SMDN Tutorial

All in One Destination for Smart Education. One Platform Endless Learning. Empowering your Learning Journey.

Breaking

Thursday, April 23, 2026

April 23, 2026

SPECIAL NOTES FOR COMPUTER INSTRUCTOR INTERVIEW & WRITTEN EXAM

 SPECIAL NOTES FOR COMPUTER INSTRUCTOR INTERVIEW & WRITTEN EXAM


NOTES PREPARED BY MITHUN SIR @
SMDN Tutorial, MOB: 9615141075 (03.04.2026)


The commonly accepted full form of COMPUTER is Common Operating Machine Particularly Used for Technological and Educational Research. 


কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার

একটি সম্পূর্ণ কম্পিউটার সিস্টেম দুটি প্রধান অংশ নিয়ে গঠিত: হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার

এই দুটি একে অপরের উপর নির্ভরশীল এবং একসাথে কাজ করলেই কম্পিউটার কার্যকর হয়

🔹 হার্ডওয়্যার (Hardware)

কম্পিউটারের যে অংশগুলো দেখা ও স্পর্শ করা যায় সেগুলো হার্ডওয়্যার

উদাহরণ: কিবোর্ড, মাউস, মনিটর, CPU, হার্ডডিস্ক

▶️ হার্ডওয়্যারের প্রধান উপাদান

1. ইনপুট ডিভাইস: ডেটা প্রবেশ করায়

উদাহরণ: কিবোর্ড, মাউস



2. আউটপুট ডিভাইস: ফলাফল প্রদর্শন করে

উদাহরণ: মনিটর, প্রিন্টার

3. স্টোরেজ ডিভাইস: ডেটা সংরক্ষণ করে

উদাহরণ: হার্ডডিস্ক, পেনড্রাইভ

4. পেরিফেরাল ডিভাইস: বাহ্যিক সংযোগযুক্ত ডিভাইস

উদাহরণ: হেডফোন, স্পিকার

5. ইন্টারনাল কম্পোনেন্ট: মাদারবোর্ডের ভিতরে থাকে

উদাহরণ: RAM, CPU


🔹 সফটওয়্যার (Software)

কম্পিউটারকে কাজ করার জন্য নির্দেশ দেয় এমন প্রোগ্রাম , এটি দৃশ্যমান নয়, স্পর্শ করা যায় না

▶️ সফটওয়্যারের প্রকারভেদ

1. সিস্টেম সফটওয়্যার: হার্ডওয়্যার নিয়ন্ত্রণ করে

উদাহরণ:অপারেটিং সিস্টেম (Windows, Linux), BIOS, ডিভাইস ড্রাইভার, কম্পাইলার, অ্যাসেম্বলার

2. অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার: ব্যবহারকারীর নির্দিষ্ট কাজের জন্য ব্যবহৃত

উদাহরণ: MS Word (ডকুমেন্ট তৈরি), MS Excel (ডেটা হিসাব), VLC Player (মিডিয়া চালানো)


🔹 হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের সম্পর্ক

হার্ডওয়্যার ছাড়া সফটওয়্যার কাজ করতে পারে না

সফটওয়্যার ছাড়া হার্ডওয়্যার কাজ করতে পারে না

সফটওয়্যার ব্যবহারকারী ও হার্ডওয়্যারের মধ্যে ইন্টারফেস হিসেবে কাজ করে

নির্দিষ্ট কাজের জন্য একাধিক সফটওয়্যার প্রয়োজন হতে পারে


🔹 হার্ডওয়্যার বনাম সফটওয়্যার (মূল পার্থক্য)

বিষয়

হার্ডওয়্যার

সফটওয়্যার

প্রকৃতি

দৃশ্যমান ও স্পর্শযোগ্য

অদৃশ্য

কাজ

ডেটা প্রসেস করে

নির্দেশ দেয়

নির্ভরতা

সফটওয়্যারের উপর নির্ভরশীল

হার্ডওয়্যারের উপর নির্ভরশীল

ক্ষতি

বদলাতে হয়

পুনরায় ইনস্টল করা যায়

ভাইরাস

আক্রান্ত হয় না

আক্রান্ত হতে পারে


🔹 ফার্মওয়্যার (Firmware): হার্ডওয়্যার নিয়ন্ত্রণকারী বিশেষ ধরনের প্রোগ্রাম, সাধারণত স্থায়ী এবং পরিবর্তন করা কঠিন, BIOS এর মতো কাজ করে


🔹 গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

হার্ডওয়্যার একবার কিনলে দীর্ঘদিন ব্যবহার করা যায়

সফটওয়্যার নিয়মিত আপডেট করতে হয়

অপারেটিং সিস্টেম ছাড়া কম্পিউটার কার্যত অকার্যকর


🔹প্রোগ্রামিং ভাষা কী?

প্রোগ্রামিং ভাষা হলো এমন একটি ভাষা যার মাধ্যমে কম্পিউটারকে নির্দেশ (instruction) দেওয়া হয়

এটি ব্যবহার করে সফটওয়্যার, অ্যাপ, ওয়েবসাইট ইত্যাদি তৈরি করা হয়


জনপ্রিয় প্রোগ্রামিং ভাষার উদাহরণ

Python → সহজ, জনপ্রিয় ও বহুমুখী (AI, Data Science)

Java → অ্যাপ ও এন্টারপ্রাইজ সফটওয়্যার

C → বেসিক ও ফাউন্ডেশন লেভেল ভাষা

C++ → অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড ও শক্তিশালী ভাষা । সিস্টেম সফটওয়্যার ও গেম ডেভেলপমেন্ট।

C# → অ্যাপ্লিকেশন ও গেম ডেভেলপমেন্টে ব্যবহৃত

JavaScript → ওয়েব ডেভেলপমেন্টের জন্য গুরুত্বপূর্ণ


🔹 প্রোগ্রামিং ভাষার প্রকারভেদ

Low-level language: মেশিনের কাছাকাছি (Machine language, Assembly)

High-level language: মানুষের জন্য সহজ (Python, Java, C++)


🔹 অপারেটিং সিস্টেম (Operating System - OS)

অপারেটিং সিস্টেম হলো সিস্টেম সফটওয়্যার, যা কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার নিয়ন্ত্রণ করে, এটি প্রোগ্রাম চালানো, মেমরি ব্যবস্থাপনা এবং ডিভাইস নিয়ন্ত্রণের কাজ করে, ব্যবহারকারী ও কম্পিউটারের মধ্যে ইন্টারফেস হিসেবে কাজ করে

🔹 অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ

Windows → সবচেয়ে জনপ্রিয় ডেস্কটপ OS

Linux → ওপেন সোর্স OS

iOS → Apple মোবাইল ডিভাইসের জন্য

Mac OS → Apple কম্পিউটারের জন্য

Chrome OS → ক্লাউড-ভিত্তিক OS

🔹 OS-এর প্রধান কাজ

হার্ডওয়্যার নিয়ন্ত্রণ

প্রোগ্রাম এক্সিকিউশন

মেমরি ম্যানেজমেন্ট

ফাইল সিস্টেম পরিচালনা

সিকিউরিটি নিশ্চিত করা


🔹 ইন্টারনেট ও World Wide Web (WWW)

ইন্টারনেট হলো বিশ্বব্যাপী সংযুক্ত কম্পিউটার নেটওয়ার্ক, এর মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদান করা হয়

🔹 WWW (World Wide Web) কী?

