SMDN Tutorial

All in One Destination for Smart Education. One Platform Endless Learning. Empowering your Learning Journey.

Breaking

Sunday, September 25, 2022

September 25, 2022

BRP CRP

Details of SSA East Khasi Hills District Recruitment 2022 for BRP, CRP and DEO

1. Name of the Post: Block Resource Person (BRP)

No of Post: 2

Qualification:
♦ Graduate with D.El.Ed./B.Ed.
♦ Computer skill is essential.
♦ Experience in teaching.

Pay: Rs.20493/- (fixed)

Age: 18-27 years with relaxation to SC/ST as per Govt. norms.

2. Name of the Post: Cluster Resource Person (CRP)

No of Post: 2

Qualification:
♦ Graduate with D.El.Ed / B.Ed.
♦ Computer skill is essential.
♦ Experience in teaching.

Pay: Rs.20493/- (fixed)

Age: 18-27 years with relaxation to SC/ST as per Govt. norms.

3. Name of Post: Data Entry Operator (DEO)

No of Post: 1

Qualification: XII passed with minimum one year in Diploma in Computer Application or its equivalent.

Pay: Rs.8000/- (fixed)

Age: 18-27 years with relaxation to SC/ST as per Govt. norms.

Sunday, September 18, 2022

September 18, 2022

North Eastern States GK Question । Indian GK Bilingual Bengali and English for Competitive Exams

Fact Based North Eastern States of India 
STATE Code 

Asssam : AS
Arunachal Pradesh : AR
Manipur : MN
Meghalaya : ML
Mizoram : MZ
Nagaland : NL
Sikkim : SK
Tripura : TR

Longest in North Eastern State of India


Longest State : Arunachal Pradesh
Longest District : Dibang (AR)
Longest River Island : Majuli (AS)
Longest Zoo : Assam State Zoo
Longest Lake : Loktak Lake (MN)
Longest River Bridge : Kaliabhomora (AS)

Biggest in North Eastern State of India

Biggest Railway Station : Guwahati Railway Station (AS)
Biggest Airport : Lokapriya Gopinath Bordaloi International Airport (AS)
Biggest River : Brahmaputra (AS)
Biggest National Park : Namdhapha National Park (AR)
Biggest Wildlife Sanctuary : Dibang (AR)
Biggest Monastery : Tawang Monastery (AR)
Biggest Village : Barobasti (NL)
Biggest Open Market : Barbazar (ML)
Biggest Cathedral : Catholic Cathedral (NL)

Smallest in North Eastern State of India

Smallest State : Sikkim 
Smallest National Park : Keibul Lamjao (MN)
Smallest Wildlife Sanctuary : Siju (ML)
Smallest  District : Bishnupur (MN)
Smallest River Island : Umananda (AS)

Oldest in North Eastern State of India

Oldest Refinary : Digboi (AS)
Oldest Church : Nongsawlia Presbyterian Church (ML)

Highest in North Eastern State of India

Highest Peak : Kangte (AR)
Highest Rainfall : Mawsynram (ML)
Highest Dense State : Assam

**Multiple-Choice Quiz: Longest and Biggest in North Eastern State of India**

1. Which state is recognized as the longest in North Eastern India?
   a) Assam  
   b) Arunachal Pradesh  
   c) Manipur  
   d) Nagaland  

2. What is the longest district in Arunachal Pradesh?
   a) Tawang  
   b) Dibang  
   c) Itanagar  
   d) Papum Pare  

3. Which river island holds the title of the longest in North Eastern India?
   a) Majuli  
   b) Umananda  
   c) Sivsagar  
   d) Dibrugarh  

4. Which zoo is identified as the longest in this region?
   a) Assam State Zoo  
   b) Guwahati Zoo  
   c) Rajiv Gandhi Zoo  
   d) Itanagar Zoo  

5. What is the longest lake in North Eastern India?
   a) Loktak Lake  
   b) Chilika Lake  
   c) Beas Lake  
   d) Wular Lake  

6. Which river bridge is the longest in North Eastern India?
   a) Dhola-Sadiya Bridge  
   b) Kaliabhomora Bridge  
   c) Brahmaputra Bridge  
   d) Guwahati Bridge  

7. Which railway station is the biggest in North Eastern India?
   a) Dimapur Railway Station  
   b) Agartala Railway Station  
   c) Guwahati Railway Station  
   d) Silchar Railway Station  

8. What is recognized as the biggest airport in North Eastern India?
   a) Imphal International Airport  
   b) Lokapriya Gopinath Bordaloi International Airport  
   c) Bagdogra Airport  
   d) Agartala Airport  

9. Which natural feature is cited as the biggest river in North Eastern India?
   a) Godavari  
   b) Ganga  
   c) Brahmaputra  
   d) Indus  

10. What is the biggest national park located in North Eastern India?
    a) Kaziranga National Park  
    b) Namdhapha National Park  
    c) Manas National Park  
    d) Keibul Lamjao National Park  

11. What is the smallest state in the North Eastern region of India?  
   A) Mizoram  
   B) Sikkim  
   C) Tripura  
   D) Nagaland  

12. Which of the following is the smallest national park in North Eastern India?  
   A) Kaziranga  
   B) Keibul Lamjao  
   C) Manas  
   D) Neora Valley  

13. Identify the smallest wildlife sanctuary listed in the text.  
   A) Namdapha  
   B) Nokrek  
   C) Siju
   D) Sangsang  

14. Which district holds the title for the smallest district in North Eastern India?  
   A) East Khasi Hills  
   B) Bishnupur  
   C) West Siang  
   D) Ri Bhoi  

15. What is the smallest river island mentioned in the text?  
   A) Majuli  
   B) Manikaran
   C) Bhakra  
   D) Umananda

16. Where is the oldest refinery located in North Eastern India?  
   A) Numaligarh  
   B) Digboi  
   C) Boko  
   D) Guwahati  

17. Which of the following is recognized as the oldest church in the North Eastern states?  
   A) St. John's Church  
   B) Nongsawlia Presbyterian Church  
   C) Holy Cross Church  
   D) St. Joseph's Church  

18. What is the highest peak in the North Eastern region of India?  
   A) Kangte   
   B) Khawthlung
   C) Saramati  
   D) Phawngpui  

19. Which location is known for receiving the highest rainfall in North Eastern India?  
   A) Cherrapunji  
   B) Mawsynram  
   C) Shillong  
   D) Itanagar  

20. Which state is noted as the highest dense state in the North Eastern region of India?  
   A) Manipur  
   B) Meghalaya  
   C) Assam  
   D) Arunachal Pradesh  

**Answers:**
1. b) Arunachal Pradesh  
2. b) Dibang  
3. a) Majuli  
4. a) Assam State Zoo  
5. a) Loktak Lake  
6. b) Kaliabhomora Bridge  
7. c) Guwahati Railway Station  
8. b) Lokapriya Gopinath Bordaloi International Airport  
9. c) Brahmaputra  
10. b) Namdhapha National Park  
11. B) Sikkim  
12. B) Keibul Lamjao  
13. C) Siju  
14. B) Bishnupur  
15. D) Umananda  
16. B) Digboi  
17. B) Nongsawlia Presbyterian Church  
18. A) Kangte  
19. B) Mawsynram  
20. C) Assam


উপরে উল্লেখিত 20 টি ছাড়া ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রাজ্যগুলিকে কেন্দ্র করে আরো 50 টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর দেওয়া হল, যেগুলি শিক্ষক নিয়োগ বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সহায়ক হতে পারে। প্রশ্নগুলি তৈরি করেছেন মিঠুন স্যার।

ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চল সংক্রান্ত ৫০ টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর (MCQ):

1. ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের মোট কয়টি রাজ্য রয়েছে?
ক) ৫টি
খ) ৬টি
গ) ৭টি
ঘ) ৮টি
উত্তরঃ ঘ) ৮টি

2. "সেভেন সিস্টার্স" বলে কোন রাজ্যগুলোকে বোঝানো হয়?
ক) উত্তর-পূর্ব ভারতের ৮টি রাজ্য
খ) ৭টি রাজ্য ব্যতীত সিকিম
গ) ৭টি পাহাড়ি রাজ্য
ঘ) শুধুমাত্র আসাম ও মেঘালয়
উত্তরঃ খ) ৭টি রাজ্য ব্যতীত সিকিম

3. নিচের কোন রাজ্যটি উত্তর-পূর্বাঞ্চলের অন্তর্গত নয়?
ক) মিজোরাম
খ) ত্রিপুরা
গ) সিকিম
ঘ) নাগাল্যান্ড
উত্তরঃ গ) সিকিম

4. উত্তর-পূর্ব ভারতের সবচেয়ে বড় রাজ্য কোনটি (আয়তনের ভিত্তিতে)?
ক) মেঘালয়
খ) আসাম
গ) অরুণাচল প্রদেশ
ঘ) মনিপুর
উত্তরঃ গ) অরুণাচল প্রদেশ

5. উত্তর-পূর্ব ভারতের সবচেয়ে জনবহুল রাজ্য কোনটি?
ক) আসাম
খ) ত্রিপুরা
গ) নাগাল্যান্ড
ঘ) মেঘালয়
উত্তরঃ ক) আসাম

6. 'হর্নবিল উৎসব' কোন রাজ্যে পালিত হয়?
ক) আসাম
খ) নাগাল্যান্ড
গ) মনিপুর
ঘ) মিজোরাম
উত্তরঃ খ) নাগাল্যান্ড

7. ‘বামু রাজ্য’ নামে পরিচিত রাজ্য কোনটি?
ক) মেঘালয়
খ) মনিপুর
গ) ত্রিপুরা
ঘ) মিজোরাম
উত্তরঃ গ) ত্রিপুরা

8. উত্তর-পূর্ব ভারতের একমাত্র বাণিজ্যিক তেল শোধনাগার কোথায় অবস্থিত?
ক) গৌহাটি
খ) ডিগবয়
গ) শিলচর
ঘ) ডিব্রুগড়
উত্তরঃ খ) ডিগবয়

9. নিচের কোন নদীটি আসামের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে?
ক) গোদাবরী
খ) গঙ্গা
গ) ব্রহ্মপুত্র
ঘ) যমুনা
উত্তরঃ গ) ব্রহ্মপুত্র

10. উত্তর-পূর্বাঞ্চলের কোন রাজ্যকে "অরুণোদয়ের ভূমি" বলা হয়?
ক) আসাম
খ) অরুণাচল প্রদেশ
গ) মেঘালয়
ঘ) মনিপুর
উত্তরঃ খ) অরুণাচল প্রদেশ

11. মেঘালয় রাজ্যের রাজধানী কোনটি?
ক) আইজল
খ) শিলং
গ) ইমফল
ঘ) গ্যাংটক
উত্তরঃ খ) শিলং

12. মনিপুর রাজ্যের বিখ্যাত লোকনৃত্যের নাম কী?
ক) ভাঙ্গরা
খ) মোহিনীআট্টম
গ) রাস লীলা
ঘ) ওডিসি
উত্তরঃ গ) রাস লীলা

