SMDN Tutorial

All in One Destination for Smart Education. One Platform Endless Learning. Empowering your Learning Journey.

Breaking

Tuesday, March 29, 2022

Childhood and the Development of Children Important Question and Answers for DELEd Examination

Q : What do you mean by Socialization ? Discuss the Role of Parent and Teacher regarding Socialization of Children.

Ans : Socialization: Socialization অর্থাৎ সামাজিকীকরণ এমন একটি প্রক্রিয়া যার ধারা সমধর্মী প্রাণী বা ব্যক্তি একত্রে থেকে নিজেদের মধ্যে ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া করে এবং সকল রকম সমস্যার সমাধান করতে পারে, পরিবার প্রতিবেশী ও সামাজিক দলের মধ্যে ভালো অভিযোজন ঘটাতে পারে। সত্যিকারের একটি সম্পর্ক গড়ে তুলে যার দ্বারা সুখে-দুঃখে, আনন্দে-উৎসবে একসঙ্গে মিলেমিশে বাঁচার আশায় মেতে ওঠে । অপরের দুঃখে দুঃখ অনুভব করে অপরের বিপদে সহযোগিতা করে ।
     J.S. Ross এর ভাষায় "Socialization is the development of we feeling in associates and growth in their capacity and will to act together."

 Role of parents regarding socialization of children :

   শিশুর সামাজিকীকরণ প্রক্রিয়ার উদ্বোধন ঘটে পিতা-মাতার সঙ্গে পারিবারিক পরিবেশে দিনযাপনের মাধ্যমে । পিতা-মাতা শিশুর আশ্রয়স্থল এবং ব্যাপক অর্থে প্রথম শিক্ষাদাতা । পিতা-মাতার সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক, তাদের মানবিক গুণাবলী, আচার-আচরণ, সন্তান প্রতিপালনের যত্ন, শিশুর ব্যক্তিত্ব গঠন ও জীবন বিকাশের ধারা নিরূপণ করে । পিতা-মাতা যদি নিম্নলিখিত  সামাজিক গুন / বৈশিষ্ট্য সমূহ সঠিকভাবে ব্যবহার করেন তাহলে তার শিশুদের মধ্যে সেই বৈশিষ্ট্যগুলি সুমার্জিত ভাবে প্রবাহিত হবে ।

 (i) সমবেদনা : শিশুকে সামাজিকীকরণ করতে তার মধ্যে সমবেদনা জাগিয়ে তোলা প্রয়োজন এর জন্য পিতামাতাকে প্রতিবেশী বা অন্য কারোর দুঃখে সমব্যথী হওয়া প্রয়োজন । অন্যথায় শিশুর মধ্যে সমবেদনার পরিবর্তে তাচ্ছিল্যতা ভাব দেখা যায়।

 (ii) সহযোগীতা : পিতা-মাতা যদি সমাজের অন্য সদস্যদের সহযোগিতা করে থাকে তাহলে তার শিশুর মধ্যে সেই ভুল পরিলক্ষিত হয় ।

 (iii) অনুকরণ : পিতা-মাতার সুন্দর ভাষা, সুন্দর আচরণ, সুন্দর বসবাস ইত্যাদি শিশু অনুকরণ করার চেষ্টা করে । এই অনুকরণ শিশুকে সামাজিকীকরণ করতে সহজ পথ খুলে দেয় ।

 (iv) চিহ্নিতকরণ : শিশুদের ভুল ত্রুটি গুলি সংশোধন করে ভাল গুনগুলি চিহ্নিত করা এবং তাদের সামনে তুলে ধরা বাবা মায়ের কর্তব্য ।