WWW হলো ইন্টারনেটের উপর চলা একটি সার্ভিস, যেখানে ওয়েবপেজ ও ওয়েবসাইট থাকে

🔹 ইন্টারনেটের গুরুত্বপূর্ণ উপাদান

  • Web Browser → ওয়েবসাইট দেখার সফটওয়্যার (যেমন: Chrome)

  • Web Server → যেখানে ওয়েবসাইটের ডেটা সংরক্ষিত থাকে

  • Web Protocols → ডেটা আদান-প্রদানের নিয়ম (HTTP/HTTPS)

  • Web Security → নিরাপত্তা ব্যবস্থা

  • Database → তথ্য সংরক্ষণের ব্যবস্থা

  • WiFi → তারবিহীন ইন্টারনেট সংযোগ

🔹 অফিস টুলস (Office Tools): অফিসের দৈনন্দিন কাজ সহজ করার জন্য ব্যবহৃত সফটওয়্যার

🔹 প্রধান অফিস টুলস

▶️ Word Processing: ডকুমেন্ট তৈরি ও সম্পাদনা

উদাহরণ: MS Word, Google Docs

▶️ Spreadsheet: ডেটা সংরক্ষণ ও হিসাব

উদাহরণ: MS Excel, Google Sheets

▶️ Presentation: স্লাইড তৈরি

উদাহরণ: MS PowerPoint, Google Slides

▶️ Email Clients: ইমেইল পাঠানো ও গ্রহণ

উদাহরণ: Outlook, Gmail

▶️ Collaboration Tools: ফাইল শেয়ার ও টিমওয়ার্ক

উদাহরণ: Google Drive, OneDrive, Dropbox


🔹 ইমেইল (Email) – সংজ্ঞা ও বৈশিষ্ট্য

ইমেইল (Electronic Mail) হলো নেটওয়ার্কের মাধ্যমে এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে বার্তা পাঠানোর পদ্ধতি

এটি ইন্টারনেটের সবচেয়ে পুরনো ও মৌলিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর একটি

সাধারণত টেক্সট মেসেজ পাঠানো হয়, তবে ফাইলও সংযুক্ত করা যায়


🔹 ইমেইলের বৈশিষ্ট্য (Features)

⚡ দ্রুত যোগাযোগ → প্রচলিত ডাকের তুলনায় অনেক দ্রুত

🔒 নিরাপদ → সঠিকভাবে ব্যবহারে নিরাপদ যোগাযোগ সম্ভব

✍️ সহজ সম্পাদনা → বার্তা সহজে লেখা, পরিবর্তন ও পাঠানো যায়

🌍 খরচ কম → ইন্টারনেট থাকলে বিশ্বে যেকোনো স্থানে প্রায় বিনামূল্যে পাঠানো যায়

⏱️ একই সময়ে উপস্থিতির প্রয়োজন নেই → প্রেরক ও প্রাপক একসাথে অনলাইনে না থাকলেও চলবে


🔹 ইমেইল অ্যাড্রেস (Email Address)

একটি ইউনিক ঠিকানা, যার মাধ্যমে ইমেইল পাঠানো ও গ্রহণ করা হয়


🔹 গঠন (Structure)

👉 username@domainname

📌 উদাহরণ: abc@yahoo.co.in,  xyz@gmail.com


🔹 ইমেইল অ্যাড্রেসের অংশগুলো

1. Username (ইউজারনেম): ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত নাম/আইডি

উদাহরণ: abc, xyz

2. @ (অ্যাট সিম্বল): ইউজারনেম ও ডোমেইনকে আলাদা করে

3. Domain Name (ডোমেইন নাম): যেখানে ইমেইল হোস্ট করা হয়

উদাহরণ: yahoo.co.in, gmail.com


🔹 ডোমেইন নামের গঠন

yahoo → মেইল সার্ভারের নাম .co → সংস্থার ধরন (company/commercial) .in → দেশের কোড (India)

👉 সাধারণ উদাহরণ:

.com → বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান .gov → সরকারি সংস্থা .edu → শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান


ইমেইল সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ টার্ম

  • Attachments (অ্যাটাচমেন্ট): ইমেইলের সাথে পাঠানো ফাইল (ডকুমেন্ট, ছবি, ভিডিও ইত্যাদি)

  • Blacklist (ব্ল্যাকলিস্ট): যেসব ইমেইল ঠিকানা ব্লক করা থাকে, সেখান থেকে মেইল গ্রহণ করা হয় না

  • BCC (Blind Carbon Copy): যাদের কাছে কপি পাঠানো হয় কিন্তু তাদের ইমেইল অন্যরা দেখতে পায় না

  • Bounce (বাউন্স): যেসব ইমেইল গন্তব্যে পৌঁছাতে না পেরে ফিরে আসে

  • CC (Carbon Copy): মূল প্রাপকের বাইরে অন্যদের কাছে কপি পাঠানো

🔹 নেটওয়ার্ক ও ইমেইল সিস্টেম

  • DNS (Domain Name Server): ডোমেইন নামকে IP Address-এ রূপান্তর করে

  • SMTP (Simple Mail Transfer Protocol): ইমেইল পাঠানোর জন্য ব্যবহৃত প্রোটোকল

  • POP3 (Post Office Protocol): সার্ভার থেকে ইমেইল ডাউনলোড করার জন্য ব্যবহৃত

  • Proxy (প্রক্সি): ব্যবহারকারীর পরিচয় গোপন রেখে সংযোগ পরিচালনা করে

🔹 ইমেইল ব্যবস্থাপনা ফিচার

  • Email Headers: প্রেরক, প্রাপক ও রাউটিং তথ্য থাকে

  • Filters: নির্দিষ্ট নিয়ম অনুযায়ী ইমেইল আলাদা ফোল্ডারে রাখে

  • Forward (ফরোয়ার্ড); একটি ইমেইল অন্য ঠিকানায় পাঠানো

  • Download Message: ইমেইল লোকাল কম্পিউটারে সংরক্ষণ

  • Search Facility: কীওয়ার্ড দিয়ে ইমেইল খোঁজার সুবিধা

  • Reminders: নির্দিষ্ট সময়ে নোটিফিকেশন দেওয়ার ব্যবস্থা

  • Signature: ইমেইলের শেষে স্বয়ংক্রিয় তথ্য (নাম, ফোন, ইত্যাদি)