13. “জুম চাষ” উত্তর-পূর্ব ভারতের কোন অঞ্চলে প্রচলিত?
ক) সমতল ভূমি
খ) পাহাড়ি অঞ্চল
গ) উপত্যকা অঞ্চল
ঘ) সমুদ্রতট
উত্তরঃ খ) পাহাড়ি অঞ্চল

14. ভারতের কোন উত্তর-পূর্ব রাজ্য “সেভেন সিস্টার্স”-এর বড় বোন নামে পরিচিত?
ক) আসাম
খ) নাগাল্যান্ড
গ) ত্রিপুরা
ঘ) মেঘালয়
উত্তরঃ ক) আসাম

15. উত্তর-পূর্ব ভারতের কোন রাজ্যে হানড্লুম এবং বাঁশের শিল্প প্রসিদ্ধ?
ক) ত্রিপুরা
খ) অরুণাচল প্রদেশ
গ) মিজোরাম
ঘ) সবগুলোই
উত্তরঃ ঘ) সবগুলোই

16. নিচের কোনটি উত্তর-পূর্বাঞ্চলের একটি ঐতিহ্যবাহী উৎসব?
ক) বিহু
খ) ওনাম
গ) পংগাল
ঘ) পুইলাম
উত্তরঃ ক) বিহু

17. ত্রিপুরা রাজ্যের প্রধান জনগোষ্ঠী কোনটি?
ক) বোরো
খ) ত্রিপুরি জনজাতি
গ) নাগা
ঘ) খাসি
উত্তরঃ খ) ত্রিপুরি জনজাতি

18. 'আইজল' কোন রাজ্যের রাজধানী?
ক) মনিপুর
খ) মিজোরাম
গ) নাগাল্যান্ড
ঘ) মেঘালয়
উত্তরঃ খ) মিজোরাম

19. ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সবচেয়ে কম জনসংখ্যার রাজ্য কোনটি?
ক) নাগাল্যান্ড
খ) সিকিম
গ) অরুণাচল প্রদেশ
ঘ) মিজোরাম
উত্তরঃ গ) অরুণাচল প্রদেশ

20. নিচের কোনটি আসামের একটি বিখ্যাত বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য?
ক) সুন্দরবন
খ) কাজিরাঙ্গা
গ) পেরিয়ার
ঘ) বান্দিপুর
উত্তরঃ খ) কাজিরাঙ্গা

21. “ডমসা” কোন রাজ্যের একটি নৃত্য রূপ?
ক) মিজোরাম
খ) অরুণাচল প্রদেশ
গ) ত্রিপুরা
ঘ) নাগাল্যান্ড
উত্তরঃ খ) অরুণাচল প্রদেশ

22. কোন রাজ্যকে ‘মেঘের বাসস্থান’ বলা হয়?
ক) মেঘালয়
খ) মিজোরাম
গ) আসাম
ঘ) নাগাল্যান্ড
উত্তরঃ ক) মেঘালয়

23. নিচের কোনটি উত্তর-পূর্ব ভারতের একটি সীমান্তবর্তী রাজ্য?
ক) মেঘালয়
খ) ত্রিপুরা
গ) নাগাল্যান্ড
ঘ) সবগুলোই
উত্তরঃ ঘ) সবগুলোই

24. 'বাম্বু ডান্স' কোন রাজ্যের ঐতিহ্যবাহী নৃত্য?
ক) মিজোরাম
খ) আসাম
গ) ত্রিপুরা
ঘ) মনিপুর
উত্তরঃ ক) মিজোরাম

25. ‘লোকটাক’ হ্রদ কোথায় অবস্থিত?
ক) মেঘালয়
খ) মনিপুর
গ) নাগাল্যান্ড
ঘ) আসাম
উত্তরঃ খ) মনিপুর

26. “হানড্লুম সিটি” নামে কোন শহর পরিচিত?
ক) আইজল
খ) শিলচর
গ) ইমফল
ঘ) শিলং
উত্তরঃ গ) ইমফল

27. উত্তর-পূর্ব ভারত কোন নদীর অববাহিকায় গঠিত?
ক) সিন্ধু
খ) ব্রহ্মপুত্র
গ) গঙ্গা
ঘ) যমুনা
উত্তরঃ খ) ব্রহ্মপুত্র

28. নাগাল্যান্ড রাজ্যে প্রধানত কোন জনগোষ্ঠীর বাস?
ক) বোরো
খ) নাগা
গ) খাসি
ঘ) গারো
উত্তরঃ খ) নাগা

29. উত্তর-পূর্বাঞ্চলের একমাত্র রাজ্য যেখানে সন্ন্যাসিনী প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন –
ক) আসাম
খ) ত্রিপুরা
গ) মিজোরাম
ঘ) কেউ নয়
উত্তরঃ ঘ) কেউ নয়

30. “সিকিম” রাজ্য উত্তর-পূর্ব ভারতের অন্যান্য রাজ্যগুলোর সাথে কীভাবে যুক্ত?
ক) জাতিগত
খ) সাংস্কৃতিক
গ) ভৌগোলিক
ঘ) শুধুমাত্র রাজনৈতিক
উত্তরঃ গ) ভৌগোলিক

31. কোন রাজ্যটি “অর্কিড রাজ্য” নামে পরিচিত?
ক) অরুণাচল প্রদেশ
খ) মেঘালয়
গ) মনিপুর
ঘ) ত্রিপুরা
উত্তরঃ ক) অরুণাচল প্রদেশ

32. 'নামদাফা ন্যাশনাল পার্ক' কোন রাজ্যে অবস্থিত?
ক) আসাম
খ) অরুণাচল প্রদেশ
গ) মিজোরাম
ঘ) নাগাল্যান্ড
উত্তরঃ খ) অরুণাচল প্রদেশ

33. খাসি ও গারো জনগোষ্ঠী প্রধানত কোথায় বাস করে?
ক) নাগাল্যান্ড
খ) মেঘালয়
গ) মনিপুর
ঘ) আসাম
উত্তরঃ খ) মেঘালয়

**34. “নর্থ ইস্টার্ন কাউন্সিল” (NEC) গঠিত হয়েছিল –
ক) ১৯৫৫ সালে
খ) ১৯৭১ সালে
গ) ১৯৭২ সালে
ঘ) ১৯৮৫ সালে
উত্তরঃ গ) ১৯৭২ সালে

35. “নর্থ-ইস্ট ফ্রন্টিয়ার রেলওয়ে”-র সদর দফতর কোথায়?
ক) গৌহাটি
খ) দার্জিলিং
গ) শিলচর
ঘ) মালিগাঁও
উত্তরঃ ঘ) মালিগাঁও

36. “ব্রহ্মপুত্র” নদী কোথা থেকে উৎসারিত হয়েছে?
ক) হিমালয়
খ) মানস সরোবর
গ) তিব্বত
ঘ) নেপাল
উত্তরঃ গ) তিব্বত

37. উত্তর-পূর্ব ভারতের সবচেয়ে উঁচু পর্বত শৃঙ্গ কোনটি?
ক) কানচেনজঙ্ঘা
খ) ডোডা বেটা
গ) নামচে বারওয়া
ঘ) গুন্তি
উত্তরঃ ক) কানচেনজঙ্ঘা

38. উত্তর-পূর্ব ভারতের 'চা শিল্পের রাজধানী' বলা হয় কোন শহরকে?
ক) শিলচর
খ) ডিব্রুগড়
গ) গৌহাটি
ঘ) জোড়হাট
উত্তরঃ খ) ডিব্রুগড়

39. “চেরাপুঞ্জি” কোন রাজ্যে অবস্থিত?
ক) মেঘালয়
খ) আসাম
গ) নাগাল্যান্ড
ঘ) মিজোরাম
উত্তরঃ ক) মেঘালয়

40. “বিশ্বনাথ চারিয়ালি” কোন রাজ্যের একটি প্রসিদ্ধ স্থান?
ক) ত্রিপুরা
খ) আসাম
গ) মনিপুর
ঘ) মিজোরাম
উত্তরঃ খ) আসাম

41. নিচের কোনটি উত্তর-পূর্ব ভারতের প্রধান ভাষাগুলোর মধ্যে পড়ে?
ক) মৈথিলি
খ) কোঙ্কণী
গ) অসমীয়া
ঘ) মারাঠি
উত্তরঃ গ) অসমীয়া

42. উত্তর-পূর্ব ভারতের কোন রাজ্যে সবচেয়ে বেশি উপজাতীয় ভাষা ব্যবহৃত হয়?
ক) নাগাল্যান্ড
খ) মিজোরাম
গ) অরুণাচল প্রদেশ
ঘ) মনিপুর
উত্তরঃ গ) অরুণাচল প্রদেশ

43. ভারতের কোন উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য বাংলাদেশ, মায়ানমার ও চীন—এই তিন দেশের সীমানা ভাগ করে না ?
ক) মেঘালয়
খ) ত্রিপুরা
গ) অরুণাচল প্রদেশ
ঘ) আসাম
উত্তরঃ গ) অরুণাচল প্রদেশ

44. “বারাক উপত্যকা” কোন রাজ্যের অন্তর্গত?
ক) মিজোরাম
খ) আসাম
গ) ত্রিপুরা
ঘ) মনিপুর
উত্তরঃ খ) আসাম

45. নিচের কোনটি উত্তর-পূর্ব ভারতের জনজাতি নয়?
ক) বোরো
খ) মিজো
গ) খাসি
ঘ) গোঁন্ড
উত্তরঃ ঘ) গোঁন্ড

46. মিজোরামের সরকারী ভাষা কোনটি?
ক) ইংরেজি
খ) মিজো
গ) হিন্দি
ঘ) উভয় ক ও খ
উত্তরঃ ঘ) উভয় ক ও খ

47. উত্তর-পূর্ব ভারতের কোন রাজ্যটি প্রথমে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল হিসেবে গঠিত হয়েছিল এবং পরে রাজ্যে পরিণত হয়?
ক) মিজোরাম
খ) নাগাল্যান্ড
গ) মনিপুর
ঘ) ত্রিপুরা
উত্তরঃ ক) মিজোরাম

48. “সার্ভে অব ইন্ডিয়া” সংস্থা কোন রাজ্যে অবস্থিত “গিয়োডেটিক সেন্টার” পরিচালনা করে?
ক) আসাম
খ) মেঘালয়
গ) নাগাল্যান্ড
ঘ) অরুণাচল প্রদেশ
উত্তরঃ খ) মেঘালয়

49. মিজোরামের প্রথাগত আইন প্রণয়নের কাজ কোন সংস্থা করে?
ক) মিজো সংসদ
খ) জিলা পরিষদ
গ) লাল কাউন্সিল
ঘ) গণ পরিষদ
উত্তরঃ গ) লাল কাউন্সিল

50. ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে রেল সংযোগ সর্বপ্রথম কোন শহরের সাথে স্থাপিত হয়?
ক) গৌহাটি
খ) শিলচর
গ) ডিব্রুগড়
ঘ) আইজল
উত্তরঃ ক) গৌহাটি







Saturday, July 16, 2022

July 16, 2022

STGT PREVIOUS YEAR QUESTION PAPER FREE DOWNLOAD

STGT PREVIOUS YEAR QUESTION PAPER FREE  DOWNLOAD
Studying the contents for Selection Test of Graduate Teacher is not enough for any Aspirants for Competitive Examination i.e., STGT . This is primarily because merely going through the chapter cannot help the candidate understand his problems. However, he can understand his problems while solving the previous year’s question paper Specially for Teachers Recruitment Test. This is primarily because when the Aspiration solves these he is unable to answer some of the questions that are present in the Exam Question paper. As a result of this, he returns back to the original text and prepares for the exam again. This often helps him secure good marks for Getting Selection.