 (v) সামাজিক শিক্ষা : শিশুর সঙ্গে বাবা-মায়েরও সামাজিক শিক্ষার প্রয়োজন ।

 (vi) পুরস্কার ও শাস্তি : সমাজের বিভিন্ন ঘটনা শিশুর সামনে তুলে ধরতে হবে যেখানে কোনো ব্যক্তিকে কোন কাজের জন্য সমাজ পুরস্কার দিয়েছে, আবার কোন কাজের জন্য শাস্তি দিয়েছে । কোন ঘটনা ও সামাজিক এবং সমাজ স্বীকৃত নয় তার শিশুকে বিশ্লেষণ করে বুঝিয়ে দিতে হবে ।

Role of Teacher regarding Socialization of Children

  শিশুর পরিবেশে মানিয়ে চলার ক্ষমতা কে বাড়িয়ে তুলে শিক্ষা । শিক্ষা গ্রহণে সহায়তা করেন শিক্ষক । সুতরাং বলা যায় শিশুর সামাজিকীকরনে শিক্ষক হলেন প্রকৃত সহায়ক । শিশুর সামাজিকীকরণে শিক্ষকের ভূমিকা নিম্নরূপ : 

 (i) শিক্ষক অভিভাবক সম্পর্ক : শিশুর আগ্রহ প্রবণতার মনোভাব সৃষ্টি করতে শিশুর অভিভাবকের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলা প্রয়োজন । শিশুর বিকাশের জন্য উভয় মিলে তার উপযুক্ত ব্যবস্থা করে দিতে হবে ।

 (ii) সংস্কৃতি সঞ্চালন : শিক্ষকের কাজ হবে শিশুদের মধ্যে সভ্যতার সংস্কৃতি রীতিনীতি নিয়ম-শৃঙ্খলা সঞ্চালিত করা । তাদের মধ্যে মূল্যবোধ জাগ্রত করা ।

 (iii) প্রতিযোগিতার অনুভূতি : শিক্ষক বিভিন্ন প্রতিযোগিতার ব্যবস্থা করবেন । যার দ্বারা শিশুর মধ্যে প্রতিযোগিতামূলক মনোভাব গড়ে উঠবে ।

 (iv) সামাজিক আদর্শ : শিক্ষক সামাজিক আদর্শকে শিশুদের কাছে তুলে ধরার চেষ্টা করবেন ।

 (v) বিদ্যালয়ের ঐতিহ্য : শিক্ষক শিশুদের মধ্যে বিদ্যালয়ের ঐতিহ্যগুলি বিশ্বাসযোগ্য এবং গ্রহণযোগ্য করে তুলবেন । শিক্ষকের কাজ শিশুরা অনুসরণ করবে ।

 (vi) দলগত কাজে উৎসাহিত করা : দলগত কাজের ধারা একসঙ্গে মিলেমিশে চলা, সহযোগিতা, সমবেদনা, অনুকরণ করার গুণগুলি জন্মায় । এই শিক্ষক বিভিন্ন দলগত কাজের ব্যবস্থা করবেন ।

 (vii) সুস্বাস্থ্য গঠন : শিক্ষকের কাজ হবে শিশুর সুস্বাস্থ্য গঠন করা । যাতে আজকের শিশু আগামী দিনের একজন সুস্থ নাগরিক হয়ে ওঠে ।
 
Q: Define Emotions. 
As a Teacher How to Develop your Student's Emotions.

Ans : Emotions : প্রক্ষোভ অর্থাৎ ইমোশন মানুষের মনের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক । মানুষের আচরণ অনেকাংশে তার প্রক্ষোভ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয় । প্রক্ষোভ সব সময়ই কোনো না কোনো দৈহিক আচরণের সাথে যুক্ত থাকে । এই আচরণকে বলা হয় প্রক্ষোভমূলক আচরণ ।

   R.S. Woodworth এর মতে "emotion is made up or stirred up state of an organism"

   প্রক্ষোভ বা আবেগ বা ইমোশন শব্দটি এসেছে ল্যাটিন শব্দ Emovere থেকে । Morgan ও King এর মতে আবেগের পাঁচটি উপাদান থাকা দরকার । সেই উপাদানগুলির হচ্ছে 