  • Spell Check: বানান ভুল সংশোধনের সুবিধা

🔹 ইমেইল ফরম্যাট ও প্রযুক্তি

  • MIME (Multi-Purpose Internet Mail Extensions): ইমেইলে মাল্টিমিডিয়া ফাইল পাঠানোর সুবিধা দেয়

  • Plain Text: কোনো ফরম্যাটিং ছাড়া সাধারণ লেখা

🔹 ইমেইল নিরাপত্তা ও ঝুঁকি

  • Spam: অবাঞ্ছিত বা প্রচুর সংখ্যায় পাঠানো ইমেইল

  • Spoofing: ভুয়া ইমেইল ঠিকানা ব্যবহার করে প্রতারণা

  • Email Harvesting: ওয়েবসাইট থেকে ইমেইল সংগ্রহ করার প্রোগ্রাম

  • Soft Bounce: সাময়িক সমস্যার কারণে ইমেইল ডেলিভারি ব্যর্থ হওয়া

🔹 অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ টার্ম

  • Web Mail: ব্রাউজার-ভিত্তিক ইমেইল সার্ভিস (যেমন: Gmail)

  • Whitelist (হোয়াইটলিস্ট): অনুমোদিত ইমেইল ঠিকানার তালিকা

  • Snail Mail: কাগজের চিঠি (ডাকযোগে পাঠানো)


🔹 জনপ্রিয় ইমেইল সার্ভিসের ফাইল সাইজ লিমিট

🔹 Google Gmail

📦 সর্বোচ্চ অ্যাটাচমেন্ট: 25 MB

বড় ফাইল পাঠাতে: Google Drive ব্যবহার করে লিংকের মাধ্যমে শেয়ার করা যায়

🔹 Microsoft Outlook (Hotmail)

📦 সর্বোচ্চ অ্যাটাচমেন্ট: 25 MB

বড় ফাইল পাঠাতে: OneDrive ব্যবহার করে লিংক শেয়ার করা যায়

🔹 Yahoo Yahoo Mail

📦 সর্বোচ্চ অ্যাটাচমেন্ট: 25 MB

বড় ফাইল পাঠাতে: Dropbox ব্যবহার করে ক্লাউড লিংক শেয়ার করা যায়


🔹 Windows কম্পিউটার শর্টকাট কী

🔹 কেন শর্টকাট কী গুরুত্বপূর্ণ?

⏱️ কাজ দ্রুত করা যায়

🧠 উৎপাদনশীলতা (productivity) বাড়ায়

🖱️ মাউসের উপর নির্ভরতা কমায়


🔹 সাধারণ (General System) শর্টকাট

Ctrl + A → সব নির্বাচন (Select All)

Ctrl + C → কপি (Copy)

Ctrl + X → কাট (Cut)

Ctrl + V → পেস্ট (Paste)

Ctrl + Z → আনডু (Undo)

Ctrl + Y → রিডু (Redo)

Ctrl + S → সেভ (Save)

Ctrl + P → প্রিন্ট (Print)


🔹 নেভিগেশন ও সিস্টেম শর্টকাট

Alt + Tab → এক অ্যাপ থেকে অন্য অ্যাপে যাওয়া

Alt + F4 → অ্যাপ বন্ধ করা

Windows Key + L → কম্পিউটার লক

Windows Key + D → ডেস্কটপ দেখানো/লুকানো

Ctrl + Shift + Esc → Task Manager খোলা

Delete → Recycle Bin-এ পাঠানো

Shift + Delete → স্থায়ীভাবে ডিলিট


🔹 ডকুমেন্ট / টেক্সট এডিটিং শর্টকাট

Ctrl + B → Bold

Ctrl + I → Italic

Ctrl + U → Underline

Ctrl + F → খোঁজা (Find)

Ctrl + Home → ডকুমেন্টের শুরুতে যাওয়া

Ctrl + End → ডকুমেন্টের শেষে যাওয়া


🔹 ব্রাউজার শর্টকাট

Ctrl + T → নতুন ট্যাব খোলা

Ctrl + W → বর্তমান ট্যাব বন্ধ

Ctrl + Shift + T → বন্ধ হওয়া ট্যাব আবার খোলা

Ctrl + L / Alt + D → URL বার সিলেক্ট

Ctrl + R / F5 → পেজ রিফ্রেশ


🔹 ফাংশন কী (Function Keys)

F1 → Help

F2 → Rename

F3 → Search

F5 → Refresh






🔹 CPU ও মেমোরি 

🔹 CPU (Central Processing Unit): CPU হলো কম্পিউটারের মস্তিষ্ক (brain), এটি সকল গাণিতিক (arithmetic) ও যৌক্তিক (logical) কাজ সম্পন্ন করে


🔹 CPU-এর প্রধান অংশ

▶️ 1. Arithmetic Logic Unit (ALU): সব ধরনের গণনা ও তুলনা এখানে হয়

কাজ: যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ, তুলনা: বড়, ছোট, সমান

▶️ 2. Control Unit (CU): কম্পিউটারের সমস্ত কাজ নিয়ন্ত্রণ করে,

  ইনপুট → প্রসেস → আউটপুট এই ধাপগুলো পরিচালনা করে, প্রতিটি কাজ ধাপে ধাপে সম্পন্ন হয়

▶️ 3. Memory Unit (MU): ডেটা ও প্রোগ্রাম সংরক্ষণ করে

দুই ধরনের:

Primary Memory

Secondary Memory



🔹 Primary Memory (প্রাথমিক মেমোরি)

▶️ RAM (Random Access Memory)

ডেটা অস্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করে

কম্পিউটার বন্ধ হলে ডেটা মুছে যায়

একে Volatile Memory বলা হয়

▶️ ROM (Read Only Memory)

স্থায়ী মেমোরি

কম্পিউটার বন্ধ হলেও ডেটা থাকে

এতে Bootstrap Loader থাকে, যা কম্পিউটার চালু করতে সাহায্য করে


🔹 Secondary Memory (দ্বিতীয় মেমোরি)

দীর্ঘমেয়াদী ডেটা সংরক্ষণ করে

RAM-এর বাইরে স্থায়ী স্টোরেজ

▶️ উদাহরণ

Hard Disk → স্থায়ী স্টোরেজ, বারবার লেখা যায়

CD (Compact Disk) → 650–700 MB ডেটা

DVD (Digital Video Disk) → CD-এর চেয়ে বেশি স্টোরেজ

Pen Drive, Zip Drive → বহনযোগ্য স্টোরেজ

🔹 গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য (Primary vs Secondary)