Previous year papers provide the candidates with a chance to practice questions that might come in the exam hall. This gives a sense of confidence to the Candidates. They feel that since they have answered these so they can easily perform well in the final test as well. This is extremely important for the Aspirants because it drives them in the tough atmosphere of the STGT exam. It is always found that confident students perform much better than other aspirants during any examination.


Planning is important in every sphere of life. Proper planning helps the candidate execute these perfectly. This, in turn, helps them gain success. As previous year question papers contain the same time, the same pattern of question and similar types of questions so they help the aspirants to plan properly for their examination. This planning is extremely important as it takes them to a better place mentally during the examination. It helps them feel that they can mark the correct answers. This again helps them score the desired marks in the exam hall.

Available Previous Year's Question

2016 STGT Questions : Click Here
2017 STGT Questions : Click Here
2018 STGT Questions : Click Here
2019 STGT Questions : Click Here

Download Tripura STGT Previous Year's Question Paper : Click Here 
July 16, 2022

TRBT STGT Syllabus 2022 PDF Download

TRBT STGT Syllabus 2022 PDF Download 
Aspirants who are looking for the Tripura Selection Test for Graduate Teacher Syllabus 2022 are able to Check the complete Syllabus 2022. Candidates please go through the entire article and get the whole information about the TRB Tripura Teacher STGT Syllabus 2022. Moreover here we have provided the direct links to Download the TRBT Graduate Teacher Syllabus 2022 and TRBT STGT Exam Pattern too.


TRBT Graduate Teacher Syllabus 2022 is now available here in this page. Check and Download here from the Links provided below.
Article Contents.

Download Syllabus 
Selection Test for Graduate Teachers (STGT) – Pure Science

Selection Test for Graduate Teachers (STGT) – Bio Science

Selection Test for Graduate Teachers (STGT) – Social Science

Download All Syllabus : Click Here 


July 16, 2022

Tripura STGT Exam । Selection Test for Graduate Teacher 2022 । Apply Online

TRBT Selection Test for Graduate Teacher STGT 2022
শিক্ষক নিয়োগ বোর্ড, ত্রিপুরা (টিআরবিটি)
শিক্ষা (স্কুল) বিভাগ, সরকার। ত্রিপুরার।
স্নাতক শিক্ষকের জন্য নির্বাচন পরীক্ষা (STGT) IX-X: 2022।

আসন: SC-29, ST-172, UR-29= মোট-230।
মহিলাদের জন্য 33 শতাংশ আসন সংরক্ষিত ।

বয়স সীমা: 15/07/2022 অনুযায়ী 18 থেকে 40 বছর।
(বয়স শিথিলকরণ: 5 বছর SC/ST/PH এবং সরকারি কর্মচারী)

প্রয়োজনীয় যোগ্যতা:
50% নম্বর সহ স্নাতক/স্নাতকোত্তর বা বিএড সহ।
(SC/ST/PH-এর জন্য 5% নম্বর শিথিলকরণ)
ESSENTIAL MINIMUM QUALIFICATION FOR GRADUATE TEACHER (FOR  CLASS: IX-X)

 

    A. Graduate/Post Graduate from recognised university with at least 50% marks in either graduation or post-graduation (or its equivalent) and Bachelor of Education (B. Ed.) from National Council for Teacher Education (NCTE) recognised institution.  OR

    B. Graduate/Post Graduate from recognised university with at least 45% marks in either graduation or post-graduation (or its equivalent) and Bachelor of            Education (B. Ed.) from National Council for Teacher Education (NCTE) recognised institution {in accordance with the National Council for Teacher Education (Form of application for recognition, the time limit of submission of application, determination of norms and standards for recognition of teacher education programmes and permission to star new course or training). Regulations 2002 notified on 13.11.2002 and National Council for Teacher Education (Recognition Norms and Procedure) regulations, 2007 notified on 10.12.2007}.      OR

     C. 4 years degree of B. A. Ed. / B.Sc. ED. from any National Council for Teacher Education (NCTE) recognised institution.

 

Note: (I) Relaxation up to 5% in the qualifying marks shall be allowed to the candidates belonging to the SC/ST/PH category. (II) Degree  Course  in  Teacher  Education recognized by the National  Council  for  Teacher  Education  (NCTE)  only  shall  be  considered.

আবেদন ফী:
সাধারণ: Rs.300/-, ST/SC/PWD: Rs. 200/-

পরীক্ষার তারিখ: 11/09/2022 (দুপুর 12 টা থেকে 2.30 টা)।

21/07/2022 তারিখে অনলাইন আবেদন শুরু হচ্ছে।
অনলাইন আবেদনের শেষ তারিখ: 30/07/2022 (4.00 PM)।

TEACHERS RECRUITMENT BOARD OF TRIPURA : Official website

Download Notification : Click Here

Apply Online : Click Here
Online Application Date : 21/07--31/07/2022



Wednesday, July 6, 2022

July 06, 2022

TBSE Madhyamik ও HS এর পরীক্ষার ফলাফল ঘোষণা করা হবে 6-July-2022 । অনলাইনে আপনার Result দেখুন Tripura Madhyamik & HS পরীক্ষা 2022।

Tripura Madhyamik Result 2022
TBSE Madhyamik Exam Result 2022
ত্রিপুরা মধ্যশিক্ষা পর্ষদের সচিব এক বিজ্ঞপ্তিতে জানান যে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা 2022 এর ফলাফল ঘোষণা করা হবে 6 জুলাই বুধবার দুপুর 12 ঘটিকায় । একইসঙ্গে মাধ্যমিকের পুরাতন সিলেবাস এর রেজাল্ট, মাদ্রাসা আলিম, মাদ্রাসা ফাজিল পরীক্ষার ফলাফল ঘোষণা করা হচ্ছে । দুপুর 12:30 মিনিট থেকে অনলাইনে নিচের লিংক গুলিতে রেজাল্ট লাইভ হবে । আপনি আপনার Registration Number ও Roll Number দিয়ে আপনার Result দেখে নিতে পারবেন নিচের লিঙ্কগুলিতে ।

Tripura Madhyamik Exam Result 2022


Link 2 : See Your Result


*********************************
Tripura HS Exam Result 2022

Link 1 : See Your Result



উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার ফলাফল সকাল 12 টায় ঘোষণা করা হবে পর্ষদের মিলনায়তনে এক সাংবাদিক সম্মেলনের মাধ্যমে এবং12:30 থেকে শিক্ষার্থীরা ওয়েবসাইটের মাধ্যমে এবং এসএমএসের মাধ্যমে প্রভিশনাল রেজাল্ট দেখতে পারবেন ।
যেসব ওয়েবসাইট থেকে রেজাল্ট দেখা যাবে সেগুলো হলোঃ 




উপরের লিংকগুলোতে ক্লিক করে আপনারা রেজাল্ট দেখতে পারেন।

শিক্ষার্থীরা SMS করেও রেজাল্ট জানতে পারেন । শুধুমাত্র নতুন সিলেবাস মাধ্যমিক পরীক্ষার ফলাফল জানতে হলে টাইপ করুন TBSE12 তারপর স্পেস দিয়ে রেজিস্ট্রেশন নাম্বার রোল নাম্বার টাইপ করে 7738299899 এই নম্বরে এসএমএস পাঠাতে হবে , তাহলে সঙ্গে সঙ্গে রিপ্লাই আসবে আপনার রেজাল্ট ।মনে রাখবেন রেজিস্ট্রেশন নাম্বার এবং রোল নাম্বার এর মধ্যে কোন স্পেস থাকবে না।
 উদাহরণস্বরূপ কোন শিক্ষার্থীর যদি রেজিস্ট্রেশন নাম্বার হয় 27514 এবং রোল নাম্বার হয় 438211116450 তবে এসএমএস করবে এইভাবে:
TBSE12 27514438211116450
তারপর সেটা পাঠিয়ে দেবে 7738299899 এই নাম্বারে ।

তাছাড়া রেজাল্ট দেখতে অসুবিধা হলে কমেন্ট বক্স এ আপনার নাম, রোল নম্বর, রেজিষ্ট্রেশন নম্বর লিখে রাখবেন, আমরা আপনার রেজাল্ট জানিয়ে দেবো ।

স্টাডি সংক্রান্ত সমস্ত ধরনের লেটেস্ট নিউজ পাবার জন্য আমাদের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন।

Thursday, June 30, 2022

June 30, 2022

পাঠ্যক্রম ও পাঠ্যসূচী ।। Curriculum and Syllabus

পাঠ্যক্রম ও পাঠ্যসূচী ।। Curriculum and Syllabus 

১) পাঠ্যক্রম  কি
২) পাঠ্যসূচী কি
৩) পাঠ্যক্রম ও পাঠ্যসূচী এর মধ্যে পার্থক্য কি ?
৪) পাঠক্রম কি ?
৫) পাঠ্যক্রম ও পাঠক্রম এর মধ্যে পার্থক্য কি ?

1) What is Curriculum ?
2) What is Syllabus ?
3) What are the difference between Curriculum and Syllabus ?
4) What is Scheme of Lesson ?
5) What are the difference between Curriculum and Scheme of Lesson ?

