দরকার । সেই উপাদানগুলির হচ্ছে 

(i) আবেগের মানসিক বা আত্মনিষ্ঠ অনুভূতি, 
(ii) শারীরিক উত্তেজনা,
(iii) শারীরবৃত্তীয় ভিত্তি,
(iv) মৌখিক, ভাষাগত এবং অঙ্গসঞ্চালনমূলক বহিঃপ্রকাশ, 
(v) সংশ্লিষ্ট প্রেষণামূলক অবস্থা ।

As a Teacher How can I Develop my Student's Emotions :

  শিক্ষার মাধ্যমে একজন ব্যক্তির প্রাক্ষোভিক বিকাশ সুনিয়ন্ত্রিত ও সুমার্জিত রূপ পায় । সেই কারণে শিশুর মধ্যে সামাজিক জীবনের দিক থেকে প্রয়োজনীয় বিভিন্ন ধরনের অনুভূতির সঞ্চয়ে সাহায্য করতে হবে । যেমন- ভালোবাসা, সমবেদনা, সহযোগিতা, সহমর্মিতা ইত্যাদি । বিদ্যালয়ে বিভিন্ন ধরনের সহ-পাঠক্রমিক কাজ যেখানে শিক্ষার্থীরা দলবদ্ধভাবে কাজ করার সুযোগ পাবে তার ব্যবস্থা করতে হবে । অপরদিকে শিক্ষার দ্বারা প্রক্ষোভ এর বাহ্যিক আচরণ গুলিকে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে । যেমন- ভয়, রাগ, ঘৃণা, হিংসা ইত্যাদি প্রক্ষোভ এর অবাধ বহিঃপ্রকাশ সামাজিক জীবনে কাম্য নয় । এইসব প্রক্ষোভ গুলির নিয়ন্ত্রণে শিক্ষার্থীদের সহায়তা করতে হবে ।

(i) রাগ :  রাগের অসংযত বহিঃপ্রকাশ নিয়ন্ত্রণ করতে হবে । শিশুদের সামনে বিভিন্ন আদর্শ তুলে ধরে অনুবর্তন এর সাহায্যে রাগের কারণ দূর করে অর্থাৎ রাগের বস্তুকে যতদূর সম্ভব সরিয়ে দিতে এবং ধৈর্যের অনুশীলনের মাধ্যমে অহেতুক রাগকে কমাতে হবে । শিক্ষককে অহেতুক রাগ প্রকাশে বিরত থাকতে হবে ।

(ii) ভয় : অনুবর্তন এর মাধ্যমে ছাত্রদের অযথা ভয় দূর করা যায় । যেমন শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রতি ভয় । এক্ষেত্রে বারবার পরীক্ষা নিয়ে এবং তার সঙ্গে প্রশংসা বা পুরস্কার দিয়ে এই ভয়কে দূর করা যায় । বিভিন্ন সহজ ও শিশুদের উপযোগী কাজের দায়িত্ব দিয়ে তাদের আত্মবিশ্বাসী করে তুলতে হবে ।

(iii) বিদ্বেষ : ভয়, রাগের মতো বিদ্বেষ বা হিংসার অবাধ বহিঃপ্রকাশ কাম্য নয় । শিশুদের অতিরিক্ত আত্মকেন্দ্রিক মনোভাব ও প্রতিযোগীতামূলক মনোভাব তাদের মধ্যে হিংসা-বিদ্বেষ জাগিয়ে তুলে । শিক্ষার সঠিক নির্দেশনার মাধ্যমে এইরূপ প্রক্ষোভ এর বহিঃপ্রকাশ নিয়ন্ত্রণ করবেন ।

    পরিশেষে বলা যায়, প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে তার বয়স অনুযায়ী পরিপূর্ণ জীবন যাপনে সহায়তা করার দায়িত্ব অভিভাবক ও শিক্ষক শিক্ষিকার । এই ব্যাপারে তাদের কর্তব্য হবে শিক্ষার্থীদের প্রক্ষোভমূলক পরিনমন আনার চেষ্টা করা । বিশেষ বয়সের উপযোগী যে পরিমাণ প্রক্ষোভের বিকাশ হওয়া উচিত তাই আনার চেষ্টা করতে হবে শিক্ষক দ্বারা । বিদ্যালয়ের বিভিন্ন ক্রিয়া-কলাপ এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা খারাপ প্রক্ষোভগুলিকে সংযত করার প্রশিক্ষণ পাবে।

Q: What is Poverty ? 
Discuss the Impact of Poverty on Childhood.