বিষয়

Primary Memory

Secondary Memory

গতি

দ্রুত

তুলনামূলক ধীর

স্থায়িত্ব

অস্থায়ী (RAM)

স্থায়ী

অবস্থান

মাদারবোর্ডে

বাহ্যিক/আলাদা

ব্যবহার

চলমান প্রোগ্রাম

দীর্ঘমেয়াদী সংরক্ষণ


🔹 কম্পিউটারের শ্রেণিবিভাগ (Classification of Computers) 

কম্পিউটারকে সাধারণত গতি (speed) ও ডেটা প্রক্রিয়াকরণ ক্ষমতা (processing capacity) অনুযায়ী ভাগ করা হয়।


🔹 কম্পিউটারের প্রধান প্রকারভেদ

▶️ 1. Super Computer (সুপার কম্পিউটার)

সবচেয়ে শক্তিশালী ও ব্যয়বহুল কম্পিউটার

অত্যন্ত দ্রুতগতিতে কাজ করতে পারে (অন্যান্য কম্পিউটারের চেয়ে অনেক দ্রুত)

বিশাল স্টোরেজ ক্ষমতা

📌 ব্যবহার: আবহাওয়া পূর্বাভাস, মহাকাশ গবেষণা, বৈজ্ঞানিক গণনা

📌 উদাহরণ: NEC, CRAY, CYBER 205, CDC STAR 100

▶️ 2. Mainframe Computer (মেইনফ্রেম কম্পিউটার)

বড় ও শক্তিশালী কম্পিউটার

একাধিক ইউনিট নিয়ে গঠিত

একসাথে অনেক ব্যবহারকারী কাজ করতে পারে

📌 ব্যবহার: ব্যাংক, বড় কোম্পানি, সরকারি সংস্থা

▶️ 3. Mini Computer (মিনি কম্পিউটার)

আকারে ছোট কিন্তু ক্ষমতায় মাঝারি

মেইনফ্রেমের মতো হলেও কম শক্তিশালী

কয়েকটি ইউনিট নিয়ে গঠিত

📌 ব্যবহার: ছোট ও মাঝারি প্রতিষ্ঠান

▶️ 4. Micro Computer (মাইক্রো কম্পিউটার)

সবচেয়ে ছোট ও সাধারণ ব্যবহারের কম্পিউটার

দৈনন্দিন কাজে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত

📌 উদাহরণ: Desktop, Laptop, Palmtop

📌 ব্যবহার: শিক্ষা, ব্যবসা, বিনোদন

প্রকার

ক্ষমতা

ব্যবহার

Super Computer

সর্বোচ্চ

গবেষণা

Mainframe

খুব বেশি

বড় প্রতিষ্ঠান

Mini

মাঝারি

ছোট প্রতিষ্ঠান

Micro

কম

ব্যক্তিগত ব্যবহার


🔹 ক্যাশ মেমোরি (Cache Memory)

ক্যাশ মেমোরি হলো অতি দ্রুতগতির ছোট মেমোরি, যা CPU-এর কাছাকাছি থাকে, এটি সেই ডেটা সংরক্ষণ করে, যেগুলো  

CPU বারবার ব্যবহার করে

🔹 কাজের প্রক্রিয়া (Working)

CPU যখন কোনো ডেটা চায়, প্রথমে ক্যাশ মেমোরিতে খোঁজে

যদি সেখানে ডেটা পাওয়া যায় → দ্রুত অ্যাক্সেস হয়

যদি না পাওয়া যায় → CPU তখন মেইন মেমোরি (RAM) থেকে ডেটা আনে

নতুন ব্যবহৃত ডেটা ক্যাশে সংরক্ষণ করা হয়

পুরনো ডেটা মুছে নতুন ডেটার জন্য জায়গা তৈরি করা হয়

🔹 বৈশিষ্ট্য

⚡ খুব দ্রুত (RAM-এর থেকেও দ্রুত)

📦 আকারে ছোট

💰 দাম বেশি

🔁 বারবার ব্যবহৃত ডেটা সংরক্ষণ করে

🔹 গুরুত্ব

CPU-এর কাজের গতি বাড়ায়

মেমোরি অ্যাক্সেস টাইম কমায়

কম্পিউটারের সামগ্রিক পারফরম্যান্স উন্নত করে

ক্যাশ মেমোরি CPU-এর কাজকে দ্রুত ও দক্ষ করে তোলে। এটি ছোট হলেও কম্পিউটারের পারফরম্যান্স বৃদ্ধিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

🔹 টেক্সট সিলেকশন (Selection of Text) – ফ্যাক্টভিত্তিক নোট


🔹 টেক্সট সিলেকশন কীভাবে করবেন?

  • কার্সরকে লাইনের শুরুর দিকে নিয়ে যান

  • মাউসের লেফট বাটন ক্লিক করে ধরে রাখুন

  • তারপর শেষ পর্যন্ত ড্র্যাগ করুন

  • সিলেক্ট করা অংশ কালো ব্যাকগ্রাউন্ড ও সাদা অক্ষরে (highlighted) দেখা যাবে


🔹 সিলেক্ট করার পর কী করা যায়?

সিলেক্ট করা টেক্সটের উপর বিভিন্ন পরিবর্তন (formatting) করা যায়, যেমন—

  • Bold (Ctrl + B) → লেখা গাঢ় করা

  • Italic (Ctrl + I) → লেখা বাঁকা করা

  • Underline (Ctrl + U) → লেখার নিচে দাগ দেওয়া

  • Font Size/Style পরিবর্তন → লেখা বড় বা ছোট করা

  • Color পরিবর্তন → লেখার রং বদলানো


মাইক্রোসফট ওয়ার্ড এ কি করে টেবিল যোগ করবেন ?




মাইক্রোসফট এক্সেলে যেকোনো ফর্মুলা সর্বদা সমান চিহ্ন (=) দিয়ে শুরু হয়.,  মৌলিক কাজের জন্য +, -, *, / ব্যবহার করা হয় এবং জটিল কাজের জন্য SUM, IF, VLOOKUP এর মতো বিল্ট-ইন ফাংশন ব্যবহার করা হয় । 

এই ফর্মুলাগুলো সেলের ডাটা বা সেল রেফারেন্স (যেমন: A1+B1) নিয়ে গাণিতিক বা যৌক্তিক গণনা সম্পন্ন করে । 

কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ও প্রয়োজনীয় এক্সেল ফর্মুলা:

যোগফল (Sum): =SUM(A1:A10) - A1 থেকে A10 সেল পর্যন্ত সব সংখ্যার যোগফল বের করে ।

গড় (Average): =AVERAGE(A1:A10) - নির্দিষ্ট রেঞ্জের সংখ্যাগুলোর গড় বের করে ।

গণনা (Count): =COUNT(A1:A10) - শুধুমাত্র সংখ্যাযুক্ত সেলগুলো গণনা করে ।

সর্বোচ্চ মান (Max): =MAX(A1:A10) - রেঞ্জের মধ্যে সর্বোচ্চ সংখ্যাটি দেখায় ।

সর্বনিম্ন মান (Min): =MIN(A1:A10) - রেঞ্জের মধ্যে সর্বনিম্ন সংখ্যাটি দেখায় ।

শর্তসাপেক্ষ ফলাফল (If): =IF(A1>50, "Pass", "Fail") - যদি A1 এর মান ৫০ এর বেশি হয়, তবে "Pass" দেখাবে, নাহলে "Fail"।

ভুলুকাআপ (VLOOKUP): =VLOOKUP(lookup_value, table_array, col_index_num, [range_lookup]) - কোনো টেবিলে নির্দিষ্ট তথ্য খুঁজতে ব্যবহৃত হয় ।

আজকের তারিখ (Today): =TODAY() - বর্তমান তারিখ দেখায় ।

টেক্সট একসাথে করা (Concatenate): =CONCAT(A1, " ", B1) - A1 এবং B1 সেলের টেক্সট একসাথে যোগ করে । 

ফর্মুলা ব্যবহারের নিয়ম:

১. যে সেলে ফলাফল চান তা সিলেক্ট করুন।

২. = টাইপ করুন।

৩. ফাংশনের নাম (যেমন: SUM) বা গাণিতিক সমীকরণ লিখুন ।

৪. এন্টার (Enter) চাপুন । 


Save: Overwrites the original file.

Save As: Creates a new, distinct copy.

Save” puts the file in the same spot it was opened. It takes about half a second to find it.

 “Save-as” changes the location where it’s saved or the name under which it’s saved.



কম্পিউটারের বিভিন্ন অংশ এবং পেরিফেরাল ডিভাইস সংযুক্ত করার জন্য বিভিন্ন ধরনের ক্যাবল বা তার ব্যবহার করা হয়, যার মধ্যে প্রধান হলো—ডেটা আদান-প্রদানের জন্য USB ও Ethernet, ডিসপ্লের জন্য HDMI, DisplayPort ও VGA, এবং পাওয়ারের জন্য Power Cord । এগুলো বিদ্যুৎ সরবরাহ, ইন্টারনেট সংযোগ এবং অডিও-ভিডিও সিগন্যাল স্থানান্তরে সাহায্য করে [৭]। 

প্রধান কম্পিউটার ক্যাবল এবং তাদের ধারণা:

HDMI (High-Definition Multimedia Interface) Cable: হাই-ডেফিনিশন অডিও এবং ভিডিও সংকেত একসাথে বহন করার জন্য এটি সবচেয়ে জনপ্রিয়, যা মনিটর, টিভি বা প্রজেক্টরে ব্যবহৃত হয় ।

USB (Universal Serial Bus) Cable: কিবোর্ড, মাউস, প্রিন্টার বা পেনড্রাইভের মতো পেরিফেরাল ডিভাইস কম্পিউটার বা ল্যাপটপের সাথে সংযুক্ত করতে এবং ডেটা স্থানান্তরের জন্য ব্যবহৃত হয় ।

Ethernet (RJ45) Cable: রাউটার বা মডেম থেকে কম্পিউটারে ইন্টারনেট সংযোগ বা লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (LAN) তৈরি করতে এই তার ব্যবহৃত হয় ।

DisplayPort Cable: হাই-রেজোলিউশন মনিটর ও গেমিং পিসির জন্য উচ্চমানের ভিডিও ও অডিও স্থানান্তরে এটি ব্যবহৃত হয় ।

VGA (Video Graphics Array) Cable: পুরাতন মনিটর বা প্রজেক্টরে অ্যানালগ ভিডিও সিগন্যাল পাঠানোর জন্য এই নীল রঙের কেবল ব্যবহৃত হতো ।

Power Cord/Cable: কম্পিউটার, মনিটর বা সিপিইউ-কে মেইন পাওয়ার সকেট বা ইউপিএস (UPS)-এর সাথে সংযুক্ত করে বিদ্যুৎ সরবরাহ করে ।

SATA (Serial ATA) Cable: কম্পিউটার কেসিংয়ের ভেতরে মাদারবোর্ডের সাথে হার্ড ড্রাইভ (HDD) বা সলিড স্টেট ড্রাইভ (SSD) সংযোগ করতে এটি ব্যবহৃত হয়।

3.5mm Audio Cable: কম্পিউটার থেকে স্পিকার, মাইক্রোফোন বা হেডফোনে অডিও সিগন্যাল পাঠানোর জন্য ব্যবহৃত হয় । 














🔹 ল্যাপটপ থেকে প্রজেক্টরে কানেক্ট করার নিয়ম 


🔹 ধাপে ধাপে প্রক্রিয়া (Step-by-step)

1️⃣ পোর্ট চেক করুন: ল্যাপটপ ও প্রজেক্টরে কোন পোর্ট আছে দেখুন 👉 HDMI / VGA / USB-C / DisplayPort

2️⃣ সঠিক কেবল নির্বাচন করুন: দুই ডিভাইসের পোর্ট অনুযায়ী কেবল বেছে নিন

3️⃣ দুই ডিভাইস চালু করুন: প্রথমে প্রজেক্টর, তারপর ল্যাপটপ অন করুন

4️⃣ কেবল সংযোগ করুন: ল্যাপটপ থেকে প্রজেক্টরে কেবল লাগান

5️⃣ ইনপুট সোর্স নির্বাচন করুন: প্রজেক্টরে HDMI / VGA ইনপুট সিলেক্ট করুন

6️⃣ ডিসপ্লে মোড নির্বাচন করুন: Windows: Win + P চাপুন → Duplicate / Extend

Mac: System Settings → Displays → Screen Mirroring

7️⃣ প্রজেক্টর সেটিংস ঠিক করুন: Focus (স্পষ্টতা), Zoom (আকার), Keystone (কোণ ঠিক করা), Brightness (আলো)

8️⃣ ল্যাপটপ ডিসপ্লে সেটিংস ঠিক করুন: Resolution (রেজোলিউশন), Scaling (স্ক্রিন সাইজ)

9️⃣ অডিও চেক করুন (HDMI হলে): সাউন্ড প্রজেক্টর বা স্পিকারে যাচ্ছে কিনা দেখুন

সব ঠিক থাকলে প্রেজেন্টেশন চালু করুন


🔹 গুরুত্বপূর্ণ টিপস

ছবি ঝাপসা হলে → Resolution ঠিক করুন

স্ক্রিন কাটা গেলে → Display scaling পরিবর্তন করুন

সিগন্যাল না পেলে → কেবল ও ইনপুট আবার চেক করুন

Data Storage Units (Binary vs Decimal)