Curriculum (পাঠ্যক্রম):
পাঠ্যক্রম হলো শিক্ষার লক্ষ্যে পৌঁছানোর পন্থা। 

Syllabus (পাঠ্যসূচী):
সাধারণ অর্থে পাঠ্যসূচী বলতে বোঝায় পাঠ্য বিষয়ের অন্তর্ভুক্ত উপাদানগুলোকে বোঝায় ।

পাঠক্রম (Scheme of Lesson): 
পাঠ্যক্রমের ক্ষুদ্রতম একক যাকে শিক্ষার্থীরা সল্পকালীন প্রচেষ্টায় আয়ত্ব করতে পারে, তাকে বলা হয় পাঠক্রম ।

পাঠ্যক্রমের উদ্দেশ্য

  • বিস্তৃত কাঠামো: পাঠ্যক্রমটি একটি সর্ব-সমেত, বহু-বিষয়ক, গ্রেড-স্তরের শিক্ষা কাঠামো।
  • দীর্ঘমেয়াদী লক্ষ্য: শিক্ষাবর্ষ জুড়ে শিক্ষার্থীদের শেখার গতিপথ পরিচালনার জন্য অনুসরণ করা গুরুত্বপূর্ণ, মৌলিক শিক্ষা লক্ষ্য এবং মান নির্ধারণ করে।
  • সর্বাত্মক উন্নয়ন : শিক্ষার বাইরেও বাস্তব জীবনের কার্যকলাপের জন্য শিক্ষার্থীর জ্ঞানীয়, মানসিক, সামাজিক এবং শারীরিক ক্ষমতা বিকাশের উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করে।
  • বিষয় জুড়ে সুসংগতি : বিভিন্ন বিষয়কে সাধারণ বিষয় বা দক্ষতার পরিপ্রেক্ষিতে একীভূত করলে শেখার সুসংগতি এবং ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করা যেতে পারে।

সিলেবাসের উদ্দেশ্য
  • স্পষ্ট বোঝাপড়া : শিক্ষার্থী এবং শিক্ষকদের মধ্যে কোর্সের বিষয়বস্তু এবং প্রত্যাশা সম্পর্কে একটি স্পষ্ট ধারণা প্রদান করে।
  • লক্ষ্য নির্ধারণ : শিক্ষার্থীদের জন্য নির্দিষ্ট শিক্ষার উদ্দেশ্যগুলি স্পষ্টভাবে সংজ্ঞায়িত করে, যা তাদের ধারণাগুলি বুঝতে এবং আয়ত্ত করতে সক্ষম করে।
  • শেখার সুবিধা প্রদান করে : শেখার সুবিধা প্রদানের জন্য কোর্স উপাদান, সম্পদ এবং কার্যকলাপের একটি কাঠামোগত রূপরেখা প্রদান করে।
  • বয়স-উপযুক্ত প্রশিক্ষণ: পাঠ্যক্রমটি শিক্ষার্থীদের বিকাশের স্তর অনুসারে বিষয়বস্তু এবং শিক্ষাদান পদ্ধতিগুলিকে অন্তর্ভুক্ত করে, যার ফলে এটি প্রাসঙ্গিক এবং আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে।

উপসংহার
"পাঠ্যক্রম" এবং "পাঠ্যক্রম" শব্দ দুটি প্রায়শই পরস্পর পরস্পর পরিবর্তিতভাবে ব্যবহৃত হয়। এগুলি একটি শিক্ষামূলক কর্মসূচির স্বতন্ত্র দিকগুলিকে বোঝায়। পাঠ্যক্রম হল একটি বিষয় শেখানোর সামগ্রিক পরিকল্পনা এবং কাঠামো, যার মধ্যে শেখার উদ্দেশ্য, নির্দেশনামূলক পদ্ধতি এবং মূল্যায়ন ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত থাকে।

অন্যদিকে, সিলেবাস হল একটি নির্দিষ্ট নথি যা একটি নির্দিষ্ট কোর্সে অন্তর্ভুক্ত বিষয়বস্তু এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য, যেমন গ্রেডিং নীতি এবং ক্লাসের সময়সূচীর রূপরেখা দেয়। এই দুটি ধারণার পার্থক্য বোঝা শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীদের উভয়ের জন্যই অপরিহার্য। এটি নিশ্চিত করতে সাহায্য করে যে নির্দেশনামূলক লক্ষ্যগুলি অর্জন করা হয়েছে এবং শেখার ফলাফলগুলি স্পষ্টভাবে সংজ্ঞায়িত এবং অর্জন করা হয়েছে।
June 30, 2022

Indian Railways Coach Factory Trades Men Recruitment 2022

রেলওয়ে ইন্টিগ্রাল কোচ ফ্যাক্টরি
শিক্ষানবিশ আইন 1961 এর অধীনে শিক্ষানবিশদের নিযুক্তি
বিজ্ঞপ্তি নং APP/01/2022
ফ্রেশার এবং প্রাক্তন আইটিআই-এর জন্য ট্রেড-পোস্ট: 600 :
কার্পেন্টার, ইলেকট্রিশিয়ান, ফিটার, মেশিনিস্ট, পেইন্টার, ওয়েল্ডার।

বয়স: 26.07.2022 তারিখে 15 থেকে 24 বছর। (বয়স শিথিলকরণ: SC/ST এবং 3 OBC, 10 PwBD-এর জন্য 5 বছর)

ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা:
নবীন: 50% নম্বর নিয়ে 10 তম পাস।

প্রাক্তন আইটিআই: 50% নম্বর নিয়ে 10 তম পাস এবং ন্যাশনাল ট্রেড সার্টিফিকেট (আইটিআই) আছে।

পরীক্ষার ফি: সাধারণ: টাকা। 100/-,
 SC/ST/PWD/নারী: কোন ফি নেই।

অনলাইনে আবেদনের শেষ তারিখ: 26/07/2022 17.30 ঘন্টা পর্যন্ত।




June 30, 2022

Territorial Army Recruitment 2022 _ Join Indian Army Job Details

টেরিটোরিয়াল আর্মিতে যোগ দিন
একজন কর্মকর্তা হিসেবে
পদ: টেরিটোরিয়াল আর্মি অফিসার (নন ডিপার্টমেন্টাল)

বয়স সীমা: আবেদন জমা দেওয়ার শেষ দিন অর্থাৎ 30 জুলাই 2022 তারিখে 18 থেকে 42 বছর।

শিক্ষাগত যোগ্যতা: যেকোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক।

শারীরিক মান: একজন প্রার্থীকে অবশ্যই শারীরিক ও চিকিৎসাগতভাবে সব দিক থেকে উপযুক্ত হতে হবে।

ফি: 200/- টাকা

পরীক্ষা কেন্দ্র: গুয়াহাটি/কলকাতা

লিখিত পরীক্ষা: 25 সেপ্টেম্বর 2022।

আবেদনের শুরুর তারিখ: 01 জুলাই 2022

অনলাইন শেষ তারিখ: 30 জুলাই 2022।



Download : Notification

Tuesday, May 17, 2022

May 17, 2022

TRBT TET 1 and TET 2 Certificate cum Marksheet Distribution Date Sheet ।।

Teachers Recruitment Board of Tripura TET 1 এবং TET 2 পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মার্কশিট কাম সার্টিফিকেট বিতরণের দিনক্ষণ ঘোষণা করেছেন । 

TET 2 পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন মোট 2586 জন প্রার্থী এবং সর্বোচ্চ নম্বর হচ্ছে 124 । উল্লেখ্য TET 2 পরীক্ষায় একজন প্রার্থী ওয়েটিং লিস্টে রয়েছেন, উনার জন্য সার্টিফিকেট বিতরণ পরবর্তীতে জানিয়ে দেয়া হবে ।

TET 1 পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন 1045 জন প্রার্থী এবং সর্বোচ্চ নাম্বার হল 114 ।  সার্টিফিকেট প্রদান করা হবে 25 মে 2022 ।

নিচে দেয়া লিস্টে আপনার নাম দেখে নেবেন এবং সিরিয়াল নাম্বার অনুযায়ী আরেকটা লিস্ট দেয়া রয়েছে সেই লিস্টে কোন দিন সার্টিফিকেট আনতে যেতে হবে সেইদিন অনুযায়ী আপনি TRBT অফিস থেকে সার্টিফিকেট সংগ্রহ করবেন । সার্টিফিকেট সংগ্রহ করতে যাবার সময় আপনাকে অবশ্যই টেট পরীক্ষার এডমিট কার্ড এবং একটি ফটো আইডি প্রুফ নিয়ে যেতে হবে । যদি যদি কোন প্রার্থী টেট 1 এবং টেট 2 উভয় পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে থাকেন তাহলে উনি টেট 2 সার্টিফিকেট যেদিন প্রধান করা হবে ওইদিনই দুটো সার্টিফিকেট নিতে পারবেন , তবে অবশ্যই প্রার্থীকে দুটো পরীক্ষার এডমিট কার্ড নিয়ে যেতে হবে ।

 List of Qualified Candidates T-TET 2021 Paper-I >> Download 

List of Qualified Candidates T-TET 2021 Paper-II >> Download 

নিচে দেয়া দিনক্ষণ অনুযায়ী সার্টিফিকেট সংগ্রহ করতে হবে ।
Notice Regarding T-TET 2021 Certificate Distribution>> Click Here

Thursday, May 5, 2022

May 05, 2022

INDIAPOST RECRUITMENT 2022 GRAMIN DAK SEVAK, POST MASTER । Vacancy 38926 Posts

ভারতীয় ডাক বিভাগে ৩৮,৯২৬ গ্রামীণ ডাক সেবক, পোস্ট মাস্টার নিয়োগ 
GRAMIN DAK SEVAK RECRUITMENT, INDIA POST
India Post GDS Recruitment 2022 - Notification, Vacancy, Apply Online

 গ্রামীণ ডাক সেবক পদে ৩৮,৯২৬ জনকে নিচ্ছে ভারতীয় ডাক বিভাগের বিভিন্ন রিজিয়নে। নিয়োগ হবে ব্রাঞ্চ পোস্ট মাস্টার, অ্যাসিস্ট্যান্ট ব্রাঞ্চ পোস্ট মাস্টার ও ডাক সেবক পদে। ত্রিপুরা থেকেও আবেদনের সুযোগ রয়েছে ।

পশ্চিমবঙ্গ সার্কেলে: মোট শূন্যপদ ১,৯৬৩টি। 
অসমে: মোট শূন্যপদ ১,১৪৩টি। 
নর্থ-ইস্ট: মোট শূন্যপদ ৫৫১টি। ওড়িশায়: মোট শূন্যপদ ৩,০৬৬টি। এছাড়া বাকি ৩২২০৩টি শূন্যপদ রয়েছে অন্ধ্রপ্রদেশ, বিহার, ছত্রিশগড়, দিল্লি, হরিয়ানা, গুজরাট, তেলেঙ্গানা সহ দেশের অন্যান্য ১৯টি সার্কেলে।

ম্যাথমেটিক্স এবং ইংলিশ মূল বা ঐচ্ছিক বিষয়ে হিসেবে নিয়ে মাধ্যমিক/ সমতুল পাশ প্রার্থীরা যে রিজিয়নের জন্য আবেদন করবেন সেখানকার স্থানীয় ভাষার জ্ঞান থাকলে আবেদন করতে পারেন। প্রার্থীরা সাইকেল চালাতে জানতে হবে।

এছাড়া প্রার্থীর অন্য সূত্র থেকে আয়ের উৎস থাকতে হবে। তবে যাঁদের অন্য সূত্র থেকে আয়ের উৎস নেই তাঁদের ক্ষেত্রে নিয়োগের ৩০ দিনের মধ্যে অন্য সূত্র থেকে আয়ের প্রমাণপত্র দাখিল করতে হবে।

বয়স হতে হবে ৫-৬-২০২২ তারিখের হিসেবে ১৮ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে। 
মূল মাইনে ব্রাঞ্চ পোস্ট মাস্টার পদের ক্ষেত্রে মাসে ১২,০০০ টাকা 
এবং অ্যাসিস্ট্যান্ট পোস্ট মাস্টার/ ডাক সেবক পদের ক্ষেত্রে মাসে ১০,০০০ টাকা।