Ans: Poverty : মানুষের স্বাভাবিক ও সচ্ছন্দে বেঁচে থাকার জন্য যে অর্থনৈতিক অবস্থা বা অর্থের প্রয়োজন হয়ে থাকে তার থেকে কম আর্থিক সঙ্গতি সম্পন্ন পরিবারকে দরিদ্র পরিবার বলা হয়ে থাকে । অর্থই পারে মানুষের খাদ্যের যোগান দিতে । খাদ্যের যোগান থাকলে তবেই শিশু তথা পরিবারের সকলের দৈহিক বিকাশ ঘটবে । তাই দারিদ্রতা এমন একটি সামাজিক গুরুত্বপূর্ণ উপাদান যা সমাজের সকল সদস্যদের বিকাশে বিভিন্ন দিক থেকে বিরোধিতা করে ।

Impect of Poverty on Childhood : 

    দারিদ্রতা এমন একটি অভিশাপ যা শিশুদের সার্বিক বিকাশের অন্তরায় । দারিদ্রতার কারণে শিশুর জ্ঞানের ভান্ডার অপূর্ণতায় ভুগতে থাকে । শিশুর যে সব বিকাশে দারিদ্রতা মুখ্য ভূমিকা নিয়ে থাকে তা নিম্নরূপ - 

(i) দৈহিক বিকাশ : শিশুর দৈহিক বিকাশের জন্য খাদ্য এবং পুষ্টি একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান । কিন্তু পরিবারের দারিদ্রতার কারণে শিশুরা অপুষ্টিতে ভোগে, ফলস্বরূপ শিশুদের দৈহিক বিকাশ ব্যাহত হয় ।

(ii) স্বাস্থ্য : দারিদ্রতার কারণে যেহেতু শিশু অপুষ্টিতে ভোগে ফলে, ফলে তারা বিভিন্ন প্রকার রোগে আক্রান্ত হয় । চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় অর্থের অভাবের কারণে শিশুদের স্বাস্থ্য খারাপ থাকে ।

(iii) শিক্ষা : দারিদ্রতার কারণে শিশুর দৈহিক বিকাশ এবং স্বাস্থ্য যেমন খারাপ থাকে ঠিক তেমনি শিশুর শিক্ষার উপর ও দারিদ্রতা প্রভাব বিস্তার করে । দারিদ্রতার কারণে অনেক শিশু পড়াশোনা ছেড়ে দিয়ে অর্থ উপার্জনের চেষ্টা করতে থাকে । ফলস্বরূপ তার শিক্ষা বাধাপ্রাপ্ত হয় ।

(iv) মানসিক বিকাশ : দারিদ্রতা শিশুর মানসিক বিকাশে ব্যাঘাত ঘটানোর একটি বড় উপাদান । দারিদ্রতার কারণে শিশুর স্মৃতি স্মৃতি, মনোযোগ ও শিখন ব্যাহত হয় ।

(v) সামাজিক বিকাশ : দারিদ্রতার কারণে শিশু সমাজের সকল স্তরের অন্য শিশুদের সাথে মেলামেশা করতে পারে না, ফলে তার সামাজিক বিকাশ ব্যাহত হয় । আবার যেকোনো পরিবেশে মানিয়ে চলতে গিয়ে যে রকম আচরণ করতে হয় স্মৃতির, ধারণার সংগঠন ততো তৎপর হতে পারে না ।

(vi) জ্ঞানমূলক বিকাশ : জ্ঞানমূলক বিকাশের অন্যতম প্রধান কারণ দারিদ্রতা । দরিদ্র শ্রেণীর লোকদের মধ্যে দূরবর্তী স্থানে যাওয়ার প্রবণতা কম থাকায় জ্ঞানের ভান্ডার কম থাকে ।