ছবিটায় মূলত ডেটা স্টোরেজ ইউনিট দুইভাবে দেখানো হয়েছে—Binary (OS ব্যবহার করে) এবং Decimal (Storage কোম্পানি ব্যবহার করে)। চলুন পরিষ্কারভাবে বুঝি।

🔹 Binary System (কম্পিউটার/OS ব্যবহার করে)

👉 এখানে প্রতিটি ধাপ 1,024 (2¹⁰) গুণে বাড়ে

1 KB = 1,024 Bytes

1 MB = 1,024 KB

1 GB = 1,024 MB

1 TB = 1,024 GB

1 PB = 1,024 TB

1 EB = 1,024 PB

1 ZB = 1,024 EB

1 YB = 1,024 ZB

🔹 Computer & Internet Acronyms

🔹 মৌলিক কম্পিউটার টার্ম


CPU (Central Processing Unit) → কম্পিউটারের মস্তিষ্ক

RAM (Random Access Memory) → অস্থায়ী মেমোরি

ROM (Read Only Memory) → স্থায়ী মেমোরি

BIOS (Basic Input Output System) → কম্পিউটার চালুর প্রাথমিক সফটওয়্যার


🔹 স্টোরেজ ডিভাইস

HDD (Hard Disk Drive) → পুরনো স্টোরেজ, মেকানিক্যাল

SSD (Solid State Drive) → দ্রুত ও আধুনিক স্টোরেজ


🔹 হার্ডওয়্যার ও সংযোগ

USB (Universal Serial Bus) → ডিভাইস সংযোগের পোর্ট


🔹 ইন্টারনেট ও নেটওয়ার্ক

HTTP (HyperText Transfer Protocol) → ওয়েব ডেটা ট্রান্সফার

HTTPS (HyperText Transfer Protocol Secure) → নিরাপদ HTTP

IP (Internet Protocol) → নেটওয়ার্কে ডিভাইসের ঠিকানা

ISP (Internet Service Provider) → ইন্টারনেট প্রদানকারী সংস্থা

DNS (Domain Name System) → ডোমেইন নামকে IP Address-এ রূপান্তর করে

FTP (File Transfer Protocol) → ফাইল আদান-প্রদান


🔹 সফটওয়্যার ও ইন্টারফেস

GUI (Graphical User Interface) → গ্রাফিকাল ইন্টারফেস (আইকন, মেনু)

OS (Operating System) → কম্পিউটার পরিচালনা করে


🔹 প্রোগ্রামিং ও ডাটাবেস

HTML (HyperText Markup Language) → ওয়েব পেজ তৈরির ভাষা

SQL (Structured Query Language) → ডাটাবেস পরিচালনা


🔹 আধুনিক প্রযুক্তি

AI (Artificial Intelligence) → কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা


🔹 নেটওয়ার্ক নিরাপত্তা

VPN (Virtual Private Network) → নিরাপদ ইন্টারনেট সংযোগ



🔹 কমন কম্পিউটার ও ইন্টারনেট টার্ম

🔹 ওয়েব ও ইন্টারনেট

  • URL (Uniform Resource Locator): 👉 কোনো ওয়েবসাইটের ঠিকানা

  • HTTP (Hyper Text Transfer Protocol): 👉 ওয়েব ডেটা আদান-প্রদানের নিয়ম

🔹 যোগাযোগ ও নেটওয়ার্ক

  • SMS (Short Message Service): 👉 মোবাইল টেক্সট মেসেজ

  • DSL (Digital Subscriber Line): 👉 টেলিফোন লাইনের মাধ্যমে ইন্টারনেট

  • LTE (Long Term Evolution): 👉 4G মোবাইল নেটওয়ার্ক প্রযুক্তি

🔹 স্টোরেজ ও ডিভাইস

  • SD Card (Secure Digital Card): 👉 পোর্টেবল স্টোরেজ ডিভাইস

🔹 ন্যাভিগেশন ও ট্র্যাকিং

  • GPS (Global Positioning System): 👉 লোকেশন নির্ধারণ ব্যবস্থা

🔹 ডিসপ্লে ও হার্ডওয়্যার

  • LCD (Liquid Crystal Display): 👉 স্ক্রিন প্রযুক্তি

  • HDMI (High Definition Multimedia Interface): 👉 অডিও-ভিডিও ট্রান্সফারের পোর্ট















Monday, March 30, 2026

March 30, 2026

Tripura Jail Warder Syllabus and Exam Pattern 2026


Tripura Jail Warder Syllabus and Exam Pattern
JAIL POLICE Syllabus


Tripura Jail Warder Syllabus and Exam Pattern 2026: 

The Officer of the Inspector General of Prisons decides the Tripura Jail Warder Syllabus and Exam Pattern 2026. The board has released the Tripura Jail Warder syllabus for all the subjects that should be studied in order to clear the exam without any major difficulties. Also, know about the exam pattern along with the marking scheme and other details while reading this article.

The selection process will comprise of a Written Test, Interview, Physical Fitness and, Physical Test.
The final selection to the Tripura Jail Warder job profile will be done only if the candidates successfully clear all the rounds and score above the cut-off marks.

Monday, February 23, 2026

February 23, 2026

২০২৬ সালের মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার রুটিন প্রকাশ । 2026 TBSE Madhyamik and HS Exam Updated Routine

📘 ২০২৬ সালের মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার রুটিন প্রকাশ

ত্রিপুরা বোর্ডের গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা

Tripura Board of Secondary Education (TBSE) ২০২৬ সালের মাধ্যমিক (Class X) ও উচ্চমাধ্যমিক (+2 Stage, Class XII) পরীক্ষার বিস্তারিত রুটিন প্রকাশ করেছে। এই রুটিন অনুযায়ী রাজ্যের হাজার হাজার পরীক্ষার্থী তাদের চূড়ান্ত প্রস্তুতির সময়সূচি নির্ধারণ করতে পারবে। নিচে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরা হলো।


🏫 মাধ্যমিক পরীক্ষা ২০২৬ (Class X)

📅 পরীক্ষা শুরু: ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
📅 পরীক্ষা শেষ: ২৪ মার্চ ২০২৬
🕛 সময়: অধিকাংশ পরীক্ষা দুপুর ১২টা থেকে ৩:১৫ মাধ্যমিক পরীক্ষা ২০২৬ (Class X)

📌 বিষয়ভিত্তিক সময়সূচি:

🔹 ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (বৃহস্পতিবার) – English 

🔹 ৬ মার্চ ২০২৬ (শুক্রবার) – Social Science (History & Political Science) (১২:০০ – ১:৩০) – Social Science (Economics & Geography) (১:৩০ – ৩:১৫)

🔹 ১০ মার্চ ২০২৬ (মঙ্গলবার)- Language-I (Bengali / Hindi / Kokborok / Mizo)

🔹 ১৪ মার্চ ২০২৬ (শনিবার) – Science (Biology) (১২:০০ – ১:১৫)– Science (Physics & Chemistry) (১:১৫ – ৩:১৫)