প্রার্থীবাছাই হবে শিক্ষাগত যোগ্যতায় পাওয়া নম্বরের ভিত্তিতে। এতে সফলদের হবে নথিপত্র যাচাই। তখন যাবতীয় প্রমাণপত্রের মূল ও সেগুলির ১ কপি জেরক্স সঙ্গে নিয়ে যাবেন। তবে উচ্চ শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রার্থীরা অতিরিক্ত সুবিধা পাবেন না। বাছাই প্রক্রিয়া শেষ হবে ১৫ নভেম্বরের মধ্যে।

আবেদন করবেন অনলাইনে https://indiapostgdsonline.gov.in ওয়েবসাইটের মাধ্যমে, ৫ জুনের মধ্যে। আবেদনের ফি বাবদ দিতে হবে ১০০ টাকা। ফি জমা দেবেন অনলাইনে বা কোনও হেড পোস্ট অফিসের মাধ্যমে। মহিলা, ট্রান্স-উইমেন, তফশিলিদের এই ফি দিতে হবে না। অতিরিক্ত ফি প্রার্থীকেই বহন করতে হবে। এবার সিস্টেম জেনারেটেড এপ্লিকেশন ফর্মের প্রিন্ট নিয়ে নিজের কাছে রাখবেন। পরে প্রয়োজন হবে। আরও বিস্তারিত জানতে পারবেন ওপরে বলা ওয়েবসাইটে/ পিডিএফে।


Apply Online : Click Here

Download Notification : Click Here

Download Centre wise Post Details : Click Here

Name of the Post: India Post Circle GDS Onine Form 2022
Post Date: 02-05-2022
Total Vacancy: 38926

India Post Circle
GDS Vacancy 2022
Application Fee
• For UR/ OBC/ EWS Male: Rs. 100/-
• Female, SC/ST candidates & PwD Candidates: Nil
• Payment Mode: Credit/ Debit Cards & Net Banking
Important Dates
• Starting Date to Registration & Payment of Fee: 02-05-2022
• Last Date for Registration & Payment of Fee: 05-06-2022
Age Limit as on 05-06-2022
• Minimum Age: 18 Years
• Maximum Age: 40 Years
• Age relaxation is applicable to SC/ ST/ OBC/ PWD/ EWS Candidates as per rules
Qualification
• Candidates should posses 10th Class, Compulsory knowledge of Local Language.
• Basic Computer Knowledge.
Vacancy Details
Gramin Dak Sevak (GDS)


State Wise Total Vacancy
Andhra Pradesh 1716
Assam 1143
Bihar 990
Chhattisgarh 1253
Delhi 60
Gujarat 1901
Haryana 921
Himachala Pradesh 1007
Jammu & Kashmir 265
Jharkhand 610
Karnataka 2410
Kerala 2203
Madhya Pradesh 4074
Maharashtra 3026
Punjab 969
Rajasthan 2890
Tamil Nadu 4810
Telangana 1226
Uttar Pradesh 2519
Uttarakhand 353
West Bengal 1963
Tripura - UR-55 OBC-2 SC-22 ST-27 EWS-3 PWD-A-0 B-0 C-0 DE-0

Tuesday, April 19, 2022

April 19, 2022

A Short note on Right to Education Act 2009 in Bengali । শিক্ষার অধিকার আইন 2009

RTE - Right to Education Act
শিক্ষার অধিকার আইন
শিক্ষার অধিকার আইন আসলে হল Right of Children to Free and Compulsory Education Act, 2009 বা শিশুদের বিনামূল্যে ও বাধ্যতামূলক শিক্ষার অধিকার আইন । এই বিলটি 4 আগস্ট 2009 ভারতীয় সংসদে প্রণয়ন করা হয় এবং সফলভাবে শিক্ষার অধিকার আইন ভারতের সংবিধানের অনুচ্ছেদ 21A এর অধীনে আনা হয় 26 আগস্ট 2009 । 1 এপ্রিল 2010 এ আইনটি কার্যকর করা হয়, এতে শিক্ষাকে প্রতিটি শিশুর মৌলিক অধিকারে পরিণত করা হয় ।

শিক্ষার অধিকার আইনটি কি নিয়ে ?

* 6 থেকে 14 বছর বয়সী প্রতিটি শিশুর বিনামূল্যে বাধ্যতামূলক শিক্ষা পাওয়ার অধিকার আছে । 86 তম সংবিধান সংশোধনী আইন অনুযায়ী সংবিধানের 21A অনুচ্ছেদে  এ কথা বলা হয়েছে । এই সংশোধনীর মাধ্যমেই শিক্ষার অধিকার আইন প্রয়োগ করা হবে ।

* সরকারি স্কুল গুলি প্রতিটি শিশুকে বিনামূল্যে শিক্ষা দেবে এবং বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির দ্বারা বিদ্যালয়গুলো পরিচালিত হবে । বেসরকারি স্কুলগুলো মোট পড়ুয়ার অন্তত 25% শিশুকে বিনামূল্যে ভর্তি করবে ।

* গুনমানসহ বুনিয়াদি শিক্ষার সমস্ত দিতে নজরদারি চালাতে বুনিয়াদি শিক্ষার ভারতীয় কমিশন (National Commission for Elementary Education) তৈরি করা হবে ।

শিক্ষার অধিকার আইন (RTE) 2009 এর প্রধান বৈশিষ্ট্য : 

* ভারতের 6 থেকে 14 বছর বয়সী সকল শিশুর জন্য বিনামূল্যে বাধ্যতামূলক শিক্ষা । বুনিয়াদি শিক্ষা সম্পূর্ন করার আগে কোনো শিশুকে ফেল করানো বা বহিষ্কার করা যাবে না ।

* যদি 6 বছর বয়সের বেশি বয়সী কোনো শিশু স্কুলে ভর্তি না হয়ে থাকে বা তার বুনিয়াদি শিক্ষা সম্পূর্ণ না হয়ে থাকে, তাহলে তাকে তার বয়সের উপযোগী শ্রেণীতে ভর্তি করতে হবে । যদি কোনো শিশুকে তার বয়স অনুযায়ী কোন শ্রেণীতে ভর্তি করে দেওয়া হয়, তাহলে সে যাতে অন্যদের সঙ্গে একই মানে পৌঁছতে পারে, সে জন্য নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত তাকে বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে । বুনিয়াদি শিক্ষা পাওয়ার লক্ষ্যে ভর্তি হওয়া প্রতিটি শিশু বুনিয়াদি শিক্ষা সম্পূর্ন হওয়া পর্যন্ত বিনামূল্যে শিক্ষা পাবে, এমনকি তার বয়স যদি 14 বছর পেরিয়ে যায় তা হলেও ।

* বুনিয়াদি শিক্ষায় ভর্তি হওয়ার ক্ষেত্রে শিশুর বয়স তার জন্মের শংসাপত্র অনুযায়ী নির্নিত হবে । এই শংসাপত্র জন্ম, মৃত্যু, বিবাহ নিবন্ধন আইন 1856 বা নির্দেশিত অন্য কোন নথি দ্বারা প্রমাণিত হলেই হবে । শুধুমাত্র বয়সের প্রশংসাপত্রের অভাবে কোন শিশুর ভর্তি আটকানো যাবেনা ।

* যে শিশু বুনিয়াদি শিক্ষা শেষ করবে তাকে শংসাপত্র দিতে হবে ।

* ছাত্র-শিক্ষক অনুপাত নির্দিষ্ট করার বিষয়ে উদ্যোগী হতে হবে প্রাথমিক স্তরে 30:1,  উচ্চ প্রাথমিক স্তরে 35:1 ।

* শিক্ষার গুনমানের উন্নতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ।

* অর্থনৈতিক দায়িত্ব কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার ভাগাভাগি করে বহন করবে ।

* শিক্ষকদের পেশাদারি ডিগ্রি অর্জন করতে হবে ।

শিক্ষার অধিকার আইন চালু করার জন্য সরকারের কর্তব্য 

* অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিশু শিক্ষার অধিকার আইন চালু করার আগে স্কুলের ব্যবস্থা করা সরকারের কর্তব্য ।

* প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত শিশুদের জন্য এক কিলোমিটারের মধ্যে বিদ্যালয় স্থাপন করতে হবে ।

* ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত শিশুদের জন্য তিন কিলোমিটারের মধ্যে বিদ্যালয় স্থাপন করতে হবে ।

* বিদ্যালয় গরিব বঞ্চিত শ্রেণীর বাচ্চাদের প্রতি কোনো রকমের ভেদাভেদ করা যাবে না ।

স্থানীয় সরকারের কর্তব্য 

* 6 থেকে 14 বছরের সকল শিশুদের অবৈতনিক প্রাথমিক শিক্ষা দান ।

* নিকটবর্তী অঞ্চলে বিদ্যালয় স্থাপন করা । দরকার হলে বিকলাঙ্গ বাচ্চাদের জন্য যানবাহনের ব্যবস্থা করা ।

* দুর্বল শ্রেণীর বাচ্চাদের সাথে পক্ষপাত যাতে না হয়, সে দিকে নজর রাখা ।

* এলাকায় 6 থেকে 14 বছর বয়সী শিশুদের তালিকা প্রকাশ ও তাদের স্কুলে ভর্তির ব্যবস্থা করা ।

* শিশুদের স্কুলে ভর্তি করানোর পাশাপাশি তাদের প্রতিদিনের উপস্থিতি এবং অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষা শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাদের উপর নজর রাখা হবে ।

* বিদ্যালয়, শিক্ষক, শ্রেণিকক্ষ এবং শিক্ষণ সামগ্রীর যথাযথ ব্যবস্থা করা ।

* শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা ।

* বাইরে থেকে আসা পরিবারের শিশুদের স্কুলে ভর্তি করানো ।

* শিশুদের স্বাস্থ্য, সুরক্ষা ও অভিযোগের প্রতিকার করা ।

পিতা-মাতা ও স্থানীয়দের কর্তব্য 

প্রত্যেক পিতা-মাতা অবস্থান ঈদের কর্তব্য হবে তারা তাদের শিশুদের নিকটবর্তী বিদ্যালয় অবশ্যই ভর্তি করাবেন ।

বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি (SMC)

বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনার জন্য একটি কমিটি বানানো হয়েছে যা বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি বা স্কুল ম্যানেজমেন্ট কমিটি নামে পরিচিত । এই কমিটিতে কমপক্ষে তিন চতুর্থাংশ সদস্য মাতা পিতা বা স্থানীয় অভিভাবক থাকবেন । এই কমিটিতে কমপক্ষে 50% মহিলা সদস্য থাকবেন ।

বিদ্যালয় পরিচালন কমিটির দায়িত্ব

* বিদ্যালয়ের কাজকর্ম ঠিকমত চলছে কিনা তা দেখাশুনা করা ।

* বিদ্যালয় উন্নয়নে পরিকল্পনা তৈরি করা ।

* বিদ্যালয়ের ফান্ড / তহবিলের টাকা সঠিক কাজে সঠিক ভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে কিনা তা দেখা ।

* বিদ্যালয়ের উন্নয়নে সহযোগিতা করা ।

শিক্ষক-শিক্ষিকার দায়িত্ব ও কর্তব্য

* পাঠক্রিয়া পরিচালনা, শিক্ষার্থীকে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলা, বিদ্যালয় পরিচালনা এবং সামগ্রিকভাবে সমাজ গঠনে ভূমিকা পালন করা ।

* পাঠ্যক্রম পরিচালনা ও নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তা সমাপ্ত করা ।

* শিক্ষার্থীর মূল্যায়ন করা ও তাকে সাহায্য করা ।

* শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি, শিক্ষার অগ্রগতি ইত্যাদি বিষয়ে নিয়মিত অভিভাবকদের অবহিত করা ।

পর্যালোচনা

শিক্ষা ক্ষেত্রে যে খরচ হবে তা কেন্দ্র-রাজ্য উভয়ই সরকারই বহন করবে । কেন্দ্র:রাজ্য = 55:45 , উত্তর পূর্বাঞ্চলের রাজ্য গুলির জন্য সেই অনুপাত 90:10

প্রশ্নাবলী

Q: RTE আইনত নাম কি ?
Ans:- Right of Children to Free and Compulsory Education Act.