(vii) ভাষার বিকাশ : দরিদ্র শিশুদের বিভিন্ন প্রকার বিকাশ তুলনামূলকভাবে কম হওয়ায় তারা উচ্চারণগত সমস্যায় পড়ে এবং খুব সহজে বেশি বাক্য বলতে পারে না । আবার তাদের স্মৃতিতে শব্দভাণ্ডারও কম থাকায় তারা সকল পরিবেশে থেকে শব্দ, বাক্য, নতুন ভাষা সংগ্রহ করতে পারে না ।

      উপরিউক্ত আলোচনা থেকে এটা স্পষ্ট যে, দারিদ্রতা শিশুদের সার্বিক বিকাশের পরিপন্থী । যদিও আমাদের দেশে দারিদ্রতা শিশুদের বিকাশে যাতে ব্যাঘাত সৃষ্টি করতে না পারে, তাই বিভিন্ন ধরনের আইন প্রণয়ন করে শিশুদের বিকাশের চেষ্টা করা হচ্ছে ।

Q: What do you mean by Data ?
উপাত্ত বলেতে কি বোঝ ?

Ans: Data বলতে এমন কিছু তথ্যকে বুঝায় যা নির্দিষ্ট কোনো চলকের বা এক সেট চলকের গুণগত ও পরিমাণগত ধর্মাবলিকে প্রকাশ করে । বেশিরভাগ সময় কোনো পরিমাপ প্রক্রিয়ার ফলে এসব ডেটা সংগ্রহিত হয় । Data বা উপাত্তকে কানেক্টিভিটি গ্রাফ, লেখচিত্র বা তালিকারুপে উপস্থাপন করা যেতে পারে । ডাটাকে অনেক সময় সবচেয়ে নিচের স্তরের বিমূর্ত ধারণা হিসেবে দেখা হয়, যেখান থেকে তথ্য বা জ্ঞান আহরণ করা হয়ে থাকে ।

Q. Discuss the Role of Observation, Interview, Anecdotal Record and Clinical Method as a tools of gethering Data regarding Children.

Ans : Role of Observation Method as a tools of gethering Data regarding Children : শিশুদের ক্ষেত্রে ডাটা সংগ্রহ এর ব্যাপারে Observation পদ্ধতির ভূমিকা গুলি হল :

(i) Observation পদ্ধতি একজন পর্যবেক্ষককে প্রচলিত ধারণা থেকে সরে এসেছে নতুন উপায়ে শিশুকে দেখার অনুমতি দেয় ।

(ii) Observation একজন পর্যবেক্ষককে শিশুর প্রতিদিনের পড়াশোনার বাইরে শিশুর উপর মনোযোগ দিতে অনুমতি দেয় ।

(iii) Observation একজন শিশু দিনের সাধারণ মুহূর্তে কতটুকু দক্ষতা এবং ক্ষমতা প্রদর্শন করে তা দেখার অনুমতি দেয় ।

(iv) Observation একজন শিশুকে তার স্বাভাবিক পরিবেশে দেখার সুযোগ দেয় ।

Role of Interview Method as a tools of gethering Data regarding Children : 
ইন্টারভিউ বা সাক্ষাৎকার হলো এমন একটি কাঠামোগত কথোপকথন যেখানে একজন অংশগ্রহণকারী প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করে এবং অন্যজন উত্তর দেয় । শিশুদের ক্ষেত্রে ডাটা সংগ্রহের ব্যাপারে ইন্টারভিউ পদ্ধতির ভূমিকা গুলি হল : 

(i) উচ্চহারে উত্তর লাভ : ইন্টারভিউয়ের মাধ্যমে শিশুদের কাছ থেকে উচ্চহারে উত্তর লাভ করা যায় ।

(ii) অক্ষম শিশুদের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ : অক্ষম শিশুদের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে ইন্টারভিউ উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করে ।

(iii) অনিচ্ছুক শিশুদের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ : যেসব শিশু তথ্য প্রদানে অনিচ্ছুক থাকে, তাদের কাছ থেকে ইন্টারভিউয়ের মাধ্যমে কৌশলে তথ্য সংগ্রহ করা যায় ।