🔹 ১৯ মার্চ ২০২৬ (বৃহস্পতিবার) – Mathematics (Basic / Standard)

🔹 ২৪ মার্চ ২০২৬ (মঙ্গলবার) – Sixth Subject (Vocational) (১২:০০ – ১:১৫)

📌 উল্লেখযোগ্য বিষয়: বিজ্ঞান ও সমাজবিজ্ঞান দুটি ভাগে বিভক্ত করে একই দিনে নেওয়া হবে।



🎓 উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা ২০২৬ (Class XII)

📅 পরীক্ষা শুরু: ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
📅 পরীক্ষা শেষ: ৩০ মার্চ ২০২৬
🕛 সময়: বেশিরভাগ পরীক্ষা ১২:০০ – ৩:১৫ পর্যন্ত

📌 গুরুত্বপূর্ণ তারিখসমূহ:

🔹 ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ – English
🔹 ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ – Bengali / Hindi / Kokborok / Mizo
🔹 ২ মার্চ ২০২৬ – Sanskrit / Statistics / Arabic
🔹 ৭ মার্চ ২০২৬ – Business Studies / Education / Physics
🔹 ৯ মার্চ ২০২৬ – Psychology
🔹 ১১ মার্চ ২০২৬ – Geography
🔹 ১৩ মার্চ ২০২৬ – Accountancy / Biology / History
🔹 ১৬ মার্চ ২০২৬ – Economics
🔹 ১৮ মার্চ ২০২৬ – Chemistry / Political Science
🔹 ২৩ মার্চ ২০২৬ – Mathematics / Philosophy
🔹 ২৫ মার্চ ২০২৬ – Sociology
🔹 ২৮ মার্চ ২০২৬ – Computer Science / Music
🔹 ৩০ মার্চ ২০২৬ – Sixth Subject (Vocational)



📊 গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ

১. মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা প্রায় একই সময়ে শুরু হলেও আলাদা আলাদা সময়সূচি অনুসরণ করা হয়েছে।
২. অধিকাংশ পরীক্ষা দুপুর ১২টা থেকে শুরু হওয়ায় শিক্ষার্থীরা সকালবেলা পর্যাপ্ত প্রস্তুতির সুযোগ পাবে।
৩. কিছু বিষয় দুই ভাগে বিভক্ত করে পরীক্ষা নেওয়া হবে (বিশেষত বিজ্ঞান ও সমাজবিজ্ঞান)।
৪. ভোকেশনাল বিষয়গুলির জন্য আলাদা সময় নির্ধারিত আছে।


📝 শিক্ষার্থীদের জন্য পরামর্শ

✔ এখন থেকেই রুটিন অনুযায়ী পড়াশোনার পরিকল্পনা তৈরি করুন।
✔ যেসব বিষয়ের মধ্যে কম সময়ের বিরতি আছে, সেগুলোর প্রস্তুতি আগে থেকে সম্পন্ন রাখুন।
✔ মডেল টেস্ট ও পূর্ববর্তী বছরের প্রশ্নপত্র সমাধান করুন।
✔ পরীক্ষার আগের দিন সম্পূর্ণ রিভিশন করুন, নতুন কিছু পড়ার চেষ্টা করবেন না।


🎯 উপসংহার

২০২৬ সালের বোর্ড পরীক্ষার এই রুটিন শিক্ষার্থীদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা। সঠিক পরিকল্পনা, নিয়মিত অনুশীলন এবং আত্মবিশ্বাসই ভালো ফলাফলের চাবিকাঠি। এখনই সময় নিজেকে গুছিয়ে নেওয়ার।

সকল পরীক্ষার্থীদের জন্য রইল আন্তরিক শুভেচ্ছা ও শুভকামনা। সফল হোক তোমাদের ভবিষ্যৎ। 🌟

Saturday, November 1, 2025

November 01, 2025

NMMSS National Means cum Merit Scholarship Exam 2025 Guidelines


জাতীয় আয়-ভিত্তিক মেধা বৃত্তি পরীক্ষা (NATIONAL MEANS-CUM-MERIT SCHOLARSHIP EXAMINATION)
যোগ্যতা (Eligibility)
 ১. ত্রিপুরা রাজ্যের সরকারী, সরকার-অনুদানপ্রাপ্ত ও স্থানীয় সংস্থার অধীন বিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত অষ্টম শ্রেণির সকল নিয়মিত শিক্ষার্থী, যাদের পিতামাতার বার্ষিক আয় ₹৩,৫০,০০০/- এর বেশি নয় অর্থাৎ মাসিক আয় ₹ ২৯,১৬৬/- টাকা বা তার কম তারা এই পরীক্ষায় অংশগ্রহণের যোগ্য।
২. যেসব শিক্ষার্থীর পরিবার বিপিএল (BPL), অন্ত্যোদয় (AAY), অ্যাড-হক বা এনএফএসএ (NFSA) রেশন কার্ডের অধিকারী, তাদের আবেদনকালে আয় সনদ জমা দেওয়ার প্রয়োজন নেই। শুধুমাত্র এপিএল (APL) রেশন কার্ডধারী শিক্ষার্থীদেরই আয় সনদ জমা দিতে হবে।
৩. কেন্দ্রীয় বিদ্যালয় (Kendriya Vidyalaya) এবং জওহর নবোদয় বিদ্যালয় (Jawahar Navodaya Vidyalaya)-এর শিক্ষার্থীরা এই বৃত্তির জন্য যোগ্য নন। একইভাবে, যেসব শিক্ষার্থী কেন্দ্র বা রাজ্য সরকারের আবাসিক বিদ্যালয়ে অধ্যয়ন করে যেখানে আবাসন, খাদ্য ও থাকার সুবিধা দেওয়া হয়, অথবা বেসরকারি বিদ্যালয়ে পড়াশোনা করে, তারা এই বৃত্তির জন্য যোগ্য নন।