Q: RTE 2009 সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে বর্ণিত আছে ?
Ans:- 21-A

Q: RTE  কখন কার্যকর হয় ?
Ans:- 1 এপ্রিল 2010.

Q: RTE অনুযায়ী কত বছর বয়সী শিশুদের বিনামূল্যে বাধ্যতামূলক শিক্ষার ব্যবস্থা করা হবে ?
Ans:- 6-14 বছর বয়সী শিশুদের ।

Q: RTE অনুযায়ী প্রাথমিক স্তরে ছাত্র শিক্ষক অনুপাত কত ?
Ans:- 30:1

Q: RTE অনুযায়ী উচ্চ প্রাথমিক স্তরের ছাত্র-শিক্ষক অনুপাত কত ?
Ans:- 35:1

Q: শিক্ষার্থীদের বয়সের প্রমাণপত্র না থাকলে কি বিদ্যালয় ভর্তি করা যাবে ?
Ans:- ভর্তি করা যাবে ।

Q: প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণীর জন্য বাড়ি থেকে কত দূরত্বের মধ্যে বিদ্যালয় হতে হবে ?
Ans:- বাড়ির এক কিলোমিটারের মধ্যে প্রাথমিক বিদ্যালয় থাকতে হবে ।

Q: SMC এর পুরো নাম কি ?
Ans:- School Management Committee.

Q: উত্তর পূর্বাঞ্চলের রাজ্য এর ক্ষেত্রে শিক্ষাক্ষেত্রে কেন্দ্র : রাজ্য খরচ এর অনুপাত কত ?
Ans:- 90:10

Sunday, April 17, 2022

April 17, 2022

Education, Society, Curriculum and Learners Important Questions and Answers, Assignments, Notes for DElEd Exam

Q: শিশুকেন্দ্রিক শিক্ষার বৈশিষ্ট্য গুলি লেখ

Ans:- শিশু কেন্দ্রিক শিক্ষা ব্যবস্থার উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো

i) শিক্ষার্থীর স্বাধীনতা :  শিশুকেন্দ্রিক শিক্ষা ও শিক্ষার্থীর গতানুগতিক শিক্ষার শৃংখল থেকে মুক্ত হয়ে তার নিজের ইচ্ছা ও আগ্রহ অনুসারে শিক্ষা গ্রহণ করার স্বাধীনতা পায় শিক্ষার্থীর বৈচিত্র্যপূর্ণ পরিবেশে নিজের ইচ্ছা অনুসারে শিক্ষা গ্রহণ করে ।

ii) সক্রিয়তাভিত্তিক শিক্ষা : আধুনিক শিক্ষা পদ্ধতিতে প্রত্যক্ষ কর্মের মধ্যে দিয়ে শিক্ষার্থীকে হাতে-কলমে শেখানো হয় সেই জন্য আধুনিক শিক্ষার মূল নীতি হলো কাজের মাধ্যমে শিক্ষা ।

iii) মানবিক সম্পর্কের উন্নয়ন : শিশুকেন্দ্রিক শিক্ষার শিক্ষক-শিক্ষার্থীর মানবিক সম্পর্কের যথেষ্ট উন্নতি ঘটে শিক্ষক-শিক্ষার্থীর পিতাসম বন্ধু দার্শনিক এবং পথপ্রদর্শক শিক্ষার্থী এখানে নিজের চেষ্টায় শিক্ষার্থী যেমন সাহায্য প্রত্যাশা করে শিক্ষক তাকে তেমন সাহায্য করেন শিক্ষক এখানে শক্ষার্থীর একজন সহানুভূতিশীল শুভাকাঙ্ক্ষী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করেন ।

iv) মনোবিদ্যার আদর্শ প্রয়োগ : শিশুকেন্দ্রিক শিক্ষার বিভিন্ন ক্ষেত্রে মনোবিদ্যার পরীক্ষণমূলক তথ্য এবং নীতিগুলি প্রয়োগ করা হয় শিশুকেন্দ্রিক শিক্ষার পদ্ধতিতে যুক্তির থেকে মনস্তত্ত্বের উপর বেশি গুরুত্ব দেয়া হয় ।

v) স্বতঃস্ফূর্ত শৃঙ্খলা : শিশুকেন্দ্রিক শিক্ষার মূল শৃঙ্খলা বাহ্যিকভাবে নিয়ন্ত্রিত হয় না বৈচিত্র্যপূর্ণ সৃজনশীল সমবায়ভিত্তিক কাযকরী অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থী শৃংখলার মূল্য অবহিত হবে ।

vi) জীবন কেন্দ্রিক শিখন পদ্ধতি : শিশুকেন্দ্রিক শিক্ষার মূল ধারণা গ্রহণ করে বর্তমানে সারাবিশ্বে শিক্ষার্থীর সার্বিক বিকাশে গড়ে উঠেছে নানারূপ শিক্ষা পদ্ধতি অনুশিক্ষণ পদ্ধতি উৎপাদন পদ্ধতি মিথস্ক্রিয়া মূলক পদ্ধতি বিশ্লেষণ পদ্ধতি ইত্যাদি ।

vii) শিক্ষার্থীকে সুনাগরিক তৈরি করা : এই শিক্ষা ব্যবস্থায় শিক্ষার্থী নিজের ইচ্ছা অনুযায়ী আগ্রহ অনুযায়ী নিজেকে গড়ে তোলে ফলে সে সুবিধা-অসুবিধার নেয়ায় অন্যায় আচরণ গুলি এবং এর পরিপ্রেক্ষিতে নিজেকে আদর্শ নাগরিক রূপে তৈরি করতে পারে ।


Q: ভারতবর্ষের পরিপ্রেক্ষিতে প্রারম্ভিক শৈশবের শিক্ষায় পরিবারের ভূমিকা সম্পর্কে আলোচনা করুন

Ans :- প্রারম্ভিক শৈশবের শিক্ষায় পরিবারের ভূমিকা গুলি হল :-

i) মধ্য দিয়ে শিশুর মধ্যে মূল্যবোধ গড়ে ওঠে ।

ii) সামাজিক আচরণের শিক্ষা : পরিবার শিশুটি বিভিন্ন ধরনের সামাজিক আচার আচরণর শিক্ষা দেয় পরিবারের মিথস্ক্রিয়া করতে করতে শিশু বিভিন্ন আচার আচরণ শিখে ফেলে ।

iii) সংস্কৃতির শিক্ষা : পরিবার স্কৃতিক চেতনার বিকাশে সহায়তা করে পরিবারে শিশুর মধ্যে সামাজিক ও সাংস্কৃতিক গুণাবলীর বিকাশ ঘটায় ফলে শিশু সংস্কৃতি বোধ জেগে ওঠে ।

iv) প্রাক্ষোভিক বিকাশের শিক্ষা : পরিবার শিশুর ভাবাবেগ গুলিকে যথাযথ বিকশিত হতে সাহায্য করে সংযত প্রাক্ষোভিক আচরণ শিক্ষায় শিশুর সার্বিক বিকাশের ক্ষেত্রে সহায়ক হয়ে ওঠে ।

v) জ্ঞানার্জনের শিক্ষা : বিভিন্ন ধরনের গানের সঙ্গে পরিচিত করে জ্ঞানার্জনের শিক্ষার প্রকৃতপক্ষে পরিবারেই শুরু হয় ।

vii) সু-অভ্যাস গঠনের শিক্ষা : পরিবার শিশুকে বিভিন্ন ধরনের অভ্যাস গড়ে তুলতে শেখায় ঐ সুঅভ্যাসগুলোর পরবর্তীকালে শিশুকে সুনাগরিক হয়ে উঠতে সাহায্য করে ।

viii) আধ্যাত্মিক ও নৈতিক শিক্ষা : শিশু আধ্যাত্মিক চেতনা অথবা ভালো-মন্দ নিয়ে জন্মায় না পরিবারে শিশুর মধ্যে আধ্যাত্মিক ও নৈতিক চেতনার বিকাশ ঘটায় ।


Q : শিক্ষাক্ষেত্রে ডিউই এর অবদান আলোচনা করো

Ans :- ডিউই তার শিক্ষা চিন্তা ও পরিকল্পনায় স্বাধীন ব্যক্তিত্ব বিকাশের উপযোগী একটি আদর্শ গণতান্ত্রিক শিক্ষা ধারণাকে তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন তিনি ব্যক্তি জীবন ও সমাজ জীবন গৃহ বিদ্যালয় জীবন দৈহিক ও মানসিক বিকাশ এবং তথ্যমূলক গুলির মধ্যে সমন্বয় রচনা করে একটি গতিশীল সামগ্রিক শিক্ষার রূপ গড়ে তুলতে চেয়েছেন শিক্ষায় ব্যক্তির স্বাধীন সৃষ্টিশীল বৃদ্ধির দিকে তিনি সমাজ বাস্তবতার সঙ্গে সমন্বিত করেছেন এবং তার মধ্য দিয়ে গণতান্ত্রিক সমাজতান্ত্রিক শিক্ষার রূপ তুলে ধরেছেন ডিভিশন প্রয়োগবাদী দার্শনিক রূপে শিক্ষার কোন চূড়ান্ত লক্ষ্য অস্থায়ী মূল্যবোধের প্রতি বিশ্বাস রাখেন নি তিনি সমস্ত কিছুতেই ক্রিয়াশীল অভিজ্ঞতা ও বাস্তব ফল ধানের মাপকাঠিতে বিচার করার পক্ষপাতি সমালোচকগণ মনে করেন যে এই তাৎক্ষণিক মূল্যবোধের ধারণাকে সম্পূর্ণভাবে গ্রহণ করলে অনেক দীর্ঘস্থায়ী মানসিক ক্রিয়ার তাৎপর্যকে অস্বীকার করা যায় যার শিক্ষামূলক গুরুত্ব অপরিসীম এর মতে শিক্ষার কোন নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য থাকে না অর্থাৎ শিক্ষার সমন্বয় হল লক্ষ আর প্রতিক্রিয়ায় হলো লক্ষ্য পূরণের উপায় বা পদ্ধতি সামগ্রিক বিচারে শিক্ষকদের মূল্যায়ন করতে গিয়ে আমরা প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ Ruak এর সঙ্গে একমত হয় বলতে পারি 'In him or her concentrate in a special degree the progressive tenderness of his age.' Ruak এর মতে 'Dewey was a great educationist because he was a great philosopher.'