(iv) সমস্যার গভীরে প্রবেশ করা যায় : শিশুদের সাথে কথোপকথনের মাধ্যমে সমস্যার গভীরে প্রবেশ এর মাধ্যমে ডাটা সংগ্রহ করা যায় ।
(v) স্বতঃস্ফূর্তভাবে তথ্য সংগ্রহ : ইন্টারভিউয়ের মাধ্যমে শিশুরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে তথ্য প্রদান করে থাকে ।

Role of Anecdotal Record as a tools of gethering Data regarding Children : 
Anecdotal Record হল একটি নির্দিষ্ট আচরণ বা Interaction এর রেকর্ড করা বিস্তারিত বর্ণনামূলক ব্যাখ্যা । এটি শিক্ষকদের Learning Experience প্লেন করার সময় কিংবা পরিবারকে তাদের শিশুদের সম্পর্কে তথ্য জানিয়ে থাকে । শিশুদের ক্ষেত্রে ডাটা সংগ্রহের ব্যাপারে Anecdotal Record এর ভূমিকা গুলি হল : 

(i) এটি বিভিন্ন পরিস্থিতিতে শিক্ষক কিংবা গাইড কর্মীদের শিশুদের সম্পর্কে গতিশীল চিত্র উপস্থাপন করে ।

(ii) শিশুদের জীবনের বিভিন্ন ঘটনার বর্ণনায় ভিত্তিতে শিশুকে জানতে ও বুঝতে এটি সাহায্য করে ।

(iii) এটি শিশুদের ব্যক্তিত্বের ধরন বুঝতে সাহায্য করে ।

(iv) এটি শিশুদের Adjustment Pattern বুঝতে সাহায্য করে ।

(v) একটি তথ্য সংগ্রহের একটি ভাল মাধ্যম, কারণ এটি শিক্ষক কিংবা সহপাঠীদের সাথে শিশুর সম্পর্কের উন্নতি ঘটায় ।

(vi) শিশুদের উত্তেজনা, উদ্বেগ ইত্যাদি থেকে পরিত্রাণের মাধ্যমে শিশুদের সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহে এটি উল্লেখযোগ্য ভূমিকা গ্রহণ করেন ।

Role of Clinical Method as a tools of gethering Data regarding Children : 
শিশুদের সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহের হাতিয়ার হিসেবে ক্লিনিক্যাল মেথডের অনেক গুরুত্ব রয়েছে । যেমন-

(i) শিশুদের স্বাস্থ্য সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহের ব্যাপারে ক্লিনিক্যাল পদ্ধতির সাহায্য নিতে হয় ।

(ii) শিশুদের স্বাস্থ্যের প্রতিবন্ধক পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে চাইনি কারণে তাদের সাহায্য নিতে হয় ।

(iii) শিশুদের বৃদ্ধি ও বিকাশ বয়সের তুলনায় কম হলে তার কারণ অনুসন্ধানের জন্য Clinical Method এর সাহায্য নিতে হয় ।

(iv) শিশুদের মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতির জন্য ক্লিনিক্যাল মেথড এর মাধ্যমে তার পূর্ববর্তী মানসিক অবস্থার তথ্য সংগ্রহ করে কিভাবে তা দূর করা যায় তার ব্যবস্থা করা যায় ।

Thursday, March 24, 2022

March 24, 2022

Important Mathematics Question and Answers for DElEd Examination




Q : পাঠ পরিকল্পনা কি
 ?
Ans : পাঠ পরিকল্পনা বলতে বোঝায় শিক্ষকের সুবিধার জন্য শিক্ষক কর্তৃক বা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক প্রণয়ন করা এমন এক ধরনের পরিকল্পনা যাতে উল্লেখ থাকে শিক্ষার্থীদের কি শিখতে হবে, কি শেখাতে হবে, নির্ধারিত লক্ষ্য অর্জনের উপায় অর্থাৎ শিক্ষার্থীদের কে শিক্ষক কোন পন্থা, পদ্ধতি ও কৌশল ব্যবহার করে শিক্ষাদান করবেন ইত্যাদি ।