পরীক্ষা ফি (Exam Fee)
 এই পরীক্ষার জন্য কোনো পরীক্ষার ফি প্রয়োজন নেই।

পরীক্ষার ধরন (Pattern of Examination)
 ১. পরীক্ষা বহু নির্বাচনী প্রশ্ন (MCQ) পদ্ধতিতে নেওয়া হবে এবং মূল্যায়ন ওএমআর শীট (OMR Sheet) এর মাধ্যমে করা হবে।
২. পরীক্ষাটি দুইটি ভাগে বিভক্ত থাকবে:
 a. মানসিক দক্ষতা পরীক্ষা (Mental Ability Test - MAT)
 b. শিক্ষাগত দক্ষতা পরীক্ষা (Scholastic Aptitude Test - SAT)
৩. MAT পরীক্ষায় মোট ৯০টি বহু নির্বাচনী প্রশ্ন থাকবে, যা যুক্তি, বিশ্লেষণ এবং সমালোচনামূলক চিন্তার দক্ষতা যাচাই করবে।
 SAT পরীক্ষায় মোট ৯০টি বহু নির্বাচনী প্রশ্ন থাকবে, যা বিজ্ঞান, সমাজবিজ্ঞান এবং গণিত বিষয় থেকে থাকবে।
৪. শিক্ষার্থীদের MAT ও SAT উভয় পরীক্ষায় অন্তত ৪০% নম্বর পেতে হবে এবং দুটি পরীক্ষার মোট যোগফলই চূড়ান্ত নম্বর হিসেবে গণ্য হবে। SC/ST শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে এই ন্যূনতম যোগ্যতা ৩২%।
৫. শিক্ষার্থীরা অনলাইন পোর্টালের মাধ্যমে আবেদন ও প্রবেশপত্র (Admit Card) ডাউনলোড করতে পারবে।

পরীক্ষার মাধ্যম (Medium of Examination)
 জাতীয় আয়-ভিত্তিক মেধা বৃত্তি (NMMSS) পরীক্ষাটি ইংরেজি এবং বাংলা — উভয় ভাষায় অনুষ্ঠিত হবে।

বৃত্তি প্রদান পদ্ধতি (Disbursement of Scholarship)
 ১. মেধার ভিত্তিতে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের National Scholarship Portal (NSP) — https://scholarships.gov.in-এ নিবন্ধন করতে হবে বৃত্তি পাওয়ার জন্য।
২. মোট ৩৫১ জন শিক্ষার্থী মেধা তালিকার ভিত্তিতে বৃত্তির জন্য নির্বাচিত হবে। প্রত্যেক শিক্ষার্থী প্রতি মাসে ₹১০০০/- করে, বছরে ₹১২,০০০/- করে মোট ৪ বছর পর্যন্ত এই বৃত্তি পাবে।
 বৃত্তি চালিয়ে যেতে হলে শিক্ষার্থীদের নবম থেকে দশম এবং একাদশ থেকে দ্বাদশ শ্রেণিতে প্রথম প্রচেষ্টায় উত্তীর্ণ হতে হবে।
৩. বৃত্তি চালিয়ে যেতে হলে শিক্ষার্থীকে দশম শ্রেণিতে ন্যূনতম ৬০% নম্বর (SC/ST শিক্ষার্থীদের জন্য ৫% ছাড়) পেতে হবে।


বৃত্তি (Scholarship)
১. ফলাফল প্রকাশের পর মেধা তালিকার ভিত্তিতে প্রথম ৩৫১ জন শিক্ষার্থীকে ন্যাশনাল স্কলারশিপ পোর্টাল (NSP)-এ নিবন্ধন করতে হবে।
NSP পোর্টালে নিবন্ধনের তারিখ পরবর্তীতে ওয়েবসাইটে (https://tripuratalentsearch.com) প্রকাশ করা হবে।

২. ফর্ম দেরিতে জমা দেওয়া বা অসম্পূর্ণ আবেদনপত্রের কারণে কোনো শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে না পারলে, তার জন্য SCERT কোনোভাবেই দায়ী থাকবে না।

৩. নিবন্ধিত শিক্ষার্থীদের প্রতি বছর ₹১২,০০০/- হারে মোট ৪ বছর পর্যন্ত বৃত্তি প্রদান করা হবে এবং অর্থ সরাসরি তাদের ব্যাংক একাউন্টে জমা হবে।
বৃত্তি নবীকরণের জন্য শিক্ষার্থীদের সাধারণ ও ওবিসি (General/OBC) শ্রেণিতে ৬০% নম্বর এবং এসসি/এসটি (SC/ST) শ্রেণিতে ৫৫% নম্বর পেতে হবে দশম শ্রেণির পরীক্ষায়।



NATIONAL MEANS-CUM-MERIT SCHOLARSHIP EXAMINATION Guidelines 

Eligibility

1. All regular students whose parental income is not more than Rs.3,50,000/- per annum studying in class – VIII in Government, Government aided & local body Schools of Tripura will be eligible to appear in the Examination.

2. All Below Poverty line (BPL), Antyoday (AAY), Ad-hoc & NFSA ration card holder Students are not required to submit Income certificate at the time of application.Only Above Poverty Line (APL) ration card holder students will have to submit income certificate at the time of application.

3. The students studying in “Kendriya Vidyalayas and Jawahar Navodaya Vidyalayas” are not entitled to get scholarship under this scheme. Similarly, those students studying in Residential schools run by the Centre/State Government Institution where facilities like boarding, lodging & fooding are provided and students studying in private schools are also not eligible for the scholarship under the scheme.

Exam Fee

Examination fee is not required

Pattern of Examination

1. Examination will be taken through Multiple Choice Questions (MCQ) and evaluation Process will be OMR sheet based.

2. Examination may consist of two test: a.Mental Ability Test(MAT) b.Scholastic Aptitude Test(SAT)

3. The Mental Ability Test shall consist of 90 multiple choice questions covering verbal and non verbal abilities like reasoning and critical thinking and Scholastic Aptitude Test shall consist of 90 multiple choice questions covering subjects namely, Science, Social studies and Mathematics.

4. The Students must pass both the test i.e. MAT and SAT with at least 40% marks and in aggregate taken together for these two test will be calculated for Total marks. For the SC/ST Students, this cut off will be 32%.

5. Student will apply through the online portal and also download their admit card through online.

Medium of Examination

Medium of National Means cum Merit Scholarship Scheme (NMMSS) Examination will be in English and Bengali Languages.

Disbursement of Scholarship

1. The selected students on the basis of merit must register on National Scholarship Portal (NSP) namely https://scholarships.gov.in/ for getting the scholarship.

2. 351 students, for National Means cum Merit Scholarship Scheme (NMMSS) Examination, as per merit list will be given a scholarship @ Rs.12000/- per annum @ Rs.1000/- per month for 4 years provided that for continuing the scholarship in class X and XII , the awardees should get clear promotion from class IX to class X and from class XI to class XII in the first attempt.

3. The awardees must obtain a minimum of 60% marks in class X examination (relaxable by 5% for SC/ST students) for continuation of the scholarship at higher secondary stage.

Scholarship: 

First Top 351 Ranks according to merit list after publication of the result will have to register on National Scholarship Portal (NSP). Date for registration in NSP Portal will be notified later on in the website : https://tripuratalentsearch.com.
The SCERT will not be responsible if any student is not permitted to appear for the Examination due to late submission of forms or incomplete application forms.
The registered students will be given scholarship@Rs.12000/-per year for 4 year as per norms to their bank accounts.(For renewing the Scholarship 60% mark for General /OBC and 55% mark for SC/ST in Class X)

Download PDF : Click Here