(i) আবেগের মানসিক বা আত্মনিষ্ঠ অনুভূতি, 
(ii) শারীরিক উত্তেজনা,
(iii) শারীরবৃত্তীয় ভিত্তি,
(iv) মৌখিক, ভাষাগত এবং অঙ্গসঞ্চালনমূলক বহিঃপ্রকাশ, 
(v) সংশ্লিষ্ট প্রেষণামূলক অবস্থা ।

As a Teacher How can I Develop my Student's Emotions :

  শিক্ষার মাধ্যমে একজন ব্যক্তির প্রাক্ষোভিক বিকাশ সুনিয়ন্ত্রিত ও সুমার্জিত রূপ পায় । সেই কারণে শিশুর মধ্যে সামাজিক জীবনের দিক থেকে প্রয়োজনীয় বিভিন্ন ধরনের অনুভূতির সঞ্চয়ে সাহায্য করতে হবে । যেমন- ভালোবাসা, সমবেদনা, সহযোগিতা, সহমর্মিতা ইত্যাদি । বিদ্যালয়ে বিভিন্ন ধরনের সহ-পাঠক্রমিক কাজ যেখানে শিক্ষার্থীরা দলবদ্ধভাবে কাজ করার সুযোগ পাবে তার ব্যবস্থা করতে হবে । অপরদিকে শিক্ষার দ্বারা প্রক্ষোভ এর বাহ্যিক আচরণ গুলিকে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে । যেমন- ভয়, রাগ, ঘৃণা, হিংসা ইত্যাদি প্রক্ষোভ এর অবাধ বহিঃপ্রকাশ সামাজিক জীবনে কাম্য নয় । এইসব প্রক্ষোভ গুলির নিয়ন্ত্রণে শিক্ষার্থীদের সহায়তা করতে হবে ।

(i) রাগ :  রাগের অসংযত বহিঃপ্রকাশ নিয়ন্ত্রণ করতে হবে । শিশুদের সামনে বিভিন্ন আদর্শ তুলে ধরে অনুবর্তন এর সাহায্যে রাগের কারণ দূর করে অর্থাৎ রাগের বস্তুকে যতদূর সম্ভব সরিয়ে দিতে এবং ধৈর্যের অনুশীলনের মাধ্যমে অহেতুক রাগকে কমাতে হবে । শিক্ষককে অহেতুক রাগ প্রকাশে বিরত থাকতে হবে ।

(ii) ভয় : অনুবর্তন এর মাধ্যমে ছাত্রদের অযথা ভয় দূর করা যায় । যেমন শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রতি ভয় । এক্ষেত্রে বারবার পরীক্ষা নিয়ে এবং তার সঙ্গে প্রশংসা বা পুরস্কার দিয়ে এই ভয়কে দূর করা যায় । বিভিন্ন সহজ ও শিশুদের উপযোগী কাজের দায়িত্ব দিয়ে তাদের আত্মবিশ্বাসী করে তুলতে হবে ।

(iii) বিদ্বেষ : ভয়, রাগের মতো বিদ্বেষ বা হিংসার অবাধ বহিঃপ্রকাশ কাম্য নয় । শিশুদের অতিরিক্ত আত্মকেন্দ্রিক মনোভাব ও প্রতিযোগীতামূলক মনোভাব তাদের মধ্যে হিংসা-বিদ্বেষ জাগিয়ে তুলে । শিক্ষার সঠিক নির্দেশনার মাধ্যমে এইরূপ প্রক্ষোভ এর বহিঃপ্রকাশ নিয়ন্ত্রণ করবেন ।

    পরিশেষে বলা যায়, প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে তার বয়স অনুযায়ী পরিপূর্ণ জীবন যাপনে সহায়তা করার দায়িত্ব অভিভাবক ও শিক্ষক শিক্ষিকার । এই ব্যাপারে তাদের কর্তব্য হবে শিক্ষার্থীদের প্রক্ষোভমূলক পরিনমন আনার চেষ্টা করা । বিশেষ বয়সের উপযোগী যে পরিমাণ প্রক্ষোভের বিকাশ হওয়া উচিত তাই আনার চেষ্টা করতে হবে শিক্ষক দ্বারা । বিদ্যালয়ের বিভিন্ন ক্রিয়া-কলাপ এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা খারাপ প্রক্ষোভগুলিকে সংযত করার প্রশিক্ষণ পাবে।

Q: What is Poverty ? 
Discuss the Impact of Poverty on Childhood.