Q: গঠনমূলক মূল্যায়ন কি ?
Ans : সাধারণত একটি একক, কোর্স বা নির্দেশনা মূলক প্রোগ্রাম চলাকালীন শিক্ষার্থীদের পারদর্শীতাকে সামঞ্জস্যপূর্ণভাবে অ্যাসেসমেন্ট করা বোঝায় অর্থাৎ শ্রেণিকক্ষে বিষয়বস্তু আলোচনার সময় যে ধরনের মূল্যায়ন করা হয় সেটাই গঠনমূলক মূল্যায়ন।
    গঠনমূলক মূল্যায়ন এর সাহায্যে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ধারণা গঠন হয়েছে কিনা এবং শিক্ষার্থীদের অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে পারেন ।

Q: গণিত শিক্ষনে প্রতিপাদন পদ্ধতি কি ?
Ans : যে পদ্ধতিতে শিক্ষক-শিক্ষিকা শ্রেণিকক্ষে পাঠদান কার্যে স্থিরীকৃত  বিষয়বস্তুকে যথার্থ শিক্ষণ প্রদীপন এর সাহায্যে শিক্ষার্থীদের পূর্ব জ্ঞান এর উপর ভিত্তি করে প্রয়োজন উপযোগী পরীক্ষা, উদাহরণ ও বাস্তব অবস্থার আলোচনা অনুসারে উপস্থাপন করেন তাকে বলা হয় প্রতিপাদন পদ্ধতি ।

Q: প্রাথমিক স্তরে গণিত শিখনের উদ্দেশ্য গুলি লেখ
Ans : 1. গণিতে শিশুর জ্ঞান ভান্ডার সমৃদ্ধ করা, যাতে শিশুর চিন্তাশক্তিও যৌক্তিক ক্ষমতা বিকাশ ঘটে ।
2. গণিতের শিশুকে কৌতুহলী অনুসন্ধিৎসু করে তোলা, যাতে তার গবেষণামূলক মনন তৈরি হয় । ভবিষ্যতে গাণিতিক সত্য অনুসন্ধানের উৎসাহী হতে পারে।
3. দৈনন্দিন জীবনে ও পেশাগত প্রয়োজনে গণিতের ব্যবহারিক দিকে শিশুকে সক্ষম করে তোলা, যাতে সে গণিত এর মাধ্যমে বাস্তব সমস্যার সমাধান করতে পারে ।

Q: স্তম্ভ চিত্র কি ?
Ans : স্তম্ভ চিত্র হলো এমন একটি চিত্র যে কোন শ্রেনীভুক্ত উপাত্তকে (Data) প্রকাশ করে । এতে উচ্চতা বা দৈর্ঘ্য এর মান আনুপাতিক হারে আয়তক্ষেত্রাকার স্তম্ভে থাকে ।

Q: মধ্যক কি ?
Ans : মধ্যক হল এমন একটি সাংখ্যমান যা মানের উর্ধ্বক্রম বা নিম্নক্রম অনুসারে সাজানো বন্টনের স্কোরগুলি দুই ভাগে ভাগ করে ।

Q: গণিতের চারটি প্রকৃতি লিখ
Ans : 1. গণিত হলো একটি বিজ্ঞান যেখানে স্থান, সংখ্যা, মাত্রা ও পরিমাপ নিয়ে আলোচনা করা হয়।
2. ব্যক্তির ইচ্ছা, আবেগ, আকাঙ্ক্ষা ইত্যাদি দ্বারা প্রভাবিত হয় না।
3. গণিতের ভিত্তি হলো নির্ভুলতা, নিশ্চয়তা ও প্রয়োগধর্মী ।
4. গণিত হলো সুসংবদ্ধ, যুক্তিভিত্তিক এবং এর ভাষা দ্ব্যর্থহীন ।

Q: নির্মিতিবাদ এর সংজ্ঞা লিখ
Ans: নির্মিতিবাদ হলো নিষ্ক্রিয়ভাবে তথ্য গ্রহনের পরিবর্তে সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে শিক্ষার্থী নিজেই বিষয়গত তাৎপর্য ও জ্ঞান নির্মাণে অগ্রসর করার কৌশল । এতে শিক্ষার্থীদের পূর্বজ্ঞান এর ভিত্তিতে শিখন শুরু হয় । এই প্রক্রিয়ায় শিক্ষকের কাজ হল শিক্ষার্থীদের সৃজনাত্মক চিন্তাধারার বিকাশের সুযোগ করে দিয়ে শিক্ষার্থীকে আরো উদ্যমী ও স্বনির্ভর করে তোলা।