ডিউই এর পাঠক্রমিক ধারণার সঙ্গে সমন্বিত হয় তার শিক্ষা পদ্ধতির ধারণাটিও গড়ে উঠেছে ডিবি শিক্ষণে শিশু self-learning বা আত্ম শিখনের উপর জোর দিয়েছেন এই অর্থে শিশু তার আত্ম প্রচেষ্টার মধ্যে দিয়ে শিক্ষা লাভ করে শিশু নিজেই তার শিখনের উদ্দেশ্য ও বিষয়কে নির্বাচন করবে যার মধ্যে তার কোন বৃদ্ধিমূলক চাহিদা পূরণের প্রশ্ন বা সমস্যা যুক্ত থাকে এই সমস্যাটিকে আত্ম সক্রিয়তার মূলক কর্মপ্রয়াস এর মাধ্যমে সমাধান করাই তার আত্মজীবনী মূলক বৃদ্ধি সাধন এর ভিত্তি গড়ে তুলে এই সমস্যা সমাধানের প্রক্রিয়াটি এর মতে শিক্ষার আদর্শ পদ্ধতিতে বুঝিয়ে থাকে প্রবলেম সলভিং মেথদ নামে পরিচিত এর মধ্যে থেকেই উদ্ভব হয়েছে এর এই শিক্ষণ পদ্ধতির মধ্য দিয়ে কার্যকর হয়ে থাকে এগুলো হল
* সমস্যার পরিচয় বা নির্ধারণ
* সমস্যার বিশ্লেষণ 
* সমস্যা সমাধানের সম্ভাব্য পরিকল্পনা 
* পরিকল্পনাকে বাস্তবায়িত করা 
* অর্জিত অভিজ্ঞতা ও সাফল্য ব্যর্থতা সম্পর্কে মূল্যায়ন

ডিবি তার পদ্ধতিকে লার্নিং ড্রয়িং বা হাতে কলমে কাজ অভিজ্ঞতা অর্জনের প্রক্রিয়া কে আদর্শ শিক্ষা পদ্ধতি বলেছেন শিক্ষকের ভূমিকা নির্ধারণ করতে দিবি শিশুর বৃদ্ধি ও বিকাশ সাধনের উপযোগী পরিবেশ সংগঠন ও পদ্ধতি যাতে বাস্তব রূপ লাভ করতে পারে সে সম্পর্কে একজন পর্যবেক্ষক ও সাহায্যকারী বিশেষজ্ঞ রূপে বিচার করেছেন শিক্ষা সম্পর্কে শিশুর স্বাধীন আত্মসম্মান ধারণাটি উপস্থিত উপস্থিত করেছেন এদিকে আমরা মুক্ত শৃংখলার ধারনা বলতে পারি এই উদ্দেশ্যে বিদ্যালয় গৃহ জীবনের অনুরূপ একটি স্বাভাবিক সংগঠন হিসেবে বিদ্যালয় জীবন সংগঠনের কথা বলেছেন ।

Q: আধুনিক শিক্ষায় রবীন্দ্রনাথের অবদান আলোচনা করুন 

Ans:- শিক্ষাক্ষেত্রে রবীন্দ্রনাথের অবদান এই অল্প পরিসরে আলোচনা করা সম্ভব নয় নতুন শিক্ষা ক্ষেত্রে নতুন কোন দৃষ্টিভঙ্গির উদ্ভাবন না হলেও রবীন্দ্রনাথের সৃজনশীল প্রতিভা শিক্ষার বিভিন্ন ক্ষেত্রের উপর বিচ্ছুরিত হয় নতুন আলোর সন্ধান দিয়েছে বিশ্বভারতী শিক্ষাব্যবস্থা পর্যালোচনা করলেই উপলব্ধি করা যায় এ ধরনের কিছু কিছু বিষয়ের উপর আলোকপাত করলাম :

i) আধ্যাত্মিকতার প্রতি গভীর উপলব্ধি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শিক্ষা ভাবনা মূল উৎস শিক্ষার প্রধান লক্ষ্য পাঠক্রম শিক্ষণ পদ্ধতি শৃঙ্খলা শিক্ষক শিক্ষার্থী সম্পর্ক সর্বক্ষেত্রেই আধ্যাত্মিকতার স্পর্শ ছিল এর অর্থ এই নয় যে তার চিন্তার মধ্যে বিজ্ঞান অবহেলিত ছিল প্রকৃতপক্ষে বিজ্ঞান ভিত্তিক শিক্ষার ভিত্তি করেই তিনি পাঠক্রম শিক্ষাপদ্ধতি প্রকৃতি সম্পর্কে আলোচনা করেছেন এবং বিশ্বভারতীতে তার প্রয়োগ করেছেন তবে সেখানেও আধ্যাত্মিকতা থেকে উৎস চিন্তার স্পর্শ ছিল আধ্যাত্মিকতা ও বিজ্ঞান এ দুটি পরস্পরবিরোধী বলে মনে করেন উভয়ের সমন্বয় সাধন করা তাঁর শিক্ষা চন্তার মূল লক্ষ্য ছিল পাঠক্রমে তাই মানবিক বিষয় গুলির সঙ্গে বিজ্ঞানের বিষয় গুলি কে গুরুত্ব দিয়েছিলেন ।

প্রকৃতিক দেওয়া গাছপালা বৃদ্ধ উন্মুক্ত আকাশের নিচে পাঠদান এর বিজ্ঞান ভিত্তিক মনস্তাত্ত্বিক নীতিগুলি অনুসরণ করে তিনি শিক্ষার ব্যবস্থা করেছেন ক্ষেত্রেও চাপিয়ে দেওয়ার পরিবর্তে ঈশ্বরের সৃষ্ট বিশ্বপ্রকৃতির শৃঙ্খলা বজায় আছে তার উপলব্ধির মধ্য দিয়ে শিক্ষার্থী শৃংখলার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করবে এবং তার আচরণ হবে ভালো-মন্দের নিরিখে শিক্ষক-শিক্ষার্থীর সম্পর্কের ক্ষেত্রে তিনি প্রাচীন ভারতবর্ষের গুরুকুল ব্যবস্থা উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেছেন যেখানে ঈশ্বর ওনার মধ্য দিয়ে দিন শুরু হয় এবং মন্ত্রোচ্চারণের শেষে শিক্ষার্থীরা যায় ।

ii) রবীন্দ্রনাথ ব্যক্তির বিকাশ এর মধ্যেই শিক্ষাকে সীমাবদ্ধ রাখেননি সামাজিক বিকাশে সমাজ চেতনার বিকাশ এর প্রতি তিনি সবিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেছেন শিক্ষার্থীদের পল্লীমঙ্গল এর জন্য নির্দিষ্ট কাজের কথা তিনি উল্লেখ করেছেন এই উদ্দেশ্য বিশ্বভারতীতে শ্রীনিকেতন বিভাগ তিনি চালু করেন ।

iii) ইউনেস্কো আন্তর্জাতিক শিক্ষা আন্দোলনের ভূমিকা গ্রহণ করেছে কবিগুরু সে কথা বহু পূর্বেই বলেছেন এবং বিশ্বভারতীতে তার প্রয়োগ ঘটিয়েছেন তিনি বিভিন্ন ভবন প্রতিষ্ঠা করেছেন বিভিন্ন দেশ থেকে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের দিনে বিশ্বভারতীতে আহ্বান করেছেন প্রত্যাশা ছিল এই শিক্ষার মধ্য দিয়ে তার স্বপ্নের বিশ্ব মানব সৃষ্টি হবে ।

iv) শিক্ষার মাধ্যম হিসেবে মাতৃভাষার ব্যবহারের কথা বলে শিক্ষা মনুষ্যত্বের প্রতি তার গভীর জ্ঞানের পরিচয় দিয়েছেন ।

v) শিক্ষার সঙ্গে যে বৃত্তির নিগূঢ় সম্পর্ক আছে ব্যক্তি মানুষ ও সমাজের প্রত্যাশা যে ব্যক্তিকে স্বনির্ভর করে তুলে সমাজের উন্নয়ন করে কবিগুরু তা সম্ভব হবে উপলব্ধি করে বাংলার কুটির শিল্পের কোন উদ্ধারের জন্য বিশ্বভারতীতে শিল্পসদন প্রতিষ্ঠা করেন ।

এইভাবে ব্যক্তি ও সমাজ বিকাশের বিভিন্ন দিকে শিক্ষার ভূমিকার কথা উল্লেখ করে এবং তার প্রয়োগের ব্যবস্থা করে রবীন্দ্রনাথ শিক্ষা কেমন উন্নত স্তরে নিয়ে গেছেন যে এই একবিংশ শতাব্দীতেও তার প্রাসঙ্গিকতা সম্পর্কে কোন প্রশ্ন ওঠেনা সমস্ত দিক থেকেই রবীন্দ্রনাথ ছিলেন মহান তিনি তার জীবনের শ্রেষ্ঠ শিক্ষার জন্য ব্যয় করেছিলেন রবীন্দ্রনাথ মনে করতেন কোন একটি জাতির পরিচয় পাওয়া যায় তা সংস্কৃতির মধ্য দিয়ে তিনি সমস্ত রকম কুসংস্কার থেকে নিজেকে দূরে সরিয়ে রেখেছিলেন তিনি ভারতীয় জনগণকে শিক্ষাব্যবস্থাকে সর্বোপরি ভারতবর্ষকে বিশ্বের দরবারে পৌঁছে দিয়েছিলেন এবং ভাতৃত্ববোধ ও বিশ্বশান্তির ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ ।

Monday, April 11, 2022

April 11, 2022

STSE 2022 । Special Educator Recruitment in Tripura 2022 । Download Notification, Exam Syllabus, Apply Online

শিক্ষক নিয়োগ বোর্ড, ত্রিপুরা (টিআরবিটি)
শিক্ষা (স্কুল) বিভাগ,  ত্রিপুরা সরকার ।
বিশেষ শিক্ষাবিদ নিয়োগ হবে  (STSE)-2022 পরীক্ষার মাধ্যমে , Selection Test for Special Educator 2022।

আসন: SC-34, ST-62, UR-104 
মোট পোষ্ট -200।

বয়স সীমা: 11/04/2022 অনুযায়ী 18 থেকে 40 বছর।
(বয়স শিথিল: 5 বছর SC/ST/PH এবং সরকারি কর্মচারী)

প্রয়োজনীয় যোগ্যতা:
50% নম্বর সহ স্নাতক অথবা স্নাতকোত্তর ও বিএড (Special Education) , RCI recognised প্রতিষ্ঠান থেকে ।
পাশ মার্কস : 150 এর মধ্যে 75,
(SC/ST/PH-এর জন্য 5% নম্বর শিথিলকরণ অর্থাৎ 68 মার্কস পেলে পাশ বলে গণ্য করা হবে )