Ans: Poverty : মানুষের স্বাভাবিক ও সচ্ছন্দে বেঁচে থাকার জন্য যে অর্থনৈতিক অবস্থা বা অর্থের প্রয়োজন হয়ে থাকে তার থেকে কম আর্থিক সঙ্গতি সম্পন্ন পরিবারকে দরিদ্র পরিবার বলা হয়ে থাকে । অর্থই পারে মানুষের খাদ্যের যোগান দিতে । খাদ্যের যোগান থাকলে তবেই শিশু তথা পরিবারের সকলের দৈহিক বিকাশ ঘটবে । তাই দারিদ্রতা এমন একটি সামাজিক গুরুত্বপূর্ণ উপাদান যা সমাজের সকল সদস্যদের বিকাশে বিভিন্ন দিক থেকে বিরোধিতা করে ।

Impect of Poverty on Childhood : 

    দারিদ্রতা এমন একটি অভিশাপ যা শিশুদের সার্বিক বিকাশের অন্তরায় । দারিদ্রতার কারণে শিশুর জ্ঞানের ভান্ডার অপূর্ণতায় ভুগতে থাকে । শিশুর যে সব বিকাশে দারিদ্রতা মুখ্য ভূমিকা নিয়ে থাকে তা নিম্নরূপ - 

(i) দৈহিক বিকাশ : শিশুর দৈহিক বিকাশের জন্য খাদ্য এবং পুষ্টি একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান । কিন্তু পরিবারের দারিদ্রতার কারণে শিশুরা অপুষ্টিতে ভোগে, ফলস্বরূপ শিশুদের দৈহিক বিকাশ ব্যাহত হয় ।

(ii) স্বাস্থ্য : দারিদ্রতার কারণে যেহেতু শিশু অপুষ্টিতে ভোগে ফলে, ফলে তারা বিভিন্ন প্রকার রোগে আক্রান্ত হয় । চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় অর্থের অভাবের কারণে শিশুদের স্বাস্থ্য খারাপ থাকে ।

(iii) শিক্ষা : দারিদ্রতার কারণে শিশুর দৈহিক বিকাশ এবং স্বাস্থ্য যেমন খারাপ থাকে ঠিক তেমনি শিশুর শিক্ষার উপর ও দারিদ্রতা প্রভাব বিস্তার করে । দারিদ্রতার কারণে অনেক শিশু পড়াশোনা ছেড়ে দিয়ে অর্থ উপার্জনের চেষ্টা করতে থাকে । ফলস্বরূপ তার শিক্ষা বাধাপ্রাপ্ত হয় ।

(iv) মানসিক বিকাশ : দারিদ্রতা শিশুর মানসিক বিকাশে ব্যাঘাত ঘটানোর একটি বড় উপাদান । দারিদ্রতার কারণে শিশুর স্মৃতি স্মৃতি, মনোযোগ ও শিখন ব্যাহত হয় ।

(v) সামাজিক বিকাশ : দারিদ্রতার কারণে শিশু সমাজের সকল স্তরের অন্য শিশুদের সাথে মেলামেশা করতে পারে না, ফলে তার সামাজিক বিকাশ ব্যাহত হয় । আবার যেকোনো পরিবেশে মানিয়ে চলতে গিয়ে যে রকম আচরণ করতে হয় স্মৃতির, ধারণার সংগঠন ততো তৎপর হতে পারে না ।