Q: বিষমতার পরিমাপ গুলি কি কি ?
Ans : রাশিবিজ্ঞানে বিষমতার পরিমাপ 5 ধরনের । 
1. প্রসার (Range)
2. গড় বিচ্যুতি (Mean Deviation)
3. আদর্শ বিচ্যুতি (Standard Deviation)
4. চতুর্থাংশ বিচ্যুতি (Quertile Deviation)
5. ভেদাংক (Variance)

Q: পরিসংখ্যান এর দুটি বৈশিষ্ট্য লিখ
Ans : 1. পরিসংখ্যান এর প্রধান বৈশিষ্ট্য হচ্ছে একের অধিক বিপুল পরিমাণে সংখ্যা সংগ্রহ করা, বিশ্লেষণ করা, প্রয়োগ করা এবং সর্বশেষ ফলাফল প্রণয়ন করা ।
2. পরিসংখ্যানের প্রতিটি উপাত্তকে(Data) সংখ্যা দ্বারা প্রকাশ করা হয় ।

Q: চলক কি ? চলক এর প্রকারভেদ লিখ
Ans: গণিতের চলক বা চলরাশি বলতে এমন একটি রাশিকে বোঝায়, যার মান কোন গাণিতিক সংখ্যা বা পরীক্ষণ এর প্রেক্ষাপটে অজ্ঞান ও অপরিবর্তনশীল এবং এটি কোনো প্রদত্ত সেটের বিভিন্ন মান গ্রহণ করতে পারে ।

চলক দুই প্রকার ।
1. গুণবাচক চলক (Quality Variable)
2. সংখ্যাবাচক চলক (Numeric Variable)

March 24, 2022

Critical Analysis of text book for DElEd

Critical analysis of text book 

Part A
1. Name name of the Trainee : MITHUN DEBNATH

2. Roll Number : 15

3. Name of the Guide : Arun Chandra Das

4. Name of the Book : GANIT (গণিত)

5. Standard : VIII (Eight)

Part B

1. i) Cover Page : Cover page is made of hard cover that makes the book little harder.

    ii) Attractiveness ( Colour & Picture) : Cover page is attractive as subject and topic related diagrams are available on the cover page which attracts students to read and learn the content within this book.

    iii) Thickness of the Book : Thickness of the book is around 2.3 CM including cover page. This book have 360 Nos. printed pages.

2. Page Quality : Sizes of the page is 21.5 cm X 27.2 cm. Page quality is good compared to normal 70 GSM A4 paper.

3. Size of Letter : Size of letter is appropriate for the learner of Class VIII level. Letters are not to small it is average in size and easily visible.

4. No. Of Chapters : Mathematics book of class VIII have total 16 chapters.

5. Accuracy, attractiveness and attractiveness of the Pictures, Tables, Diagram, Chart etc. :  Topics related Pictures makes this book attractive to the learners. This book consists of colourful table charts diagrams and colourful Topic Head, which identifies separately within the page that makes this book and attractive look.

6. Arrangement of Chapters : In the table of index, 16 nos. chapters are arranging in the way that makes easily understable to our learners. First number system then operation of numbers followed by divisibility of numbers etc. Chapters are arranged from easy to hard, abstract to concrete etc.

7. Any discrimination on gender, caste, religion and communal feeling etc. : No gender discrimination is found in this book. No communal feeling hurt by the content of this book. Not a single issue related to any caste and religion is found in this book.

8. Reflection of the sense of unity equality, equity and harmony : This book reflects the idea of unity, equality, equity and harmony by its content like "Mapping of Space Around us", "Price and discount and VAT", "Change and Probability related to real life", "Organisation of data" etc.

9. Additional chapter required / not required (if yes, specify) : Yes, I think Circle chapter is required to include in this book.

10. Suggestion (if any) : As per my opinion some chapters should we re-suffled. Chapter-16 Play with numbers should be include immediate after square root and cube root chapters, which are related to number system, that is chapter-16 should be in chapter-8.

Signature of Trainee Teacher


Signature of Supervisor


Watch this Critical Analysis of Text Book :
Watch on YouTube  : Click Here

Watch on Facebook : Click Here

Download PDF : Click Here