আবেদন ফী:
সাধারণ: Rs.300/-, ST/SC/BPL/PWD: Rs. 200/-

পরীক্ষার তারিখ: 12/06/2022 (দুপুর 12 টা থেকে 2.30 টা)।

অনলাইন আবেদন শুরু হচ্ছে
27/04/2022 তারিখে  ।

অনলাইন আবেদনের শেষ তারিখ: 05/05/2022 (4.00 PM)।
প্রাথমিক বেতনক্রম : ₹20475/-

Visit TRBT Official Website : Click Here >>

Download Notification : Click Here >>

Download Syllabus : Click Here >>

Apply Online : Click Here >>


View Details Advertisement : Watch Video

Tuesday, March 29, 2022

March 29, 2022

Mathematics Teaching at Elementary Level Important Question and Answers for DELEd Examination


Q: প্রাথমিক স্তরে গণিত শিক্ষার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য সমূহ ব্যাখ্যা করো ।

Ans: গণিত শিক্ষার লক্ষ্য দু'ধরনের ।
a) সংকীর্ণ লক্ষ্য (Narrow Aim):
শিক্ষার্থীর মধ্যে সমাজ উপযোগী দৈনন্দিন জীবনের উপযোগী এবং অর্থনৈতিক বিকাশের লক্ষ্যে গণিতের কয়েকটি ন্যূনতম শিক্ষাদান এর মধ্যে আছে সংখ্যার ব্যবহার গণিতের কয়েকটি মৌলিক প্রক্রিয়ার জ্ঞানলাভ করা ইত্যাদি ।
b) বৃহত্তর লক্ষ্য (Higher Aim):
 শিক্ষার্থীর আভ্যন্তরীণ সম্ভাবনার বিকাশ অর্থাৎ সৃষ্টিধর্মী চিন্তার বিকাশ ঘটানো । এর জন্য শিখন হবে পরিবর্তনশীল, নমনীয় এবং স্বাধীন পরিবেশে । প্রথাগত শিক্ষা পদ্ধতির মাধ্যমে গণিত শিক্ষার বৃহত্তর লক্ষ্যে উপনীত হওয়া একরকম প্রায় অসম্ভব । সংকীর্ণ থেকে বৃহত্তর লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে যাওয়ার প্রচেষ্টা শিক্ষক এবং শিক্ষার্থী উভয়ের মধ্যেই থাকবে ।

প্রাথমিক স্তরে গণিত শিক্ষার উদ্দেশ্য
প্রাথমিক শিক্ষার শিক্ষাক্রম এর প্রতিবেদনে প্রাথমিক শিক্ষার উদ্দেশ্য ও কার্যকারিতা সম্পর্কে বলা হয়েছে,  "শোষণমুক্ত গণতান্ত্রিক সমাজের উপযুক্ত সামাজিক ও মানসিক মূল্যবোধের বিকাশ সাধন, সামাজিক ও প্রাকৃতিক পরিবেশের সর্ম্পকে অন্ধবিশ্বাস ও কুসংস্কারমুক্ত বিজ্ঞানিক মনোভাবের গঠন এবং তদনুযায়ী জীবনচর্যার অভ্যস্ত হওয়ার উপযুক্ত ভিত্তিস্থাপন ।" সার্বজনীন প্রাথমিক শিক্ষাকে ফলপ্রসূ  করতে এবং সচেতন নাগরিক তৈরি করতে এই উদ্দেশ্যগুলো সাহায্য করবে ।

a) গাণিতিক মূল ধারণার জ্ঞান ও বাস্তব জীবনে প্রয়োগ করার দক্ষতা : দৈনন্দিন জীবনে গণিত ওতোপ্রতোভাবে যুক্ত । নিয়মিত যেসব প্রক্রিয়াগুলি দরকার সেগুলি পর্যায়ক্রমে প্রথম শ্রেণী থেকে পঞ্চম শ্রেণী পর্যন্ত পাঠ্যসূচিতে দেওয়া হয়েছে । সংখ্যার ধারণা, যোগ, বিয়োগ, গুন, ভাগ, স্বাভাবিক সংখ্যা, ভগ্নাংশ, দশমিক, শতকরা, ক্ষেত্রফল, সাধারণ জ্যামিতির ধারণা সম্পর্কে ধারণা লাভ গণিত শিক্ষার প্রধান উদ্দেশ্য ।

b) নির্ভুল ও দ্রুত হিসাব করার দক্ষতা অর্জন : আমাদের জীবন গতিশীল এই গতির সঙ্গে জীবনকে যুক্ত করা হলো শিক্ষার উদ্দেশ্য । প্রতিটি ধারণার প্রয়োগ করতে হবে । শুধু দ্রুততা করলে হবে না তার সঙ্গে নির্ভুল হতে হবে ।

c) যুক্তি, বিচারশক্তি ও সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা : গণিত শিখনে স্মৃতিশক্তি স্থান খুব কম । মুখস্ত করে গণিত শেখা যায় না । প্রতিটি ক্ষেত্রে বিচার শক্তির প্রয়োগ দরকার । গণিত শিক্ষার যুক্তি ও বিচার শক্তির বিকাশ হয় । কারণ মানসিক শক্তির বৈশিষ্ট্যগুলি - সরলতা, মৌলিকতা, নির্ভুলতা, নিশ্চয়তা প্রভৃতি বৈশিষ্ট্যগুলি বিকশিত হয় ।
     সমস্যা সমাধানের জন্য সমস্যা বোঝা ও ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অংশে প্রতিটি তথ্য বিশ্লেষণ করার প্রয়োজন পড়ে । এক্ষেত্রে যুক্তি ও বিচার শক্তির উন্মেষ সাধিত হয় ।

d) গাণিতিক ধারণার যথোপযুক্ত প্রয়োগ এবং অনুশীলনের মাধ্যমে দক্ষতা অর্জন : গণিত শিক্ষার মধ্যে নিম্নলিখিত উদ্দেশ্যগুলি বিদ্যমান । যেমন - উচ্চতর গণিত শিক্ষার ভিত তৈরি হবে, সামান্যীকরণ অভ্যাস করতে হবে, মানসিক শক্তির বিকাশ সাধন এর সাহায্য করবে, প্রতীক মূলক ভাষা ব্যবহারের ক্ষমতা তৈরি হবে ।

e) ব্যবহারিক উদ্দেশ্য : গণিত ব্যবহারিক বিষয় । বিদ্যালয় ও পরিবার জীবনে অনেক সমস্যাই গণিতের । সেগুলি সমাধানে গণিতের বিভিন্ন প্রক্রিয়া সাহায্য করে । জ্ঞান অর্জন অপেক্ষা অর্জিত জ্ঞানকে ব্যবহারিক কাজে লাগানোই গণিত শিক্ষার অন্যতম উদ্দেশ্য । শিক্ষার্থীর সমস্যা সমাধানে জ্ঞানকে কাজে লাগানোই গণিতের ব্যবহারিক মূল্য ।
    সুতরাং বিজ্ঞান ও যন্ত্র যে বিপ্লব সাধন করেছে তাকে ব্যক্তির, জাতির ও দেশের কল্যাণে লাগানোর জন্য গণিত শিক্ষা অপরিহার্য ।

Q: গণিতে সমস্যা সমাধান পদ্ধতির বিভিন্ন ধাপ গুলি বর্ণনা করো ।

Ans: সমস্যা সমাধান পদ্ধতির বিভিন্ন স্তর :
 a)শিক্ষার্থীর সমস্যা গ্রহণ : শিশুদের পরিনমন অনুযায়ী এবং বাস্তব ও জীবন কেন্দ্রিক সমস্যাটি শিক্ষকের প্রেরণায় শিশুরা গ্রহণ করবে ।
b)সমস্যার বিশ্লেষণ : গৃহীত সমস্যাটি কতগুলি অংশে বিশ্লেষণ করে তা সমাধানে অগ্রসর হবে । কি কি দেওয়া আছে ও কি কি চাওয়া হচ্ছে তা বুঝবে ।
 c) তথ্য সংগ্রহ ও তার প্রয়োগ : শিশুর নিজস্ব অভিজ্ঞতা ও অন্যান্য অভিজ্ঞতার কেন্দ্র থেকে সম্ভাব্য সমাধানের পথ গুলি নির্ণয় করবে ।
 d) সিদ্ধান্ত গ্রহণ : সঠিক উপায়গুলি প্রয়োগ করে সঠিক সমাধান তৈরি করবে । 
  e) সিদ্ধান্তের যথার্থতা : গৃহীত সিদ্ধান্তটি আরো একাধিকবার অন্যান্য সমস্যার ক্ষেত্রে প্রয়োগ করে সঠিক সিদ্ধান্ত যাচাই করবে ।

উদাহরণ :
সমস্যা :  3 দ্বারা বিভাজ্য সংখ্যা মানে কি 6 দ্বারা বিভাজ্য ?

সমস্যার বিশ্লেষণ : 
(i) 3 দ্বারা বিভাজ্য সংখ্যা কোনগুলি ?
(ii) 6 দ্বারা বিভাজ্য সংখ্যা কোনগুলি ?
(iii) 6 দ্বারা বিভাজ্য সংখ্যাগুলি কি 3 দ্বারা বিভাজ্য ?
(iv) 3 দ্বারা বিভাজ্য সংখ্যা গুলি কি 6 দ্বারা বিভাজ্য ?

তথ্য সংগ্রহ : 
(i) 3 দ্বারা বিভাজ্যতার নিয়ম স্মরণ করবে ? 
(ii) 6 দ্বারা বিভাজ্যতার নিয়ম স্মরণ করবে ?
     তথ্য বিশ্লেষণ ও প্রয়োগে গৃহীত তথ্য বিশ্লেষণের মাধ্যমে প্রথমে 3 দ্বারা বিভাজ্য সংখ্যার সারি তৈরি করবে । যথা- 3,6,9,12,15,18,21,......
    এরপর 6 দ্বারা বিভাজ্যতার নিয়ম প্রয়োগ করবে ও দেখবে 3 দ্বারা বিভাজ্য সংখ্যা সবগুলি 2 দ্বারা বিভাজ্য নয়, তাই সেগুলো 6 দ্বারা বিভাজ্য নয় । কারণ 6 দ্বারা বিভাজ্য সংখ্যা 2 ও 3 দ্বারা বিভাজ্য হয় । এখানে 6, 12, 18 সংখ্যাগুলি 3 ও 6 উভয় দ্বারাই বিভাজ্য কিন্তু 9,15, 21 ইত্যাদি সংখ্যাগুলি 3 দ্বারা বিভাজ্য হলেও 6 দ্বারা বিভাজ্য নয় । 2 ও 3 দ্বারা কোন সংখ্যা বিভাজ্য হলে তবেই সংখ্যাটি 6 দ্বারা বিভাজ্য হয় ।

সিদ্ধান্ত গ্রহণ : 3 দ্বারা বিভাজ্য সমস্ত সংখ্যা 6 দ্বারা বিভাজ্য হবে না ।