(vi) জ্ঞানমূলক বিকাশ : জ্ঞানমূলক বিকাশের অন্যতম প্রধান কারণ দারিদ্রতা । দরিদ্র শ্রেণীর লোকদের মধ্যে দূরবর্তী স্থানে যাওয়ার প্রবণতা কম থাকায় জ্ঞানের ভান্ডার কম থাকে ।

(vii) ভাষার বিকাশ : দরিদ্র শিশুদের বিভিন্ন প্রকার বিকাশ তুলনামূলকভাবে কম হওয়ায় তারা উচ্চারণগত সমস্যায় পড়ে এবং খুব সহজে বেশি বাক্য বলতে পারে না । আবার তাদের স্মৃতিতে শব্দভাণ্ডারও কম থাকায় তারা সকল পরিবেশে থেকে শব্দ, বাক্য, নতুন ভাষা সংগ্রহ করতে পারে না ।

      উপরিউক্ত আলোচনা থেকে এটা স্পষ্ট যে, দারিদ্রতা শিশুদের সার্বিক বিকাশের পরিপন্থী । যদিও আমাদের দেশে দারিদ্রতা শিশুদের বিকাশে যাতে ব্যাঘাত সৃষ্টি করতে না পারে, তাই বিভিন্ন ধরনের আইন প্রণয়ন করে শিশুদের বিকাশের চেষ্টা করা হচ্ছে ।

Q: What do you mean by Data ?
উপাত্ত বলেতে কি বোঝ ?

Ans: Data বলতে এমন কিছু তথ্যকে বুঝায় যা নির্দিষ্ট কোনো চলকের বা এক সেট চলকের গুণগত ও পরিমাণগত ধর্মাবলিকে প্রকাশ করে । বেশিরভাগ সময় কোনো পরিমাপ প্রক্রিয়ার ফলে এসব ডেটা সংগ্রহিত হয় । Data বা উপাত্তকে কানেক্টিভিটি গ্রাফ, লেখচিত্র বা তালিকারুপে উপস্থাপন করা যেতে পারে । ডাটাকে অনেক সময় সবচেয়ে নিচের স্তরের বিমূর্ত ধারণা হিসেবে দেখা হয়, যেখান থেকে তথ্য বা জ্ঞান আহরণ করা হয়ে থাকে ।

Q. Discuss the Role of Observation, Interview, Anecdotal Record and Clinical Method as a tools of gethering Data regarding Children.

Ans : Role of Observation Method as a tools of gethering Data regarding Children : শিশুদের ক্ষেত্রে ডাটা সংগ্রহ এর ব্যাপারে Observation পদ্ধতির ভূমিকা গুলি হল :

(i) Observation পদ্ধতি একজন পর্যবেক্ষককে প্রচলিত ধারণা থেকে সরে এসেছে নতুন উপায়ে শিশুকে দেখার অনুমতি দেয় ।

(ii) Observation একজন পর্যবেক্ষককে শিশুর প্রতিদিনের পড়াশোনার বাইরে শিশুর উপর মনোযোগ দিতে অনুমতি দেয় ।

(iii) Observation একজন শিশু দিনের সাধারণ মুহূর্তে কতটুকু দক্ষতা এবং ক্ষমতা প্রদর্শন করে তা দেখার অনুমতি দেয় ।

(iv) Observation একজন শিশুকে তার স্বাভাবিক পরিবেশে দেখার সুযোগ দেয় ।

Role of Interview Method as a tools of gethering Data regarding Children : 
ইন্টারভিউ বা সাক্ষাৎকার হলো এমন একটি কাঠামোগত কথোপকথন যেখানে একজন অংশগ্রহণকারী প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করে এবং অন্যজন উত্তর দেয় । শিশুদের ক্ষেত্রে ডাটা সংগ্রহের ব্যাপারে ইন্টারভিউ পদ্ধতির ভূমিকা গুলি হল : 

(i) উচ্চহারে উত্তর লাভ : ইন্টারভিউয়ের মাধ্যমে শিশুদের কাছ থেকে উচ্চহারে উত্তর লাভ করা যায় ।

(ii) অক্ষম শিশুদের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ : অক্ষম শিশুদের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে ইন্টারভিউ উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করে ।

(iii) অনিচ্ছুক শিশুদের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ : যেসব শিশু তথ্য প্রদানে অনিচ্ছুক থাকে, তাদের কাছ থেকে ইন্টারভিউয়ের মাধ্যমে কৌশলে তথ্য সংগ্রহ করা যায় ।

(iv) সমস্যার গভীরে প্রবেশ করা যায় : শিশুদের সাথে কথোপকথনের মাধ্যমে সমস্যার গভীরে প্রবেশ এর মাধ্যমে ডাটা সংগ্রহ করা যায় ।
(v) স্বতঃস্ফূর্তভাবে তথ্য সংগ্রহ : ইন্টারভিউয়ের মাধ্যমে শিশুরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে তথ্য প্রদান করে থাকে ।

Role of Anecdotal Record as a tools of gethering Data regarding Children : 
Anecdotal Record হল একটি নির্দিষ্ট আচরণ বা Interaction এর রেকর্ড করা বিস্তারিত বর্ণনামূলক ব্যাখ্যা । এটি শিক্ষকদের Learning Experience প্লেন করার সময় কিংবা পরিবারকে তাদের শিশুদের সম্পর্কে তথ্য জানিয়ে থাকে । শিশুদের ক্ষেত্রে ডাটা সংগ্রহের ব্যাপারে Anecdotal Record এর ভূমিকা গুলি হল : 

(i) এটি বিভিন্ন পরিস্থিতিতে শিক্ষক কিংবা গাইড কর্মীদের শিশুদের সম্পর্কে গতিশীল চিত্র উপস্থাপন করে ।

(ii) শিশুদের জীবনের বিভিন্ন ঘটনার বর্ণনায় ভিত্তিতে শিশুকে জানতে ও বুঝতে এটি সাহায্য করে ।

(iii) এটি শিশুদের ব্যক্তিত্বের ধরন বুঝতে সাহায্য করে ।

(iv) এটি শিশুদের Adjustment Pattern বুঝতে সাহায্য করে ।

(v) একটি তথ্য সংগ্রহের একটি ভাল মাধ্যম, কারণ এটি শিক্ষক কিংবা সহপাঠীদের সাথে শিশুর সম্পর্কের উন্নতি ঘটায় ।

(vi) শিশুদের উত্তেজনা, উদ্বেগ ইত্যাদি থেকে পরিত্রাণের মাধ্যমে শিশুদের সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহে এটি উল্লেখযোগ্য ভূমিকা গ্রহণ করেন ।

Role of Clinical Method as a tools of gethering Data regarding Children : 
শিশুদের সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহের হাতিয়ার হিসেবে ক্লিনিক্যাল মেথডের অনেক গুরুত্ব রয়েছে । যেমন-

(i) শিশুদের স্বাস্থ্য সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহের ব্যাপারে ক্লিনিক্যাল পদ্ধতির সাহায্য নিতে হয় ।

(ii) শিশুদের স্বাস্থ্যের প্রতিবন্ধক পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে চাইনি কারণে তাদের সাহায্য নিতে হয় ।

(iii) শিশুদের বৃদ্ধি ও বিকাশ বয়সের তুলনায় কম হলে তার কারণ অনুসন্ধানের জন্য Clinical Method এর সাহায্য নিতে হয় ।

(iv) শিশুদের মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতির জন্য ক্লিনিক্যাল মেথড এর মাধ্যমে তার পূর্ববর্তী মানসিক অবস্থার তথ্য সংগ্রহ করে কিভাবে তা দূর করা যায় তার ব্যবস্থা করা যায় ।

No comments:

Post a Comment